ভারতের

ভারত-ইংল্যান্ড T20 সিরিজের ৫ম ম্যাচেও বিশাল জয় ভারতের!

ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ও শেষ টি২০ ম্যাচে ভারতীয় ক্রিকেট দল ইংল্যান্ডকে ১৫০ রানে পরাজিত করে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। এই ম্যাচে ব্যাট এবং বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন অভিষেক শর্মা, যা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 ইংল্যান্ড টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় ভারতকে। খেলতে নামে ওপেনার অভিষেক শর্মা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন। মাত্র ৫৪ বলে ১৩৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৭টি চার এবং ১৩টি ছক্কা। তার এই ইনিংসটি ভারতের T20 আন্তর্জাতিক ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি হিসেবে স্থান পেয়েছে; তিনি মাত্র ৩৭ বলে শতরান পূর্ণ করেন, যা রোহিত শর্মার ৩৫ বলে সেঞ্চুরির পরেই আসে। অভিষেকের এই বিধ্বংসী ইনিংসের ফলে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। ইংল্যান্ডের বোলাররা তার আক্রমণের সামনে অসহায় ছিল। বিশেষ করে, মার্ক উড এবং জোফ্রা আর্চার তাদের স্পেলের সময় প্রচুর রান দেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুতেই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। ফিল সল্ট কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তা যথেষ্ট ছিল না। ইংল্যান্ডের পুরো দল মাত্র ১০.৩ ওভারে ৯৭ রানে অলআউট হয়।

বল হাতেও অভিষেক শর্মা তার দক্ষতা প্রদর্শন করেন। তিনি মাত্র এক ওভারে ৩ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন, যা ইংল্যান্ডের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে সহায়তা হয়। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন অভিষেক শর্মা। সিরিজ জুড়ে দুর্দান্ত বোলিংয়ের জন্য বরুণ চক্রবর্তী সিরিজ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান; তিনি সিরিজে মোট ১৪টি উইকেট নিয়েছেন।

এই জয়ের মাধ্যমে ভারতীয় দল প্রমাণ করেছে যে তারা T20 ফরম্যাটে কতটা শক্তিশালী। অভিষেক শর্মার উত্থান দলের জন্য একটি বড় প্রাপ্তি, এবং তার এই পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে দলের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনবে বলে আশা করা যায়।

ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার ম্যাচের পরে ভারতের কনকাশন বদলির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “পরবর্তীম্যাচে আমরা ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলব,” যা ভারতের কনকাশন বদলির সিদ্ধান্তের প্রতি তার অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয়।

সিরিজের পরবর্তী ধাপে উভয় দলই একদিনের ম্যাচে মুখোমুখি হবে, যা নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে। ভারতীয় দলের এই জয় এবং অভিষেক শর্মার অসাধারণ পারফরম্যান্স দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। তার এই ইনিংসটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হবে বলে বিশ্বাস এবং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য প্রেরণার উৎস হবে এই পারফরম্যান্স। T20 সিরিজের এই ফলাফল উভয় দলের মনোবলেই প্রভাব ফেলবে, এখন দেখার একদিনের সিরিজে তারা কে কেমন পারফর্ম করে।

বিশ্ব

বিশ্বকাপ অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা T20 বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক জয় ভারতীয় মহিলাদের।

অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা T20 বিশ্ব-কাপে অপরাজিত থেকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শিরোপা অর্জন করল ভারতের মেয়েরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৯ উইকেটে জয় লাভ করে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল। এই জয়ের মাধ্যমে তারা আবারও প্রমাণ করল, বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতীয় মহিলারাও কোন অংশে কম নয়।

ফাইনালের সংক্ষিপ্ত স্কোর:

»দক্ষিণ আফ্রিকা মহিলা অনূর্ধ্ব-১৯ঃ ৮২/১০ (২০ ওভার)
»ভারত মহিলা অনূর্ধ্ব-১৯ঃ ৮৪/১ (১১.২ ওভার)

টস জিতে ভারত প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে মাত্র ৮২ রানে গুটিয়ে যায়। ভারতীয় বোলারদের দুর্দান্ত স্পিন ও পেস আক্রমণের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে। দলের হয়ে আয়ুশি শুক্লা, পারুনিকা সিসোদিয়া ও শাবনম শাকিল গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন। প্রতিপক্ষের একমাত্র কিছু ব্যাটার ছাড়া কেউই তেমন স্কোর গড়তে পারেননি, যা ভারতের শক্তিশালী বোলিংয়েরই প্রমাণ।

জবাবে, মাত্র ৮৩ রানের লক্ষ্যে নেমে ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে। ওপেনার গংগাদি তৃষা ২৪ বলে ৩৮ রান করেন এবং সানিকা চালকে ১৫ বলে ২২ রান করেন। অধিনায়ক নিকি প্রসাদ দলকে সহজ জয়ে পৌঁছে দেন। ১১.২ ওভারেই ভারতীয় দল লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে। পুরো টুর্নামেন্টেই ভারত অপরাজিত থেকে শিরোপা জিতেছে। প্রতিটি ম্যাচে তাদের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং ছিল অসাধারণ। কোচিং স্টাফের দারুণ পরিকল্পনা এবং খেলোয়াড়দের চেষ্টার ফলেই ভারত দ্বিতীয়বারের মতো এই শিরোপা ঘরে তুলেছে।

চ্যাম্পিয়ন দলের তারকারাঃ

  1. নিকি প্রসাদ (অধিনায়ক)
  2. গুনালান কামালিনী (উইকেটকিপার)
  3. গংগাদি তৃষা
  4. সানিকা চালকে
  5. ঈশ্বরী আওসারে
  6. মিথিলা বিনোদ
  7. আয়ুশি শুক্লা
  8. যোশিথা ভি জে
  9. শাবনম শাকিল
  10. পারুনিকা সিসোদিয়া
  11. বৈষ্ণবী শর্মা

এই বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে ভারতের মহিলা ক্রিকেট আরও শক্তিশালী হলো এবং তরুণ প্রতিভাদের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে সিনিয়র দলে সুযোগ পাওয়ার পথ খুলে দিল। ক্রিকেটপ্রেমীরা আশা করছেন, এই দলই একদিন সিনিয়র পর্যায়ে ভারতের হয়ে বড় মঞ্চে সাফল্য বয়ে আনবে। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের এই ঐতিহাসিক জয়ের জন্য গোটা দেশ আনন্দে মেতেছে। সকল ক্রিকেটপ্রেমী ও বিশেষজ্ঞরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন। ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য কামনা করছে পুরো ভারতবাসী!

CPIM

যাত্রাপুর থানা রাজনৈতিক ক্রীতদাসে পরিণত হয়েছেঃ CPIM!!

CPIM কাঠালিয়া আঞ্চল কমিটির উদ্যোগে দীর্ঘ সাত বছর পর যাত্রাপুর থানার বিরুদ্ধে প্রতিনিধিমূলক গণ ডেপুটেশন সংগঠিত হলো। সি.পি.আই.এম. কাঠালিয়া অঞ্চল কমিটির অফিস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকা পরিক্রমা করে যাত্রাপুর থানার সামনে এসে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখায়।

বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি ছিল—

  • (১) মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি বন্ধ করা।
  • (২) থানার দুইজন পুলিশ অফিসারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বাড়িতে ঢুকে হুমকি-ধমকি ও হামলার ঘটনা বন্ধ করা।
  • (৩) রাজনৈতিক মামলায় থানাকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভূমিকা নেওয়া।

CPIM-র প্রতিনিধি দল থানার সাব-ইন্সপেক্টর অমরকিশোর দেববর্মার হাতে তাদের লিখিত দাবি তুলে দেন। তবে, থানার ওসি অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব হয়নি বলে জানান সাব-ইন্সপেক্টর। তিনি আশ্বাস দেন, ওসি ফিরলে সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন— CPIM কাঠালিয়া অঞ্চল সম্পাদক কৌশিক চন্দ, CPIM জেলা কমিটির সদস্য আব্দুল করিম, নিদয়ার অঞ্চল সম্পাদক বিল্ল আচার্য, প্রবীণ পার্টি সদস্য ননী পালসহ মোট পাঁচজন। ডেপুটেশন দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের কাছে সি.পি.আই.এম. নেতৃত্ব জানায়, “পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে ও শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করে, তাহলে আমাদের আর কোন কর্মসূচি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু যদি আগের মতো পক্ষপাতমূলক আচরণ চলতে থাকে, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে।” বিক্ষোভ চলাকালীন এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। তবে সমগ্র কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশ প্রশাসন তাদের দাবির বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।About Us

শচীন

ভারতীয় ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের জন্য ‘সি.কে.নাইডু লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট’ পুরস্কার পেলেন শচীন তেন্ডুলকর।

শচীন টেন্ডুলকর ক্রিকেট দুনিয়ায় একটি অবিস্মরণীয় নাম। ভারতীয় ক্রিকেটে অতুলনীয় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিসিসিআই (BCCI)  “ক্রিকেটের ঈশ্বর” শচীন তেন্ডুলকরকে সম্মানিত করল। তাঁকে প্রদান করা হল ‘সি.কে.নাইডু লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট’ পুরস্কার, যা দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্বীকৃতিগুলির মধ্যে অন্যতম।

বিসিসিআই-এর এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করেন শচীন। ২৪ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ভারতীয় ক্রিকেটকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে অসংখ্য রেকর্ডের মালিক শচীন। তিনি প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি শতরান করার কৃতিত্ব অর্জন করেন

পুরস্কার গ্রহণের পর শচীন বলেন, “এটি আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য খেলতে পারা ছিল আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান। বিসিসিআই এবং সমর্থকদের ভালোবাসাই আমাকে এতদূর নিয়ে এসেছে।” শচীনের এই বিশেষ সম্মানপ্রাপ্তিতে ক্রিকেট মহল এবং তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়রাও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেটে শচীন তেন্ডুলকরের অবদান আরও একবার স্বীকৃতি পেল, যা ভবিষ্যত প্রজন্মের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করবে।

কেন্দ্রীয়

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর পেশ করা বাজেট; যুব, মহিলা, কৃষক, গরীব মানুষের বাজেটঃমুখ্যমন্ত্রী!

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর পেশ করা বাজেট ২০২৫-২৬; যুব, মহিলা, কৃষক, গরীব মানুষের বাজেট। এই বাজেট সবকা সাথ সবকা বিকাশের লক্ষ্যকে পূরণ করতে সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর পেশ করা সাধারণ বাজেট নিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

উল্লেখ্য, শনিবার পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর নিয়ে বড় ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর দিতে হবে না। নতুন কর কাঠামোয় মিলবে এই সুবিধা। নতুন কর কাঠামোতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার বেতনভোগী কর্মীদের বছরে ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ে করের পরিমাণ শূন্য রাখা হয়েছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের পেশ করা এবারের বাজেট খুবই ভালো হয়েছে। বিশেষ করে যুবদের জন্য, মহিলাদের জন্য। গরীবদের জন্যও এটা খুবই ভালো বাজেট। এমন ভালো মানের বাজেট আগে কখনো দেখতে পাই নি।

কৃষকদের জন্যও খুবই ভালো হয়েছে এই বাজেট। বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে নজর দেওয়া হয়েছে বাজেটে। তুলো উৎপাদন এবং তার গুনমানের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর যুবদের বিকাশে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য স্টার্ট আপের মাধ্যমে যুবদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রিক বিষয়ের উপরও নজর দেওয়া হয়েছে বাজেটে। শুধু সরকারি চাকরি দিয়ে সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়। তাই স্টার্ট আপে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীদিনে মেডিকেলে যাতে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এজন্য জোর দেওয়া হয়েছে। উড়ান স্কিমেও বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এই স্কিমে সারা দেশে প্রায় ১২২টি নতুন ডেস্টিনেশন রাখা হয়েছে। ট্যুরিজম ডেস্টিনেশনের জন্য নতুন করে প্রায় ৫০টি স্পটে পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। যাতে পর্যটকদের আরো আকর্ষিত করা যায়। এর পাশাপাশি এই বাজেটে জিম ব্যাংকের উপর বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামীদিনে খাদ্য নিরাপত্তার উপর গুরুত্ব রাখা হয়েছে।

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, “এবারের বাজেটে বিহারের জন্য গ্রিনফিল্ড এয়ারপোর্ট এর সংস্থান রাখা হয়েছে। আর ৩০টি জীবনদায়ী ঔষধে শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হল ১২ লাখ পর্যন্ত আয়করে ছাড় দেওয়া হয়েছে যা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য খুবই বড় বিষয়। বিভিন্ন বিষয় এবারের বাজেটে এসেছে। পরিকাঠামো উন্নয়ন, ঐতিহ্যবাহী স্থানের উন্নয়ন, নিউক্লিয়ার এনার্জি ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি এই বাজেট খুবই জনমুখী হয়েছে। এজন্য আমি সর্বপ্রথমে যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। আমি ধন্যবাদ জানাই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে এত সুন্দর বাজেট পেশ করার জন্য। এটা সবকা সাথ সবকা বিকাশের লক্ষ্যকে পূরণ করতে সহায়ক হবে।”

সরস্বতী

“সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহী নমোস্তুতে”

আজ, ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২৫, রবিবার, সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর পূজা। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়, যা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। আজ সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে শুরু হবে পঞ্চমী তিথি এবং আগামীকাল, ৩ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৬টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। পূজার শুভ মুহূর্ত আজ সকাল ৯টা ১৪ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।

সরস্বতী পূজার প্রস্তুতির ব্যাপ্তি ও রুচি একদিকে যেমন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের প্রতিফলিত ঘটায়, তেমনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে নতুন সৃজনশীলতার উদ্ভব ঘটায়। বিভিন্ন মন্দির, বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পূজার উদ্দেশ্যে বিশেষ আয়োজন করছে। প্রতিমা স্থাপনা, পুষ্পাঞ্জলি, আরাধনা, এবং হোমের বিশেষ অনুষঙ্গ প্রস্তুতি চলছে এক নতুন রীতিতে। শিক্ষার্থীরা সরস্বতী পূজার অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে নিজেদের বইপত্র, নোটবুক, কলম ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী দেবীর চরণে অর্পণ করে জ্ঞান ও বিদ্যার আশীর্বাদ প্রার্থনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই রীতি শিক্ষা ও বিদ্যার প্রতি তাদের অটুট আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্রেণীকক্ষ, এবং লাইব্রেরি গুলি আজ পূজার আনন্দে ভরে উঠেছে। অনেক স্থানে শিশুদের হাতেখড়ি অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হবে, যা তাদের শিক্ষাজীবনের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূজার সঙ্গে বিশেষ কর্মসূচিরও আয়োজন করেছে; যেমন সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী, নাটক, সংগীতানুষ্ঠান ও কবিতা পাঠ। শিক্ষার দেবী সরস্বতীর পূজোৎসব নিয়ে মানুষের মাঝে উৎসাহ, শৌর্য এবং এক অসাধারণ সাংস্কৃতিক ঐক্য লক্ষ করা যাচ্ছে। এই পবিত্র দিবসে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিবার এবং সমাজের নানা প্রান্তের মানুষ একত্রে মিলিত হয়ে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করবেন।

এই বাণী বন্দনা আমাদের সকলের জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করুক, যেখানে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও ঐক্যের মহিমা একত্রে মিশে থাকবে। দেবী সরস্বতীর আশীর্বাদে, সকলেই অর্জন করুক শিক্ষার উচ্চতা ও সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর অনুপ্রেরণা, এটাই হোক প্রার্থনা।