শাসক

শাসক দলের সবকটি সংগঠনেই প্রবল গোষ্ঠী কোন্দল পরিলক্ষিত!

শাসক দলের সিদ্ধান্ত ছিল গত ১৫ জানুয়ারীর মধ্যেই ঘোষণা হবে বিজেপির ১০ টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতিদের নাম।কিন্তু দলের ভেতরে চরম গোষ্ঠী কোন্দলের ফলে ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে নতুন জেলা সভাপতিদের নামের তালিকা ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ২০ জানুয়ারী বিজেপির ১০ টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির নতুন সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হবে। তার জন্য দলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর দৌড় ঝাপ চলছে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে, নেতারা এখন হিল্লিদিল্লি শুরু করেছে। যতটুকু খবর, আজ শাসক দলের প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য ও মুখ্যমন্ত্রী ডা: মানিক সাহা কেন্দ্রীয় কমিটির ডাক পেয়ে দিল্লি গেছেন। আগামীকাল দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে।মন্ডল সভাপতি নির্বাচন করতে গিয়ে দল যেমন বিধায়কদের গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি জেলা সভাপতি নির্বাচন নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রদেশ সভাপতির মতামত কে গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু মন্ডল সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো রাজ্যের কম করেও ৩৫ টি মন্ডলে অসন্তোষ রয়েছে। কারন একটাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন্ডল সভাপতি পদে তাদেরকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে যারা গণ বর্জিত। সাংগঠনিক কোন ভিত্তি নেই। এসব মন্ডল সভাপতিদের মনোনয়ন নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সাংগঠনিক তদন্ত হলে বড় ধরনের কেলেংকারী প্রকাশ্যে আসবেই। আমবাসার এক নেতাতো নেশার ছলে বলেই ফেলছেন কি ভাবে প্রদেশের হেভিওয়েট নেতা কিভাবে কি করছেন। তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ্যে আসবেই। সংগত কারণেই মন্ডল সভাপতি নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষের মধ্যেই জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা নিয়ে বিজেপির ভেতরে টানাপোড়েন চলছে। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর হলো, জেলা সভাপতি মনোনয়নেও হয়েছে চরম গোষ্ঠী রাজনীতি।এক্ষেত্রেও দুর্নীতি গ্রস্তদেরই রমরমা বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে বিজেপির প্রবীন একাংশ নেতার অভিযোগ, এখন আর বিজেপিতে নিষ্ঠাবান নেতা কর্মীদের গুরুত্ব নেই। নব্য বিজেপি, মাফিয়া আর প্রাক্তন কংগ্রেসিদের এখন বিজেপিতে রমরমা। ফলে দলের একাংশ নেতা কর্মী এখন দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। আগামী দিনে যার খেসারত দিতে হবে বিজেপির নেতাদের।

রোহিঙ্গা

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে ত্রিপুরা রাজ্যেও!

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ উদ্বেগ জনক ভাবে বাড়ছে রাজ্যে। রাজ্যের সীমান্ত এলাকার ঢিলেঢালা নিরাপত্তা ব্যাবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন বাড়ছে অনুপ্রবেশ। বিএসএফের ভুমিকা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৈলাসহরের ইরানি থানার পুলিশ ফের একসাথে দশ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে। সীমান্ত অতিক্রম করার সময় তাদের আটক করা হয়। গোটা ঘটনা ঘিরে কৈলাসহর মহকুমায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। ইরানি থানার সেকেন্ড ওসি ইন্সপেক্টর তরুনী জমাতিয়া জানান, সফরিকান্দি এলাকার জনৈক এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশী করে দশ জন অপরিচিত মানুষকে আটক করা হয় । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ধৃত দশ জন মায়ানমারের বাসিন্দা। ধৃত দশ জনের মধ্যে ছয় জন প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলা। বাকি চার জনের মধ্যে রয়েছে পঞ্চাশ দিনের এক শিশু। ধৃতরা গত ১৩জানুয়ারি ট্রেনে করে হায়দ্রাবাদ রওনা দেয় এবং ১৬জানুয়ারি ধর্মনগর স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ১৬জানুয়ারি সন্ধ্যায় কৈলাসহরের সফরিকান্দি এলাকার এক দালাল তাদের ধর্মনগর স্টেশন থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় । ধৃতরা সীমান্তের সফরিকান্দি এলাকায় দুই দিন ধরে দালালের বাড়িতে অবস্থান করছিলো বলেও পুলিশ জানায়। পুলিশ অবশেষে দুপুরেই ধৃত দশ জনকে কৈলাসহর আদালতে প্রেরণ করেছে। তবে যে বাড়ি থেকে দশ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে সেই বাড়ির মালিক তথা দালালকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ত্রিপুরার

ত্রিপুরার উন্নয়নে একটি প্রধান ফলক M.B.B বিমানবন্দর!

ত্রিপুরার আগরতলাস্থিত M.B.B (মহারাজা বীর বিক্রম) বিমানবন্দরকে APD গ্রেড-III থেকে APD গ্রেড-II-তে উন্নীত  করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, এই উন্নয়নের লক্ষ্য একমাত্র যাত্রী পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং বিমানবন্দরগুলির সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI)-এর সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, দেশের ছয়টি বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি আপগ্রেড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে কর্পোরেট এইচআরএম সার্কুলার নং ৭(b)/২০২৪-এর অধীনে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত বিমানবন্দরগুলি APD গ্রেড-III থেকে APD গ্রেড-II-তে উন্নীত হয়েছে:

১. আগরতলা
২. ভোপাল
৩. মাদুরাই
৪. সুরাত
৫. উদয়পুর
৬. বিজয়ওয়াড়া

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা এই সাফল্যের জন্য তার ফেসবুক পোস্টে গর্ব প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ত্রিপুরার সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অবিরাম সহযোগিতা এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই সাফল্য ত্রিপুরার বিমান পরিষেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং রাজ্যের সংযোগ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করেন তিনি।

বৈরী

বৈরী সমস্যা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার!

বৈরী আতঙ্ক দেখা দিয়েছে কাঞ্চনপুর মহকুমা সহ উত্তর জেলার প্রত্যন্ত এলাকায়। মিজোরাম পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর যৌথ অভিযানে কিছু বেআইনি অস্ত্র সহ ছয়জন বৈরী গ্রেপ্তার করেছে ত্রিপুরা মিজোরাম বর্ডার থেকে। এই ঘটনায় কাঞ্চনপুর মহকুমা সহ গোটা উত্তর জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন করে বৈরী আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া বৈরীদের বাংলাদেশ থেকে মিজোরামে অস্ত্র সরবরাহের সময় আটক করা হয়।বুধবার সন্ধ্যায় মিজোরামের মামিথ জেলার সাইথাহ এলাকায়, ছয়টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০ হাজার একে-৪৭ এর গুলি এবং বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে কাঞ্চনপুর মহকুমায় স্বশস্ত্র বৈরীদের আনাগোনা এবং চাঁদা দাবির খবর প্রকাশ্যে আসলেও, এখনো রাজ্যের পুলিশ বৈরী বিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। জানা গেছে, বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চলের ভিকিনালা গ্রামে বৈরীদের একটি ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু উপজাতি যুবক অস্ত্র সহ রাজ্যে প্রবেশ করছে। এরই মধ্যে কাঞ্চনপুর মহকুমার ছয়ঘরপুর এবং বিজয়কুমার সীমান্ত এলাকায় তাদের আনাগোনার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈরী নেতা সিংহ মনি রিয়াং এবং লালথাঙ্গা বাংলাদেশের মদতে ঠিকাদারদের চাঁদা দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এমনকি, এই হুমকির ফলে কাঞ্চনপুরে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ ও বন্ধ রয়েছে।

জেলা পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী, বৈরী সমস্যার সমাধানে কাজ করছে বলে দাবি করলেও, এখনো বৈরী বিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য আসেনি এরাজ্যে। অপরদিকে, মিজোরামে অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈরীদের গ্রেপ্তারের খবর পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈরী সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

ক্রীড়া

ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায়ের সাংবাদিক সম্মেলন!

ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষনে টেলেন্টস সার্চ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। আজ আগরতলার রাজ্য সরকারী অতিথিশালা সোনারতরীতে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী টিংকু রায় এ কথা বলেন। তিনি জানান, ১০ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। ফুটবল, কবাডি, খো-খো এবং এথলেটিক্স এই চার বিভাগে হবে প্রতিযোগিতা। আগামী ১ লা ফেব্রুয়ারী থেকে ২৮ শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত রাজ্যের ৫৮ টি ব্লককে চারটি জোনে বিভক্ত করে প্রথমে মহকুমা স্তরে, পরে জেলা স্তর ও রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় বাছাইকরা ক্রীড়া প্রতিভাদের আরও ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, এই টেলেন্ট সার্চ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে আজ এখানে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ক্রীড়া মন্ত্রী ছাড়াও সব জেলার জেলা সভাধিপতি , আগরতলা পুর পরিষদের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, ক্রীড়া সচিব ডঃ প্রদীপ চক্রবর্তী জিমনাস্টিক কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, গত ২ বছরে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যপক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রচুর পদক লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় গেমসে অংশগ্রহনকারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মন্ত্রী টিংকু রায়।

নেজাতি

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের, নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন !

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতন পূর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে এই বছরও নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন করবে । আজ আগরতলায় বিদ্যালয় চত্বরে সাংবাদিক সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মজুমদার জানান, আগামী ২৩ শে জানুয়ারি সকাল ৮টায় বিদ্যানিকেতনের মাঠে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা জন্ম জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন৷ শ্রীমতি মজুমদার জানান, এবছর তৃতীয় শ্রেনী থেকে শুরু করো একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ২৬ টি থিম তৈরী করা হয়েছে। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণী ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষা আসন্ন থাকায় তারা কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না। দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা শঙ্খবাহিনীতে যোগ দেবেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জানান, ১৯৫০ সাল থেকে বিদ্যালয়ে প্রতিবছর নেতাজী জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে ৷ বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রী ছাড়া বিভিন্ন এনজিও, ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করে ৷ এবছর অনেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ৷ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষিকা মীনারানী কলই , শিক্ষক সুদীপ্ত শেখর মিশ্র সহ অন্যরা।

বিদ্যুৎ

বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ, পিএম সূর্য ঘর যোজনার নাম নথিভুক্ত করনের শিবিরের উদ্বোধন করেছেন

বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ আজ বড়দোয়ালি বিদ্যুৎ বিভাগে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনার নাম নথিভুক্ত করনের বিশেষ শিবিরের উদ্বোধন করেছেন । বিদ্যুৎ মন্ত্রী অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনা আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গঠনের লক্ষ্য পূরণের জন্য অন্যতম একটি প্রকল্প। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিজের বিদ্যুতের চাহিদা নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবে ভর্তুকি দিয়ে সোলার প্ল্যাট দেওয়া হচ্ছে। মোট ১৪ টি সংস্থা এগুলি লাগানোর কাজ করছে। মন্ত্রী জানান, একবার সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে বহুবছর এর থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। বাড়ির টিনের ছাউনি অথবা ছাদেও সোলার প্লেট বসানো যাবে। রাজ্যের ব্লক, পুর নিগমের ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় শিবির করে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এদিন বড়দোয়ালিতে বিশেষ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন, বিধায়িকা মিনা সরকার , বিদ্যুৎ সচিব অভিষেক সিং, ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ লিমিটেডের মাননীয় ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বসু সহ অন্যরা ।

আগরতলা

আগরতলা গভর্নমেন্ট ডেন্টাল কলেজকে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ বানানোর স্বপ্ন দেখছেন ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী!

আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অন্তর্গত ন্যাশনাল oral হেলথ প্রোগ্রাম ও ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় দন্ত চিকিৎসক দিবসের স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠান ও ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার ২৩তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

ঐ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা বলেছেন আগরতলা গভর্নমেন্ট ডেন্টাল কলেজকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন একজন চিকিৎসকের ভাবমূর্তি অন্যান্য মানুষদের ভালো কিছু করার লক্ষ্যে উৎসাহিত করবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্য সরকার ডেন্টাল শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যায় বিশ্বব্যাপী উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে, সকলের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন ত্রিপুরার জন্য এটা গর্বের ব্যাপার যে ত্রিপুরার ২৮শতাংশ দন্ত চিকিৎসকরা সরকারি পরিষেবায় যুক্ত আছে। অথচ জাতীয় স্তরে তা রয়েছে মাত্র ২শতাংশ। তিনি বলেন বর্তমান সরকার দন্ত চিকিৎসাকে প্রাধান্য দিয়ে আগরতলা সরকারি ডেন্টাল কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন দাঁতের ও মুখের রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংস্থার সাথে অ্যাসোসিয়েশনকেও গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে তিনি পরামর্শ প্রদান করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্যে যেভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে তাতে খুব শীঘ্রই এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে বলেন দন্ত চিকিৎসা মানুষের কাছে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ই করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ সঞ্জীব দেব্বর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা ডাঃ শমিত রায় চৌধুরী, পরিবার কল্যাণ ও প্রিভিন্টিভ মেডিসিনের অধিকর্তা অঞ্জন দাস, আগরতলা সরকারি ডেন্টাল কলেজের অধক্ষা ডাঃ শালু রাই সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা। স্বাগত ভাষণ রাখেন ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার সভাপতি ডাঃ এস এম আলী। অনুষ্ঠানে দন্ত চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজের বিশেষ অবদানের জন্য ডাঃ উৎপল চন্দকে সন্মাননা প্রদান করা হয়। তাছাড়া অনুষ্ঠানে স্মরণিকা ও প্রকাশ করা হয়।

NIT

NIT আগরতলার ১৭ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান, আগামী ১৮ ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

NIT আগরতলার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করেন NIT আগরতলার ডিরেক্টর প্রফেসর ডক্টর এস কে পাত্রা। তিনি জানান আগামী ১৮ ই জানুয়ারি, এন আই টি আগরতলার ১৭ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আই আই ই এস টি শিবপুর এর প্রাক্তন অধি কর্তা পদ্মশ্রী প্রফেসর অজয় কুমার রয়। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন এন আই টি আগরতলার চেয়ারম্যান শ্রী বিনোদ বাউরী। এছাড়াও অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ডিরেক্টর ডক্টর এসকে পাত্রা এন আই টি আগরতলার বিস্তারিত শিক্ষা সম্বন্ধীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কোন কোন বিভাগে কে কে পুরস্কৃত হবেন এবং সম্মাননা জানানো হবে তাদের সম্বন্ধেও বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

কেন্দ্রীয়

কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা দিতে পারে।

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য সারা দেশে চালু হচ্ছে অষ্টম বেতন কমিশন। যদিও অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে সরকার এখনো কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে নি। তবে অষ্টম বেতন কমিশন চালু হলে ৬৮ লক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং ৪২ লক্ষ পেনশনধারীর মাস মায়না দ্বিগুণ বাড়বে এবং বেতন বাড়বে ৩ গুণ। তবে এতে বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা কোন উপকৃত হবেন কিনা তা নির্ভর করে বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলির উপর।

যদি কেন্দ্রীয় সরকার কর্মচারীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৮৬ করে দেয়, তবে কর্মচারীদের সর্বনিম্ন পেনশন ৯০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকার বেশি হতে পারে। আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারী অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করবেন।

সরকার ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা দিতে পারে। এই কারণেই কর্মচারী ইউনিয়ন, কেবিনেট সচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি ১০ বছরে একটি নতুন বেতন কমিশন গঠন করে। তবে আইনগতভাবে এরজন্য কোনও নির্দিষ্ট বিধান নেই। ৭ম বেতন কমিশনের গঠন করা হয়েছিল ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এরপর ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর করা হয়েছিল। এর অধীনে সর্বনিম্ন বেতন ৭০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করা হয়েছিল। এবার অষ্টম বেতন কমিশন চালু হলে বেতন ও পেনশন দ্বিগুণ হবে। আশায় আছেন কর্মচারী কুল! সরকারের এই পদক্ষেপকে কর্মচারীদের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।