ত্রিপুরা

ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হবে

ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার থেকে। এবারের অধিবেশনে বিভিন্ন ইস্যুতে শাসক শিবিরকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল সিপিএম ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মাঠে নেমেছে। সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল ও সভা করে শাসকদলের বিরুদ্ধে কামান দাগছে৷ তীব্র বেকার সমস্যা, চাকুরী সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। সবটাই হচ্ছে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেটে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য।

এটাও ঠিক বাম যুব সংগঠনের মিছিল গুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যুবারা ভীড়তে শুরু করেছেন। ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে যুবরা। এটাই বিরোধী দল সিপিএমের কাছে ইতিবাচক দিক। পাশাপাশি আইনের শাসন নিয়ে এবার বিধানসভায় বিরোধী দল সরব হবে বলে খবর। গত সেপ্টেম্বর মাসে শরৎকালীন অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বিধানসভার অধিবেশনের মেয়াদ দিন দিন কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। রাজ্যের মানুষের জন্য বিধানসভায় কথা বলার সুযোগ কমে যাচ্ছে। এবারও বিধানসভার অধিবেশন বসছে তিন দিন। অসুস্থতার কারণে বিএসি মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। ছিলেন উপনেতা শ্যামল চক্রবর্তী। ফলে অধিবেশনে কথা বলার সময় বাড়ানোর দাবিও হতে পারে। উল্লেখ করা যেতে পারে সেপ্টেম্বর মাসের শরৎকালীন অধিবেশনে কংগ্রেসের বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনও একই সুরে অধিবেশনের সময়কাল বাড়ানোর দাবি করেছিলেন। যদিও বিএসসি মিটিং শেষে পরিষদীয় মন্ত্রী রতন লাল নাথ তো জানিয়েছিলেন সর্বসম্মতিক্রমেই বিধানসভার অধিবেশন তিনদিন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে । বছরের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় প্রথা অনুসারে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লুর ভাষণের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর রাজ্যপালের ভাষণের উপর আলোচনা করবেন ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্যরা। রাজ্যপাল তার ভাষণে তার সরকারের সফল্যগুলো তুলে ধরবেন। আগামী মার্চ মাসেই আবার বাজেট অধিবেশন। তবে এবারের অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতনভাতা সংক্রান্ত বিল আসতে পারে।

এবারের ত্রিপুরা বিধানসভার অধিবেশনে বিধায়কদের পেনশন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এমনিতেই এখন ত্রিপুরা বিধানসভার আইন অনুসারে সাড়ে চার বছর বিধানসভার সদস্য না থাকলে পেনশন পাওয়া যায় না। এই আইনের সংশোধন করা হতে পারে বলে খবর। পাশাপাশি বিধায়কদের বেতন ভাতা ও সম্মানিক বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ২০১৯ সালের আগষ্ট মাসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ উপ-মুখ্যমন্ত্রী, অন্য মন্ত্রী, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, বিরোধী দলনেতা, মুখ্যসচেতক এবং বিধায়কদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণভাবে বাড়ানো হয়েছিল। পাশাপাশি প্রাক্তন বিধায়কদের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিল আসছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি জানান দুটি বিল পেশ করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরো একটি বিল আসতে পারে। ১০ জানুয়ারি থেকে অধিবেশন শুরু হবে চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১১ এবং ১২ই জানুয়ারি বন্ধ। ১৩ জানুয়ারি আবার অধিবেশন শুরু হবে। ১৪ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে অধিবেশন। আবার অধিবেশন বসবে ১৫ জানুয়ারি। সেদিনই অধিবেশন শেষ হবে।

পুর

পুর নিগমের শারদ সম্মাননায় ৫টি ক্লাবকে পুরস্কৃত করা হবে

পুর নিগম শারদ সম্মাননা ২০২৪ এর পুরস্কার প্রদান করবে আগামী ১৬ই জানুয়ারী। সন্ধ্যা ৬ টায় আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের ১নং হলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ খবর জানার মেয়র দীপক মজুমদার,মেয়র ছাড়াও আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মনিকা দাস দত্ত, এমআইসি মেম্বার রত্না দত্ত, এমআইসি নাম্বার বাপি দাস, এমআইসি মেম্বার প্রদীপ চন্দ্র সহ অন্যান্যরা। প্রসঙ্গত ৩০ সে ডিসেম্বর এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল কিন্তু ভারতবর্ষের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রয়াত হওয়ায় এই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। ৫টি ক্লাবকে সেরার সেরা পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরি গুলি হল; সেরা প্রতিমা, সেরা মন্ডপ ,সেরা আলোকসজ্জা, সেরা থিম, মহিলাদের দ্বারা আয়োজিত সেরা দুর্গাপুজা। সেরা প্রতিমা হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছে ফ্লাওয়ার্স ক্লাব, সেরা মন্ডপ নেতাজি প্লে সেন্টার, সেরা আলোকসজ্জা এগিয়ে চলো সংঘ, সেরা থিম যুবসমাজ এবং মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত পূজা হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছেন রামনগরের মুক্তি সংঘ ক্লাব। এছাড়াও অন্যান্য ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ২১ টি ক্লাবকে এদিন পুরস্কৃত করা হবে। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা, পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। প্রসঙ্গত সেরা সেরা প্লাস্টিক ক্লাবকে ৫০ হাজার টাকা এবং সুদৃশ্য ট্রফি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য জোনালের বিজয়ী ক্লাব গুলিকে ২৫ হাজার টাকা এবং সুদৃশ্য ট্রফি প্রদান করা হবে।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে গ্রন্থাগার নিয়ে পুনরায় ভাবনা

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে শিক্ষা ক্ষেত্রে গ্রন্থাগার নিয়ে পুনরায় ভাবনা শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনের ভুমিকা শীর্ষক এক আলোচনাচক্রে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগন অংশ নেন। আলোচনার সুত্রপাত করে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গঙ্গাপ্রসাদ প্রসেইন বলেন, প্রাচীন ভারতে নালন্দা, তক্ষশিলা, বিক্রমশিলার মতো বিশ্ববিদ্যালয় গুরুকূল শিক্ষার মাধ্যমে গোটা বিশ্বে শিক্ষা সম্প্রসারনে ভারতকে এক বিশ্বগুরুর মর্যাদায়,নিয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে মুসলিম শাসন, ইংরেজ শাসনে এই ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়।ভারতকে পুনরায় বিশ্বগুরুর মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে, শিক্ষা অন্যতম প্রধান উপায়। নয়া শিক্ষা নীতি ২০২০ বিকশিত ভারত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আলোচনাচক্রে দক্ষিন বিহারের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামেশ্বর নাথ সিং বলেন, বিকশিত ভারত গঠনে শিক্ষা ও দক্ষতা বিকাশের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিকশিত ভারত গঠনে চার ক্ষেত্র যুব সম্প্রদায়, মহিলা, কৃষক ও গরীব অংশের জনগনের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।সম্পদ ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, দেশের মজবুত গনতন্ত্র ও বিরাট সংখ্যক যুবসম্প্রদায় ভারতের মুল চালিকা শক্তি হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি। সিকিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জ্যোতি প্রকাশ তামাং বলেন, ২৯৪৭ সালের মধ্যে দেশকে বিকশিত করতে শুধু সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিটি দেশবাসীর সুস্থ দেহ ও সুস্থ মানসিকতা অর্জন করতে হবে। আলোচনায় টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রতন কুমার সাহা উন্নত টেকনলজির উপর গুরুত্ব দেন।

রাজ্যপাল

রাজ্যপাল দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম ঘুরে দেখেন,ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু বৃহস্পতিবার বাধারঘাট মাতৃপল্লী স্থিত রিগ ডিভিশন এবং পানীয় জল ও স্বাস্থ্যবিধান বিভাগের সহকারী বাস্তুুকার কার্যালয়ের অফিসটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে রাজ্যপালের সঙ্গে ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং। পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডক্টর বিশাল কুমার রাজ্যপালের যুগ্ম সচিব রতন ভৌমিক দপ্তর এর মুখ্য বাস্তুকার রাজিব মজুমদার সহ আরো অনেকে। রাজ্যপাল দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম ঘুরে দেখেন,ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার হর ঘর জল প্রকল্প। রাজ্যও এই প্রকল্পে সুবিধা পাচ্ছেন মানুষ। রাজ্যে স্থায়ী ওয়াটার সাপ্লাই সিস্টেম কিভাবে চলছে তা দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা জানতে পেরেছি। ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য দপ্তরের আধিকারিকরা সার্বিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা আগামী দিনে সমস্ত রাজ্যে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের কর্ম দক্ষতাকে আরো বেশি করে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

ভারত

ভারত এর বিদেশ নীতি আরও একধাপ এগিয়ে গেল!

ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি এবং আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের কার্যনির্বাহী বিদেশমন্ত্রী মাওলাভি আমির খান মুত্তাকির মধ্যে সম্প্রতি দুবাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকটি তালিবান সরকারের সঙ্গে ভারতের প্রথম উচ্চপর্যায়ের সরাসরি সংযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বৈঠকের প্রেক্ষাপট:

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ভারত সরকার তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে নয়াদিল্লি কাবুলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে। সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে তালিবান সরকারের সীমান্ত সংঘাত এবং আফগানিস্তানে পাকিস্তানি বায়ুসেনার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি:

চাবাহার বন্দর: ইরানের চাবাহার বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা পাকিস্তানকে বাইপাস করে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের বাণিজ্যিক সংযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ: ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি তালিবান সরকার সংবেদনশীলতা প্রকাশ করেছে এবং আফগানিস্তানের মাটি থেকে ভারতবিরোধী কার্যকলাপ না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মানবিক সহায়তা: ভারত আফগানিস্তানে ৫০,০০০ মেট্রিক টন গম, ৩০০ টন ওষুধ, ২৭ টন ভূমিকম্প ত্রাণ, ৪০,০০০ লিটার কীটনাশক, ১০০ মিলিয়ন পোলিও ডোজ, ১.৫ মিলিয়ন কোভিড টিকার ডোজ এবং ১.২ টন স্যানিটারি কিট সরবরাহ করেছে।

ক্রিকেট সহযোগিতা: দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া, বিশেষ করে ক্রিকেট ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখনও তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ভারতের সঙ্গে এই বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বৈঠক দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ভারত এবং আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যদিও ভারত সরকার এখনও তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সংলাপ ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

 

ট্রেন

ট্রেনের ধাক্কায় উদয়পুর রাজারবাগ এলাকার এক ব্যক্তির মৃত্যু

ট্রেন দুর্ঘটনা থামার নাম ই নিচ্ছে না। আজকাল ট্রেন দুর্ঘটনার সংখ্যা অত্যন্ত বেড়ে গেছে। বিভিন্ন কারণে এই দুর্ঘটনাগুলি ঘটছে, যেমন পুরনো ট্রেন ব্যবস্থা, ট্র্যাকের অবস্থা খারাপ হওয়া, কিংবা মানবসৃষ্ট ভুল। এসব দুর্ঘটনা অনেক পরিবারকে শোকসন্তপ্ত করছে। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে।

উদয়পুর মহকুমার রাজারবাগ এলাকার বাসিন্দা দীপল দেবনাথ শান্তির বাজার মহকুমার বীরচন্দ্রনগর এলাকার মহানন্দ বৈষ্ণব পাড়ায় উনায় মেয়ের বাড়ীতে বেরাতে আসেন।মহানন্দ বৈষ্ণব পাড়ার রেলব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় উনার মেয়ের বাড়ী। বুধবার সকালবেলা রেললাইনের পাশে আহত অবস্থায় উনাকে দেখাযায়। সকালবেলায় আগরতলা থেকে সাব্রুমগামী রেলের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। দীপল দেবনাথকে এইভাবে রেল লাইনের পাশে পরে থাকতে দেখে শান্তির বাজার দমকল বাহিনীর নিকট খবর দেওয়া হয়। ঘটনার খবরপেয়ে দ্রুততার সহিত ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয় শান্তির বাজার দমকলবাহিনীর কর্মীরা। দমকল বাহিনীর কর্মীরা দীপল দেবনাথকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। জেলা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপল দেবনাথকে দেখে মৃত বলে ঘোষনা করে। মৃতদেহ বর্তমান সময়ে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখাহয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে সকাল বেলায় প্রাতভ্রমনে বের হয়ে ঘন কুয়াশার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারন জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জন্মদিনে

জন্মদিনে লক্ষ্মী নারায়ণ বাড়ি ও মেলারমাঠ কালী মন্দিরে পূজা দিয়ে আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

জন্মদিনে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরন রিজেজু, উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এবং মহারাষ্ট্র সহ দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীগণ।

মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা, তার ৭৩ তম জন্মদিন আড়ম্বর করতে চাননি। তার জন্মদিনে কেক কাটা পছন্দ নয়৷ মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করুক দলীয় কর্মীরা৷ এটাই চান তিনি৷ তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে দলীয় কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিনে বিভিন্ন সামাজিক কাজ সংঘটিত করছেন। রক্তদান থেকে শুরু করে হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ফল মিষ্টি বিতরণ সহ নানা সামাজিক কর্মসূচি নেয় দল৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহার নম্র ও পরিশ্রমী প্রকৃতির জন্য ত্রিপুরার জনগণের কাছে নিজেকে প্রিয় করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন রাজ্যের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন, তাঁর মনোযোগের জন্য দারুণ ফল পেয়েছে। তিনি যেন দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনযাপন করেন তার কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহাকে তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।শুভেচ্ছা বার্তায় তারা বলেন, তাঁর নেতৃত্বে রাজ্যের সর্বাত্মক উন্নতি হচ্ছে। তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থ জীবন কামনা করেন তারা।

মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহার জন্মদিন উপলক্ষে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ৬ আগরতলা মন্ডলের উদ্যোগে জিবি হাসপাতাল ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। ৭০ জন রক্তদান করেন। রক্তদান উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সুশান্ত দেব, প্রদেশ বিজেপির সহ-সভাপতি পাপিয়া দত্ত সহ যুব মোর্চার কার্যকর্তারা। বিজেপির প্রতাপগড় কিষান মোর্চার উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে সেখানকার কালীমন্দিরে পুজো দেন কার্যকর্তারা। স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশ নেন তারা। উপস্থিত ছিলেন মন্ডল সভাপতি স্বপ্না দাস সহ অন্যান্যরা। এছাড়াও প্রতিটি মন্ডলে সামাজিক কর্মসূচি ও প্রার্থনা সহ নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

কুম্ভ

কুম্ভ মেলা ২০২৫ এর জন্য প্রস্তুত প্রয়াগরাজ

কুম্ভ মেলার উৎপত্তি হয়েছিল পৌরাণিক মুণি ভরদ্বাজের সময়ে । পুরাকালে প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে আসমুদ্র হিমাচল-এর মুণিঋষিরা সমবেত হতেন ভরদ্বাজের আশ্রমে। ত্রিবেনী-সংগম করে সম্পূর্ণ মাঘ মাসে কল্পবাস করতেন অত্যন্ত নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে। প্রতিদিন তাঁরা স্নান অক্ষয়বট দর্শন, পুজার্চনা, ধ্যান-এ নিমগ্ন থাকতেন। আবার কখনও সকলে জ্ঞানভক্তি বৈরাগ্য আর ঈশ্বরতত্ব নিয়ে আলোচনা করতেন ঋষির আশ্রমে। এইভাবে তাদের পরমানন্দে একমাস কেটে যেতো- ভগবত গুণকীর্তনে।

ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে কুম্ভ মেলার অপরিসীম তাৎপর্য রয়েছে । কুম্ভ হিন্দুদের জন্য চারটি পবিত্র স্থানে অনুষ্ঠিত হয় – প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, উজ্জাইন এবং নাসিক। কুম্ভ শুধুমাত্র ধর্মীয় ঘটনা নয়, জ্যোতির্বিদ্যার ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত বলেও বিশ্বাস করা হয়। ২০২৫ সালে, মহাকুম্ভ ১৩ জানুয়ারী শুরু হবে এবং ২৬ ফেব্রুয়ারী শেষ হবে।

কুম্ভমেলা চার প্রকার।কুম্ভ, অর্ধকুম্ভ, পূর্ণকুম্ভ এবং মহাকুম্ভ। সময়, ধর্মীয় তাৎপর্য এবং জ্যোতির্বিদ্যাগত কারণে এগুলি ভিন্ন। লোকেরা প্রায়শই এই পদগুলিকে বিভ্রান্তিকর বলে মনে করে। আসুন তাদের মধ্যে পার্থক্য এবং গ্রহের গতিবিধির সাথে তাদের সংযোগ বিস্তারিতভাবে অন্বেষণ করি।

প্রতি ১২বছর পরপর কুম্ভ মেলা হয় এবং চারটি পবিত্র স্থানে পর্যায়ক্রমে উদযাপিত হয়। এটি ঘটে যখন সূর্য, চাঁদ এবং বৃহস্পতি নির্দিষ্ট জ্যোতির্বিদ্যাগত অবস্থানে থাকে। এই সময়কালে গঙ্গা,যমুনা,গোদাবরী এবং সঙ্গমের জল বিশেষভাবে পবিত্র বলে মনে করা হয়। অর্ধকুম্ভ মেলা প্রতি ৬ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। এটি শুধুমাত্র ভারতের দুটি স্থানে সঞ্চালিত হয়- হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজ। “অর্ধ” শব্দের অর্থ অর্ধেক। অর্ধকুম্ভ দুটি কুম্ভ ইভেন্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তাই এটিকে কুম্ভ মেলা চক্রের মধ্যবর্তী পর্ব হিসাবে দেখা হয়।

পূর্ণকুম্ভ প্রতি ১২ বছরে একবার হয়। শুধুমাত্র প্রয়াগরাজেই অর্ধকুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। তবে পূর্ণকুম্ভকে মহাকুম্ভও বলা হয়। ২০২৫ সালে, ১২ বছর পর, প্রয়াগরাজে পূর্ণকুম্ভ অনুষ্ঠিত হবে। এটি ধর্মীয় উদযাপনের সর্বোচ্চ স্তর হিসাবে বিবেচিত হয়।

মহাকুম্ভ মেলা প্রতি ১৪৪ বছরে একবার হয়। এটি শুধুমাত্র প্রয়াগরাজে আয়োজন করা হয়। মহাকুম্ভকে একটি অত্যন্ত বিরল এবং তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসাবে বিবেচনা করা হয় যা ১২টি পূর্ণকুম্ভের পরে ঘটে। মহাকুম্ভকে লক্ষ লক্ষ ভক্তের একটি বিশাল সমাবেশ এবং একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় উদযাপন হিসাবে দেখা হয়।

মহাকুম্ভ মেলা কোথায় হবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গ্রহের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে, বিশেষ করে গুরু বৃহস্পতি এবং সূর্য। এখান কীভাবে অবস্থান নির্ধারণ করা হয় বলছি।

হরিদ্বার: যখন গুরু বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে থাকে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকে, তখন হরিদ্বারে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়।

উজ্জয়িনী: সূর্য যখন মেষ রাশিতে থাকে এবং বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে থাকে তখন উজ্জয়িনে কুম্ভ মেলা হয়।

নাসিক: যখন গুরু এবং সূর্য উভয়ই সিংহ রাশিতে অবস্থান করেন, তখন নাসিকে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রয়াগরাজ: বৃহস্পতি যখন বৃষ রাশিতে থাকে এবং গ্রহের রাজা শনি মকর রাশিতে থাকে তখন প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়।

মহাকুম্ভ বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় মেলা। টানা ৪৫ দিন ধরে চলে এই মেলা। এই মহাকুম্ভ হিন্দুদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লাখ লাখ পুণ্যার্থীরা অংশগ্রহন করবেন হিন্দুদের এই বিশেষ উৎসবে। এই সময়ে মোট ছয়টি রাজকীয় স্নান হবে। ইতিমধ্যে প্রয়াগরাজের এই মহা কুম্ভ মেলায় অংশগ্রহণ করতে সাধু সন্তরা, দেশ বিদেশের ভক্ত, মানুষ পৌঁছেছেন। মহাকুম্ভ মেলাকে কেন্দ্র করে প্রয়াগরাজে বিপূল ভক্ত সমাগম হতে চলেছে। প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ উপলক্ষে চালু করা হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি বলে খবর। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি পর্ব। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন খোদ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

BSF

BSF এবং বাংলাদেশী নাগরিকের মধ্যে সংঘর্ষ!

BSF এর হাতিয়ার ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টা প্রকাশ্য দিবালোকে। বি.এস.এফ এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে হাতাহাতি! এমনকি BSF এর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং BSF জওয়ানদের ধারালো দা দিয়ে কুপাতেও চেস্টা করে!!চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে কৈলাসহরের মাগুরুলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের ৪৭নং পিলারের কাছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, মাগুরুলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে মংগলবার দুপুরে বাংলাদেশের নাগরিক তথা বাংলাদেশের ব্ল্যাকাররা ভারতের সীমান্ত থেকে বিড়ি নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সেসময় টহলরত দুইজন BSF জওয়ান বিড়ি পাচারে বাঁধা দিলেও বাংলাদেশের ব্লেকাররা BSF এর আপত্তিকে পাত্তা না দিয়ে বিড়ি পাচার অব্যাহত রাখে। একটা সময় বাংলাদেশের ব্লেকাররা দুই বি.এস.এফ জওয়ানকে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বি.এস.এফকে চ্যালেঞ্জ করলে দুই বি.এস.এফ জওয়ান বাংলাদেশের ব্লেকাদের ধরার জন্য দৌড়াতে থাকে এবং কাঁটাতারের ভিতরে অর্থাৎ বাংলাদেশের ভিতরে ঢুকে ব্লেকারদের দৌড়াতে থাকে এবং বাংলাদেশের কয়েকটি বাড়িতে ঢুকে ব্লেকারদের খোঁজতে শুরু করে। পরবর্তী সময় দুই বি.এস.এফ জওয়ান ভারতের অংশে আসতে শুরু করলে ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় বাংলাদেশের বি.ডি.আর তথা সীমান্ত রক্ষীরা। বি.ডি.আর দুই বি.এস.এফ জওয়ানদের সাথে আলাপ আলোচনা করতে শুরু করে। সেসময় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট গ্রামের মানুষেরা উত্তেজিত হয়ে দুই বি.এস.এফ জওয়ানের উপর আক্রমণ করতে শুরু করে। এমনকি বি.এস.এফ জওয়ানের কাছ থেকে জোর করে বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ারও চেস্টা করে। যদিও বাংলাদেশের এক বি.ডি.আর জওয়ান দুই বি.এস.এফ জওয়ানকে বাঁচাতে চেস্টা করে। একটা সময় বাংলাদেশের নাগরিকরা বি.এস.এফ জওয়ানের উপর ধারালো দা দিয়ে কুপাতেও চেস্টা করে এবং দুই বি.এস.এফ জওয়ানদের বিশ্রী ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি বি.এস.এফ জওয়ানদের হিন্দু বলেও কটাক্ষ করতে শোনা যায়। তাছাড়া বাংলাদেশের নাগরিকরা বি.এস.এফের উপর মিথ্যা অভিযোগ করে যে, BSF জওয়ানরা বাংলাদেশে গুলি করেছে এবং বাংলাদেশের মহিলাদের সাথে খারাপ আচরণ করেছে বলেও মিথ্যা অভিযোগ তোলে বাংলাদেশের নাগরিকরা বি.এস.এফের উপর আক্রমনের চেস্টা করে। এই অবস্থা চলাকালীন ধীরে ধীরে বি.এস.এফ জওয়ানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বি.এস.এফ জওয়ানদের সংখ্যা বাড়তে দেখে বাংলাদেশের নাগরিকরা বাধ্য হয়ে পিছু হটতে শুরু করে। এই ঘটনায় মাগুরুলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

👉 Click for Video Footage

 

👇Incident Location👇

👇

Vill – Maguruli
Block – Gournagar
Sub division – Kailashahar
District – Unakoti
State – Tripura
Pin – 799281
India Bangladesh Border, Pillar Number – 47

রাবার

রাবার চাষে অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে!

রাবার এর সার্বিক প্রসারে ২০ শতাংশের উপরে বাজেট বৃদ্ধি করেছে রাবার বোর্ড । আজ প্রজ্ঞা ভবনে রাবার চাষীদের একদিনের সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন বোর্ডের কার্যনির্বাহী অধিকর্তা বশদা জেসন। তিনি বলেন ২০২৩ ২৪ অর্থবছরে বোর্ডের বাজেট ছিল ২৬৯ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬০ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন এ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রাবার উৎপাদন বাড়াতে বোর্ডের নতুন প্রকল্প সম্পর্কে চাষীদের অবগত করতে করা। এবং গত এক বছরে উৎপাদন করতে গিয়ে চাষীদের কি সমস্যা ও অগ্রগতি হয়েছে সে সম্পর্কেও জানা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরে সচিব কিরণ গিত্তে রাবারের উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।শ্রীগিত্য আরো বলেন এক্ষেত্রে গ্রুপ বা সংগঠন করা যেতে পারে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য সরকারের শিল্প বাণিজ্য দপ্তর, রাবার বোর্ড ও ব্যাংক সব রকমের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত। রাজ্যে সামাজিক ও আর্থিক অবস্থা উন্নয়নে ভালো দিক হচ্ছে রাবার। বর্তমানে রাজ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকার বাজার রয়েছে রাবারের ।। শ্রী গিত্তে আরো বলেন বোধজং নগর ছাড়াও শান্তির বাজারে দ্বিতীয় আরও একটি রাবার পার্ক করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গত তিন বছরে রাজ্যে তিনটি বড় কোম্পানি রাবার কাঠ নিয়ে কাজ করছে। আগামী দিনে আরও তিনটি বড় কোম্পানি রাবার নিয়ে কাজ করার জন্য রাজ্যে আসবে। তিনি বলেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গত কয়েক বছরে রাবারকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে উত্তর পূর্বাঞ্চলে আরো দুই লাখ হেক্টর জমিতে রাবার প্ল্যান তৈরি করা। কারণ দেশে এখন রাবারের বড় মার্কেট রয়েছে। রাবার উৎপাদনের দিক দিয়ে কেরলের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ত্রিপুরা। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী রাবার মিশন প্রকল্পে চালু হওয়ায় অনেকেই রাবার উৎপাদনে সফল্য লাভ করেছেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের রাবার বোর্ডের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর এম বসদা জেসন বলেন এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বেনি ফিসারিদের কাছে রাবারের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের নেওয়া বেশকিছু নতুন প্রকল্পের কথা জানানো। নতুন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রাবারের রেন গার্ডেনিং এডুকেশন এলাউন্স ইত্যাদি। তিনি বলেন সার্বিকভাবে দেশে রাবার চাষের উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে বোর্ড। তিনি আরো বলেন রাবার বোর্ড শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে। আগামী দিনের গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলে রাবার উৎপাদনে বাড়ানো লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে সরকার। অনুষ্ঠানে বক্তব্য পেশ করেন রাবার প্রোডাকশন কমিশনার, ,যুগ্ম কমিশনার কে শৈলজা ম্যানেজিং ডিরেক্টর A M Kanfade রাবার বোর্ডের ডেভেলপমেন্ট অফিসার অরুনাভ মজুমদার , বোর্ড মেম্বার প্রসেনজিৎ বিশ্বাস সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা একটি নতুন প্রজাতির রাবার চারা তুলে দেন বেনি ফিসারির হাতে। অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রাবার চাষীদের নিয়ে দেশ ও রাজ্যের রাবার বিশেষজ্ঞরা মত বিনিময় করেন।