তিপ্রা মথায় আভ্যন্তরীণ অসন্তোষ

সুপ্রিমোর দ্বৈত ভূমিকায় বিভাজিত তিপ্রা মথা!

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক দল তিপ্রা মথার অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। দলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ ও বিভেদের বাতাবরণ এতটাই গভীর যে, একাধিক বিধায়ক এবং হেভিওয়েট নেতা এখন দলের সুপ্রিমোর সাথে মঞ্চ শেয়ার করতেও অনিচ্ছুক। এই অসন্তোষের সূত্রপাত বেশ কিছুদিন আগেই হয়েছিল, তবে সম্প্রতি তা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে অনুষ্ঠিত তিপ্রা মথার যুব সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই অসন্তোষের চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক এবং প্রবীণ নেতা এই কর্মসূচি থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। বিশেষ করে দলের এক মহিলা বিধায়কসহ একাধিক নেতা এখন সুপ্রিমোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন।

তবে তিপ্রা মথার অভ্যন্তরীণ সংকট নতুন নয়। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এই অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। মূলত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টি নিয়েই দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। দলের সর্বমোট ৪২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণার সময় সুপ্রিমোর একক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয়েছিল, যা অনেক প্রবীণ নেতারই পছন্দ হয়নি। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করা বহু যোগ্য নেতাকে উপেক্ষা করে একক সিদ্ধান্তে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল।

বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির সঙ্গে তিপ্রা মথার রাজনৈতিক মধুচন্দ্রিমা শুরু হয়। যদিও এই জোট নিয়েও দলীয় অন্দরে বিরোধিতা ছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিতর্ক আরও বাড়ে, যখন দলের প্রবীণ নেতাদের উপেক্ষা করে বহিরাগত এক ব্যক্তিকে বিজেপির পদ্ম চিহ্নে প্রার্থী করা হয়। অনেকেই অভিযোগ তোলেন, এই প্রার্থী মনোনয়নের জন্য দলের মূল দাবিগুলোকেই বিসর্জন দিতে হয়েছিল। তখন থেকেই দলের মধ্যে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছিল, যা এখন প্রকাশ্যে আসছে।

দলের আরও একাংশের অভিযোগ, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে “তিপ্রাসা চুক্তি” নিয়ে আলোচনায় এক নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলের বেশিরভাগ প্রবীণ নেতাকে এই আলোচনার বাইরে রাখা হয়েছে। এতে অনেকেই মনে করছেন, সুপ্রিমো নিজেই একটি বিশেষ গোষ্ঠীর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে একতরফা নীতি অনুসরণ করছেন।

দলের একাধিক নেতা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন, যদি বিজেপির বিরুদ্ধে এতটাই ক্ষোভ থাকে, তাহলে কেন তিপ্রা মথা এখনো বিজেপির সঙ্গে সরকারে রয়েছে? কেন দলের সুপ্রিমো সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগ করে আন্দোলনের পথ বেছে নিচ্ছেন না? এই বিষয়ে দলের এক বিধায়ক স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে যদি সত্যিই এত ক্ষোভ থাকে, তাহলে বিজেপির সঙ্গে সরকারে থাকার কোনো অর্থ নেই। সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে আন্দোলনে নেমে পড়ুন।”

বর্তমান পরিস্থিতিতে তিপ্রা মথা একটি গভীর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের উপেক্ষা করে যুব সংগঠনের উপর নির্ভর করে রাজনীতির চাল চেলে যাচ্ছেন সুপ্রিমো, এমন অভিযোগ দলের ভেতরেই উঠেছে। একদিকে বিজেপির সঙ্গে সরকারে থাকা, অন্যদিকে বিজেপির বিরোধিতা করা—এই দ্বৈত ভূমিকা আদৌ দলের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তিপ্রা মথার এই ভাঙন ভবিষ্যতে রাজ্যের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। দল কি আদৌ ঐক্যবদ্ধ থাকবে, নাকি আরও বড় ভাঙনের দিকে এগোবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।About Us

ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ভারত

ভারতের অশ্বমেধের ঘোড়া ক্যাঙ্গারুকে টপকে ফাইনালে!

ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য আজ এক ঐতিহাসিক দিন! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে ভারত অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে আজ। এই জয়ের নায়ক ছিলেন বিরাট কোহলি ও কে এল রাহুল, যাঁদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভারতকে গৌরব এনে দিয়েছে।

প্রথম ইনিংসঃ

টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। তবে ভারতীয় বোলারদের বিধ্বংসী আক্রমণের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে তারা। পুরো ৫০ ওভার খেললেও অস্ট্রেলিয়া মাত্র ২৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। ভারতের বোলাররা শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে, যেখানে জাসপ্রিত বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজের দাপটে ধসে পড়ে অজি ব্যাটিং লাইনআপ।

দ্বিতীয় ইনিংসঃ

২৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় ইনিংসের শুরুটা বেশ সতর্কতার সঙ্গে হয়। তবে বিরাট কোহলি তাঁর চিরচেনা ছন্দে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ভারতীয় সমর্থকদের উচ্ছ্বাস চরমে পৌঁছায় যখন শেষের দিকে কে এল রাহুল একটি বিশাল ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতিয়ে দেন। ১১ বল বাকি থাকতেই ভারত জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।

অগ্রগতিঃ

গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে ভারত অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল। সেই হারের প্রতিশোধ এবার নিয়ে নিল রোহিত শর্মার দল। তার মানে ভারতীয় ক্রিকেট নিজেদের শুধরে নিয়েছে এবং অগ্রগতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। পুরো ম্যাচ জুড়ে ভারতীয় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখার মতো ছিল।

প্রতিক্রিয়াঃ

ভারতের এই জয়ের সাথে সাথেই যেন উচ্ছ্বাসে ফেটে গেল ভারতীয় সমর্থকদের আবেগে! গ্যালারি কাঁপানো চিৎকার, তেরঙ্গা উড়িয়ে বিজয় উল্লাস—সমস্ত দেশ যেন একসঙ্গে নাচতে শুরু করল! “জয় হিন্দ! ভারত মাতা কি জয়!”—গর্জে উঠল হাজারো কণ্ঠ। রাস্তায় বাজি, ঢাক-ঢোল, বিজয় মিছিল—এ যেন এক উৎসব! কেউ আবেগে কেঁদে ফেলছে, কেউ লাফিয়ে উঠে প্রতিবেশীদের গলায় ঝাঁপিয়ে পড়ছে! সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক পোস্ট, মিম, ভিডিও—পুরো দেশ যেন জয়োৎসবে ভাসছে! এ যেন শুধু এক ম্যাচের জয় নয়, হৃদয়ের জয়, দেশের জয়!

অন্যদিকে ভারতের এই জয়ের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু সমর্থক হতাশ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারত-বিরোধী পোস্ট দিতে শুরু করেছে। কেউ কেউ আবার ভারতের ফাইনাল পরাজয়ের জন্য প্রার্থনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন।

অপেক্ষায়ঃ

এখন ভারতের সামনে ফাইনালের বড় চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে পাকিস্তানে। সেই ম্যাচের বিজয়ী দলের সঙ্গেই ভারত লড়বে দুবাইয়ের ফাইনালে। সমগ্র ভারতীয় সমর্থকরা এখন আশায় বুক বেঁধেছেন, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের জন্য।About Us

বাংলাদেশ

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে বাংলাদেশের জনগণ রাস্তায়!

বাংলাদেশে বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশের জনগণ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে, তাদের একটাই দাবি—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি রাজনৈতিক সঙ্কট নয়, বরং দেশের সার্বিক স্থিতিশীলতার জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ষড়যন্ত্রের শিকার গণতান্ত্রিক সরকার!

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব রাজনীতির নানা চক্রান্তের অংশ হিসেবে, একটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক চক্র গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করে। বাংলাদেশে বহু বছর ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলেও, এই ঘটনার মাধ্যমে তা এক নতুন রূপ নেয়। নিরীহ ছাত্র ও যুবকদের ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করা হয় এই ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রবাদীরা তরুণদের বিভ্রান্ত করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐদেশের এক শ্রেনীর বুদ্ধিজীবীদের মতে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতির পর দেশে এক অভূতপূর্ব অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে, নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন দেশের নাগরিকরা। চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে বহুগুণে। বিশেষ করে যারা বর্তমানে সরকার পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠছে।

অনুশোচনা?

দেশের এক বিশাল জনগোষ্ঠী যারা আগে শেখ হাসিনার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নিজেদের ভুল বুঝতে পারছে। একসময় যারা তার কঠোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করত, তারা এখন বলছে, “দেশ চালাতে গেলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, যা হয়তো কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের ভালো লাগেনি।” বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ শেখ হাসিনার শাসনামলে যে স্বস্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে ছিলেন, তা আজ চরমভাবে অনুপস্থিত। বিশেষ করে নারীরা নিজেদের আগের চেয়ে অনেক বেশি অনিরাপদ মনে করছেন। যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এই আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছেন দেশের সাধারণ নাগরিকরা।

নতুন ষড়যন্ত্র!

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভাষার আধিপত্য প্রতিষ্ঠার নামে বাংলা ভাষার ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করছে। অথচ এই দেশ তৈরি হয়েছিল বাংলা ভাষার দাবির ভিত্তিতে। তাহলে যদি বাংলা ভাষার গুরুত্ব হারিয়ে যায়, তবে দেশটির অস্তিত্বই আর অর্থবহ থাকবে না—এমনটাই মনে করছে দেশের জনগণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সরকার শুধু ভাষাগত দিক থেকে নয়, আদর্শিকভাবেও একটি ভিন্ন পথ অনুসরণ করছে, যা বাংলাদেশকে তার মূল চেতনাবোধ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে।

পুনরায় পাকিস্তান?

বয়স্ক নাগরিকরা এখন আলোচনা করছেন, কিভাবে এক সময় ভারত থেকে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান তৈরি হয়েছিল এবং সেই পাকিস্তানেরই একটি অংশ ছিল আজকের বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা স্বাধীন হলেও, বর্তমানে কিছু মহল দেশটিকে আবার পাকিস্তানের মতো করতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি দুষ্টচক্র দেশের অভ্যন্তরে নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। একদিকে তারা ভারত-বিরোধী স্লোগান তুলছে, অন্যদিকে বাংলাদেশকে পুনরায় পূর্ব বাংলা করার চেষ্টা করছে। ভারতের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালিয়ে তারা দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।

কূটনৈতিক মহল!

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়, ভারতের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনার অনুগতরা মনে করেন, ভারত শেখ হাসিনার সমর্থন সমর্থনে দাঁড়িয়েছে এবং তার দেশে ফেরার পথ সুগম করতে কাজ করছে। এদিকে, কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের মুখে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠে আসে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, বরং তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, “বাংলাদেশ প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

সূক্ষ দৃষ্টিঃ

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর ভারত গভীর নজর রাখছে এবং যে কোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে। বিশেষ করে, যারা ত্রিপুরা, মনিপুর ও আসামসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাদক চোরাচালান ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে, তাদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

শেষ কথাঃ

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, তা নির্ভর করছে আসন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর উপর। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে জনগণের এই আন্দোলন কতদূর যাবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটুকু স্পষ্ট—বাংলাদেশের জনগণ আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের মতো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে তারা দেশকে অরাজকতার কবল থেকে রক্ষা করতে চায়। বাংলাদেশ কি আবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ফিরে আসবে, নাকি এই অরাজকতা আরো গভীর সংকটের দিকে নিয়ে যাবে? দেশবাসী তাকিয়ে আছে ভবিষ্যতের দিকে।About Us

পর্যটন শিল্প

পর্যটন শিল্পকে ঢেলে সাজাতে দিল্লির দরবারে সুশান্ত!

ত্রিপুরার পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বড়সড় উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। পর্যটন ও পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সম্প্রতি দিল্লি সফরে গিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রীসহ একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এবং ত্রিপুরাকে পর্যটন মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করা।

পর্যটনের ভবিষ্যৎঃ

ত্রিপুরার পর্যটন শিল্প এতদিন অবহেলিত ছিল। পূর্ববর্তী সরকার পর্যটনকে রাজস্ব বৃদ্ধির একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে ভাবেনি। অথচ, ত্রিপুরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর, যার মধ্যে রয়েছে নারিকেল কুঞ্জ, ডুম্বুর লেক, নীরমহল, ঊনকোটি, দেবতামুড়া, জাম্পুই পাহাড়ের মতো অনন্য স্থান। বর্তমান সরকার পর্যটনকে শিল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই খাতকে শক্তিশালী করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের সঙ্গে বৈঠকে তিনি রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর উন্নয়নের জন্য আরও ১৫০ কোটি টাকা অনুদানের দাবি জানান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই দাবিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে অনুদান মঞ্জুর করেছেন।

প্রসাদ প্রকল্পঃ

ত্রিপুরার অন্যতম প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র মাতাবাড়ি। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রসাদ প্রকল্পের আওতায় এই স্থানকে নবরূপে সাজানো হয়েছে। শীঘ্রই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। নতুন পরিকাঠামো তৈরি হওয়ায় ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য আরও সুবিধা বাড়বে। রাজ্য সরকার আশা করছে, মাতাবাড়ির উন্নয়নের ফলে তীর্থযাত্রীর সংখ্যা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে এবং রাজ্যের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিকল্পনাঃ

নারিকেল কুঞ্জ ও ডুম্বুর লেককে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটকদের জন্য রিসর্ট, বোটিং, ওয়াটার স্পোর্টস, ক্যাম্পিং-এর সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ঊনকোটি, যেখানে শিলাচিত্র ও মূর্তি খোদাই করা রয়েছে, এক অপূর্ব ঐতিহাসিক নিদর্শন। কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় এই স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটন শিল্প শুধুমাত্র রাজস্ব বৃদ্ধি করবে না, এটি রাজ্যের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করবে। হোটেল, রিসর্ট, পরিবহন, রেস্তোরাঁ, গাইড, হস্তশিল্প ও স্থানীয় শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে হাজারো মানুষের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ তৈরি হবে।

অবকাঠামোঃ

পর্যটন বিকাশের জন্য রেল ও বিমান যোগাযোগ উন্নত করা জরুরি। দিল্লিতে সুশান্ত চৌধুরী কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে বৈঠকে আগরতলা বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিকীকরণ, বিমান ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, এবং নতুন বিমান পরিষেবা চালুর দাবি জানান। কৈলাসহর বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত এই বিমানবন্দর চালু হলে উত্তর ত্রিপুরায় পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, শীঘ্রই তিনি কৈলাসহর বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসবেন।

দেশের জন্য মডেলঃ

পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর এই উদ্যোগে ত্রিপুরার পর্যটন শিল্প নতুন দিগন্তের পথে এগোচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যের পর্যটন কেন্দ্রগুলো দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হবে। রাজ্যের পর্যটন শিল্প আগামী দিনে গোটা দেশের জন্য মডেল হয়ে উঠতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।cropped 800X800

আগরতলা রেল স্টেশনকে বিশ্বমানের রূপ

আগরতলায় এনএফ রেলওয়ে এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে বৈঠক!

ত্রিপুরার প্রধান রেল স্টেশনটিকে বিশ্বমানের রেল স্টেশনে পরিণত করতে উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সোমবার রাজ্যের রেল পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এনএফ রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার (কনস্ট্রাকশন) অরুণ কুমার চৌধুরীর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন। বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়।বৈঠকে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির ওপর আলোচনা হয়—

  • রেললাইনের বৈদ্যুতিকরণ: বদরপুর থেকে সাব্রুম পর্যন্ত বৈদ্যুতিক যাত্রীবাহী ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা।
  • সিঙ্গেল লাইন থেকে ডাবল লাইন: রাজ্যের একক রেলপথকে দ্বৈত লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগ।
  • নতুন ট্রেন পরিষেবা: আগরতলা-গুয়াহাটি ইন্টারসিটি ট্রেন, আগরতলা থেকে-জম্মু, পুরী ও গয়া এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর পরিকল্পনা।
  • স্টেশন উন্নয়ন প্রকল্প: অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের আওতায় আগরতলা, ধর্মনগর ও উদয়পুর স্টেশনকে আধুনিক রূপ দেওয়া।
  • নতুন রেল সংযোগ প্রকল্প: পেঁচারথল থেকে কৈলাসহর হয়ে ধর্মনগর পর্যন্ত বিকল্প রেললাইন স্থাপন এবং জিরানীয়া থেকে বোধজংনগর ও আরকেনগর শিল্পনগরী পর্যন্ত রেল সংযোগ তৈরি।
  • আন্তর্জাতিক রেল যোগাযোগ: সাব্রুম রেল স্টেশন থেকে সাব্রুম ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট পর্যন্ত নতুন রেললাইন স্থাপনের পরিকল্পনা।
  • বন্দে ভারত এক্সপ্রেস: গুয়াহাটি থেকে আগরতলা পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই।
  • পরিবহণ অবকাঠামো উন্নয়ন: সেকেরকোটে ফুয়েল স্টোরেজ ডিপো নির্মাণের অগ্রগতি এবং আগরতলা-আখাউড়া রেল প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা।

বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী আগরতলা রেল স্টেশনকে বিশ্বমানের স্টেশনে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নিতে রেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। তিনি স্টেশনগুলির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব ড. প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী এবং পরিবহণ দপ্তরের যুগ্ম সচিব মৈত্রী দেবনাথ।

ত্রিপুরার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি রাজ্যের পরিবহণ খাতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিকল্পনাগুলি সফল হলে রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।About Us

দিল্লি সফরে মন্ত্রী সুশান্ত

মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ দিল্লিতে!

নয়াদিল্লি সফরে গিয়ে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন ত্রিপুরার পর্যটন ও পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রাজ্যের রেল, পর্যটন এবং বিমান পরিষেবার উন্নয়নে কেন্দ্রের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। বিশেষ করে, ত্রিপুরার পর্যটন খাতের বিকাশ, বিমান পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং রেল সংযোগের উন্নতির জন্য বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি একাধিক দাবি উত্থাপন করেন মন্ত্রী।

রাজ্যের পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ১৫০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে বলে জানান সুশান্ত চৌধুরী। এই তহবিলের সাহায্যে ত্রিপুরার পর্যটন অবকাঠামো আরও সুদৃঢ় করা হবে এবং পর্যটন শিল্পকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা হবে। এই লক্ষ্যে তিনি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যের পর্যটন সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে পর্যটন বিভাগের সচিব ও অধিকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে একটি বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR) জমা দেন, যাতে ত্রিপুরার পর্যটন উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত আশ্বাস দিয়েছেন যে, ত্রিপুরার পর্যটন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করবে এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

দিল্লি সফরের অংশ হিসেবে ত্রিপুরার পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু কিনজারাপু-র সঙ্গেও বৈঠক করেন। সেখানে তিনি ত্রিপুরার সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিমান ভাড়ার লাগাম টানা ও নতুন বিমান পরিষেবা চালুর দাবি জানান। মন্ত্রী বিশেষভাবে অনুরোধ করেন, আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর থেকে নতুন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে আরও বিমান পরিষেবা চালু করা হোক। বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা সীমিত, যা সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহন মন্ত্রী বিমান ভাড়ার সীমারেখা নির্ধারণ ও যাত্রীস্বার্থ সুরক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি, তিনি জানান যে, আগামী দিনে ত্রিপুরার বিমান পরিষেবা আরও উন্নত করতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ত্রিপুরার পরিবহনমন্ত্রী দিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব-এর সঙ্গেও বৈঠক করেন। এই বৈঠকে ত্রিপুরার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সুশান্ত চৌধুরী রাজ্যের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর হাতে একটি লিখিত আবেদনপত্র তুলে দেন, যেখানে ত্রিপুরার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলোর কথা উল্লেখ করা হয় এবং সেগুলোর দ্রুত সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মনোযোগ সহকারে ত্রিপুরার রেল সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো শোনেন এবং আশ্বাস দেন যে, এই বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পর্যটন, রেল এবং বিমান পরিষেবা সংক্রান্ত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোর মাধ্যমে ত্রিপুরার পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল। সুশান্ত চৌধুরী জানিয়েছেন, রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সক্রিয় সহযোগিতায় খুব শীঘ্রই ত্রিপুরার পর্যটন ও পরিবহন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ত্রিপুরাকে পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে আসার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তা ও নীতি সহায়তায় এই প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে। এই বৈঠকগুলোর ফলে ত্রিপুরার পর্যটন, রেল এবং বিমান পরিষেবার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নতুন দিশা পেল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।About Us

উন্নয়ন

৩৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঊনকোটিতে!

রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করতে ত্রিপুরা সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই আগামীকাল, ৪ মার্চ, উনকোটি জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৩৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে, যার মাধ্যমে জেলার পরিকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক পরিষেবার সম্প্রসারণ ঘটবে। উনকোটি জেলাকে আধুনিকীকরণের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • উনকোটি জেলায় যে উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করা হবে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—
  •  প্রশাসনিক পরিকাঠামো: উন্নত প্রশাসনিক পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে জেলাশাসক (ডিএম) অফিসের নতুন ভবন, মহকুমা শাসক (এসডিএম) কার্যালয়, এবং জেলা পরিবহন দপ্তরের নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।
  • স্বাস্থ্য পরিকাঠামো: জেলার স্বাস্থ্য পরিসেবাকে আরও উন্নত করতে একটি নতুন ভেটেরিনারি জেলা হাসপাতাল এবং একটি আধুনিক ডি-অ্যাডিকশন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।
  • সমাজকল্যাণ ও শিশু সুরক্ষা: সমাজকল্যাণ দপ্তরের ডিআইএসই অফিস, সিডিপিও অফিস, এবং একটি চাইল্ড কেয়ার ইনস্টিটিউশন গড়ে তোলা হবে, যা শিশুদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।
  • রাজস্ব ও ভূমি প্রশাসন: তিনটি তহশিল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যা ভূমি ও রাজস্ব সংক্রান্ত কাজের সুবিধা বাড়াবে।
  • শিক্ষা পরিকাঠামো: শিক্ষার উন্নয়নে জোর দিতে তিনটি নতুন স্কুল ভবন এবং একটি নার্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
  • পরিষ্কার পানীয়জল: প্রত্যন্ত এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয়জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে দুটি নতুন পানীয়জল প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।
  • ব্যবসায়িক পরিকাঠামো: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে একটি নতুন বাজার শেড উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই বিশাল কর্মসূচির মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে উনকোটি জেলার চণ্ডিপুর ব্লক প্রাঙ্গনে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায়, স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, পরিবহন দপ্তরের সচিব চন্দ্র কুমার জমাতিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা তপন কুমার দাস সহ অন্যান্য শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকগণ।

ত্রিপুরা সরকার নাগরিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক পরিষেবা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছে। এই ৩৪টি প্রকল্প জেলার জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামগ্রিকভাবে ত্রিপুরার উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ত্রিপুরা সরকার এই ধরণের জনমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য আরও উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রশাসনের এই উদ্যোগ আগামী দিনে উনকোটি জেলার সার্বিক অগ্রগতির পথ সুগম করবে এবং রাজ্যের উন্নয়নযাত্রাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।About Us

ত্রিপুরা সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি

বিজেপি ক্ষমতার দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় বৎসর উদযাপন ত্রিপুরায়!

বর্তমান ত্রিপুরা সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে দুটি পৃথক রাজ্য-স্তরের কর্মসূচির আয়োজন করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও রাজ্য সরকার। এই অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা এ কথা জানান। তিনি বলেন, “২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখ ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছিল, যেখানে ভারতীয় জনতা পার্টি ফের ক্ষমতায় ফিরে আসে। এটি আমাদের জন্য এক আবেগঘন মুহূর্ত ছিল।” মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, অনেকেই তখন দাবি করেছিলেন যে বিজেপি এবার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। কিন্তু মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বিজেপির প্রতি আস্থা রেখেছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৮ মার্চ সরকারের পক্ষ থেকে আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে একটি রাজ্য-স্তরের অনুষ্ঠান টি অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচিতে রাজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হবে। এছাড়া, বিজেপির পক্ষ থেকেও পৃথকভাবে আরেকটি বিশাল কর্মসূচি আয়োজন করা হবে, যেখানে বহু সংখ্যক বিজেপি কর্মী অংশগ্রহণ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করছি এবং তারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন এবং আমাদের সরকারের কাজ ও কৃতিত্ব নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।” উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রথমবার বিজেপি ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসে এবং ২০২৩ সালের নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় ফিরে আসে। ফলে ত্রিপুরায় বিজেপির শাসনের এনিয়ে‌ সাত বছর পূর্ণ হয়েছে।

এদিন, ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, তিনি ইতোমধ্যেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ত্রিপুরা সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে বিজেপি শিবিরে উৎসবের আবহ বিরাজ করছে। রাজ্যব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বর্ষপূর্তি উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিজেপি রাজ্যের জনসংযোগ আরও শক্তিশালী করতে চাইছে। আগামী ৮ মার্চের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।About Us

ভারতীয় ক্রিকেটের জয় অব্যাহত

বরুণ চক্রবর্তী ভারতীয় বোলিংয়ের নতুন নক্ষত্র!

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আজকের ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচে ভারত তাদের জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। ম্যাচের শুরুতে নিউজিল্যান্ড টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ভারতকে ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানায়। ভারত প্রথম ইনিংসে ২৪৯ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়, যা তাদের বোলিং শক্তির কারণে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইতে পরিণত হয়।

প্রথম ইনিংসঃ

আজ ভারতীয় দলে বড় স্কোর গড়ার মতো কেউ শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি। ইনিংসের শুরুতেই রোহিত শর্মা (৩২) এবং শুভমান গিল (৪৫) একটি ভালো জুটি গড়ে তোলেন। তবে নিউজিল্যান্ডের পেসাররা মাঝের ওভারে আক্রমণাত্মক বোলিং দ্রুত কয়েকটি উইকেট তুলে নেন। তারপর, বিরাট কোহলি (৫১) এবং শ্রেয়াস আইয়ার (৪১) গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ গড়েন। শেষের দিকে রবীন্দ্র জাদেজার ৩৫ রানের কার্যকরী ইনিংস ভারতকে ২৪৯ রানে পৌঁছে দেয়। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে লকি ফার্গুসন এবং ট্রেন্ট বোল্ট দুটি করে উইকেট নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসঃ

জয়ের জন্য ২৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ভালো শুরু করলেও ভারতীয় বোলারদের সামনে বেশি সময় টিকতে পারেনি। ওপেনার ডেভন কনওয়ে (৪২) এবং উইল ইয়ং (৩৩) শুরুটা ভালো করলেও ভারতীয় বোলাররা একের পর এক আঘাত হানতে থাকে। মাঝের ওভারে বরুণ চক্রবর্তী তার অসাধারণ স্পিন দিয়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারকে ধ্বংস করে দেন। তার দুর্দান্ত গুগলি এবং ভ্যারিয়েশন সামলাতে না পেরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক উইকেট হারায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, কিন্তু অন্য ব্যাটসম্যানরা তাকে যথাযথ সঙ্গ দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৪৬.২ ওভারে ২০৫ রানেই গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড, এবং ভারত ৪৪ রানের জয় হাসিল করে নাই।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচঃ

এই ম্যাচে ভারতের জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। তার অসাধারণ স্পিন বোলিং নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের পিচে টিকতে দেয়নি। বরুণ ৯ ওভারে মাত্র ৩৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন, যা তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। তার গুগলি এবং ক্যারম বল সামলাতে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়। বরুণের দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের জন্য তাকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ঘোষণা করা হয়।

পরবর্তী ম্যাচঃ

ভারতীয় দল এই জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে এবং পরবর্তী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। ম্যাচটি আগামী ৫ মার্চ দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং ও বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে ভারত কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আজকে বরুণ চক্রবর্তীর এবং বর্তমানে দলের পারফরমেন্স ভারতীয় সমর্থকদের আশাবাদী করে তুলেছে যে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারত জয়ের পথ প্রশস্ত করবেAbout Us

ব্যাংকগুলি সরকারি প্রকল্পে ঋণ প্রদান করছে না

ঋণ প্রদানে তালবাহানার অভিযোগ বিভিন্ন ব্যাংকগুলি বিরুদ্ধে!

রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে ব্যাংকগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। আগরতলা টাউন হলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতীয় স্তরের তুলনায় ত্রিপুরায় ব্যাংকগুলোর ঋণ প্রদানের হার অত্যন্ত কম। ফলে বেকার যুবক-যুবতীরা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেলেও, ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ না পাওয়ার কারণে তারা উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারছেন না। অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আরও সহজ শর্তে ঋণ মঞ্জুর করে।

রাজ্যের বিভিন্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা কেন্দ্র সরকারের মুদ্রা লোন প্রকল্পের আওতায় ঋণ প্রদানে নানা তালবাহানা করছে। ফলে নতুন উদ্যোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একইভাবে, স্বাবলম্বন প্রকল্প-সহ অন্যান্য সরকারি ঋণ প্রকল্পের ক্ষেত্রেও ব্যাংকগুলোর গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকার বারবার ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে এই বিষয়টি তুলে ধরেছে। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা নিজেও ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন, বেকারদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে ঋণপ্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, যারা ঋণ নিয়ে নতুন শিল্প গড়ছেন, তাদের সময়মতো ঋণ পরিশোধের পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

মহিলাদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে, স্বসহায়ক দলের মহিলাদের আর্থিকভাবে সশক্ত করতে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক (PNB)। ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্বসহায়ক দলের সদস্যাদের ঋণ মঞ্জুর করেছে। এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় তাঁদের হাতে ঋণের চেক তুলে দেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ব্যাংকগুলোকেও এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত এবং আরও বেশি সংখ্যক মহিলাকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া উচিত।

অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, রাজ্যের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য ব্যাংকগুলির আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, “জাতীয় স্তরের ব্যাংকগুলোর তুলনায় আমাদের রাজ্যের ব্যাংকগুলি অনেক কম ঋণ প্রদান করছে। তাই আমি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আরও বেশি ঋণ প্রদানের জন্য এগিয়ে আসে এবং সরকারি প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।” রাজ্যের অর্থনীতি ও যুবকদের ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য ব্যাংকগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঋণপ্রদান প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এখন দেখার বিষয়, ব্যাংকগুলি এই আহ্বানে কতটা সাড়া দেয়।About Us