বিধানসভা

বিধানসভায় সহকারী অধ্যাপক সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের ঘোষণা

বিধানসভার অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান; বিভিন্ন কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। এজন্য রাজ্যের কালেজগুলিতে অধ্যাপকের স্বল্পতা নিরসনের জন্য রাজ্য সরকার ২০০ জন সহকারী অধ্যাপক, ১২ জন পার্টটাইম শিক্ষক নিয়োগ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এছাড়া আরও ২০১ জন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের জন্য ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (TPSC) প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে অবহিত করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীও প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে ৩১টি সাধারণ ডিগ্রি কলেজ রয়েছে। তিনি জানান, এই সময়ে আমাদের ৩১টি সাধারণ ডিগ্রি কলেজে মোট ৭২,০০৯ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। আমাদের কাছে ৭৮৭ জন পিজিটি, এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, এসোসিয়েট প্রফেসর ও প্রফেসর রয়েছেন। সাধারণ ডিগ্রি কলেজগুলিতে ঘাটতি মেটাতে আমরা ২০১ জন এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিয়োগের জন্য টিপিএসসি (ত্রিপুরা পাবলিক সার্ভিস কমিশন) -এর কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এছাড়াও রাজ্য সরকার সাধারণ ডিগ্রি কলেজগুলির জন্য আরও ২০০ জন সহকারী অধ্যাপক (এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর) নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য অর্থ দপ্তর ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে। এই সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া মন্ত্রিসভার যাবতীয় নিয়ম অনুসরণ করে করা হবে এবং খুব শীঘ্রই প্রক্রিয়া শুরু হবে। ক্লাশ ব্যাহত না করে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা সুনিশ্চিত করার জন্য আমরা ৭১০ জন গেস্ট টিচার নিয়োগ করেছি। মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, ইউজিসি ২০২৩ নির্দেশিকা অনুসারে বর্তমানে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকগণ তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজ্যের ৬টি সাধারণ ডিগ্রি কলেজে মাস্টার্স ডিগ্রি কোর্স শুরু হয়েছে। এজন্য ১২ জন পার্টটাইম শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

রাজ্যপাল

রাজ্যপাল তাঁর ভাষণের মধ্য দিয়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন!

রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লুর ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিনের কর্মসূচি গুলি হলো প্রশ্নত্তোর পর্ব, রাজ্যপালের ভাষণের উপর ধন্যবাদ সূচক প্রস্তাব, অধক্ষ্য ,উপাধক্ষ, মুখ্যসচেতক সহ মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন ও পেনশন সংক্রান্ত বিল পেশ প্রমুখ পেশ। তাছাড়া প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করা হয়।উল্লেখ্য এই প্রথম প্রশ্নত্তোর পর্ব ডিজিটাল মাধ্যমে করা হয়।অধিবেশন চলবে ১৫জানুয়ারী পর্যন্ত। রাজ্যপাল তার ভাষনে বলেন,রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

রাজ্যপাল বলেছেন, সাবকা সাবকা বিকাশ নীতি অনুসরণ করে রাজ্য সরকার নাগরিকদের নির্বিশেষে সকলের জন্য শিক্ষার স্বাস্থ্য ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধার মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য অবিরাম কাজ করে চলেছে। ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে তিনি বলেন সমাজের অন্তিম ব্যক্তির উন্নয়ন সাধন হচ্ছে ত্রিপুরার উন্নয়নের রুপরেখার মূল মন্ত্র। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গুলো সম্পর্কে তে গিয়ে তিনি জানান সম্প্রতি ত্রিপুরা সরকার ও ভারত সরকার ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা এবং অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স এর সাথে যে সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর করেছে তাতে রাজ্য এখন শান্তিপূর্ণ রয়েছে। পিসি সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন ধানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ২০২৪ সালে ৯২হাজার ৫৮৮ হেক্টর জমিকে মুখ্যমন্ত্রী ইন্টিগ্রেটেড ক্রপ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় নিয়ে আসা হয়। ছাড়া ২০২৪ -২৫ অর্থবছরে অতিরিক্ত ৬হাজার ৫০০ হেক্টর জমিকে জৈব চাষের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। অন্যদিকে আগস্ট মাসের বন্যায় গ্রস্ত ১লক্ষ ৪৮হাজার ৩৭৯ কৃষককে ১০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মহিলাদের সাক্ষরতা এবং মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে মুখ্যমন্ত্রী কন্যা আত্মনির্ভর যোজনা নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে লেম্বু ছড়ায় কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের জন্য ১০০ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। রাজ্যের যুবাদের কর্মসংস্থানের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য ভালো কোম্পানিগুলিতে ইন্টার্নশীপের গুজব করে দেওয়ার জন্য ২০২৪ সালে চালু করা হয় প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ প্রকল্প। রাজ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়নে ২০২৪-২৫ স্ত্রীরোগ বিভাগে তিনটি পিজি আসন সৃষ্টি করা হয়েছে আরো তিনটি বিভাগের পিজি আসন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ এবং ডক্টর বি আর আম্বেদকর টিচিং হাসপাতালে ২৩টি কেবিন, ২০টি আইসিইউ বেড, এবং ৩০ সজ্জা বিশিষ্ট ডায়ালিসিস চালু করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ্য শৈশব সুস্থ কৈশোর অভিযানের আওতায় ১১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৩ জন শিশু ও বয়সন্ধিকালীন কিশোর ও কিশোর কিশোরীরা উপকৃত হয়েছে। তাছাড়া সড়ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলির জন্য সরকার ২হাজার ৮০০কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। প্রধানমন্ত্রী জল জীবন মিশনের অধীনে হর ঘর নল সে জল প্রকল্প চালু করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তাছাড়া ত্রিপুরাকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা রাজ্যের সাত জায়গায় আচমকা হানা দিলো E.D

ত্রিপুরা রাজ্যের নেশা কারবারিদের সাথে সখ্যতা, মানব পাচারকারী এবং আয়ের সাথে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগে আগরতলা, উদয়পুর সহ  সাত জায়গায় E.D ছাপা মেরেছে। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মী অমল বৈদ্যের উদয়পুর পুলিশ লাইনস্থিত বাড়িতেও ইডি’র আধিকারিকরা হানা দেয়।

শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে অভিযান শুরু হয়। কলমচৌড়া থানার এক নেশা কারবারির বাড়িতে হানা দেয় ইডি। আগরতলার পাঁচটি জায়গায় এক যোগে অভিযান চালায় ইডির আধিকারিকরা৷ জানা গেছে; অপু রঞ্জন দাস, দেবব্রত দে, বিশু ত্রিপুরা, কামিনী দেববর্মা, তাপস দেবনাথ, এবং লিটন সাহার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। আড়াইশো সিআরপিএফ জওয়ানদের নিয়ে অভিযান চালায় ইডি। মাদক পাচারে জড়িত থাকার সন্দেহে এই অভিযান করে ইডি। সূত্রের খবর, তল্লাশির সময় ইডি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে। এটি অনুমান করা হচ্ছে যে রাজ্য জুড়ে অন্যান্য ব্যক্তি এবং অবস্থানগুলিতে অভিযান করবে ইডির আধিকারিকরা। যদিও এখনও কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি, সন্দেহের মধ্যে বিশিষ্ট এক রাজনৈতিক নেতাও জড়িত থাকার কথা জানা গেছে। গত রাতে, ইডি গ্রামীণ ব্যাঙ্কের একটি শাখা থেকে আধিকারিকদের তলব করে, আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গভীর রাতে শাখা খুলতে বাধ্য করে। ইডি প্রধানের নেতৃত্বে গোটা অভিযান চলে আগরতলার এমবিবি ক্লাব এলাকা, নন্দননগর, নতুননগর, বক্সনগর সহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান হয়। প্রায় ২৫০ জন সি.আর.পি.এফ জওয়ানকে নিয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

সীমান্ত

সীমান্ত নিরাপত্তায় পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক!

সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক অমিতাভ রঞ্জনের পৌরোহিত্যে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদরদপ্তরে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মহানির্দেশক ক্রাইম অনুরাগ রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ এবং পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে রাজ্যের আট জেলার পুলিশ সুপারগন নিজ নিজ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। বৈঠকে ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের উপর বিশেষ নজরদারি করার জন্য গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বেআইনি অনুপ্রবেশ এবং ক্রস বর্ডার ক্রাইম প্রতিরোধে পুলিশ কে সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হয়।

দুটি দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় আট জেলার পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠক করেন পুলিশের মহানির্দেশক। দ্বিতীয় দফায় টিএসআর এর কমান্ডেন্ট এবং ডেপুটি কমান্ডেন্টদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। আট জেলার পুলিশ সুপার দের কাছ থেকে জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে খোঁজখবর করেন পুলিশের মহানির্দেশক। কোথায় দুর্বলতা রয়েছে তা খতিয়ে দেখে ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার নির্দেশেই আট জেলার পুলিশ সুপার এবং টিএসআর এর কমান্ডেন্টদের নিয়ে বৈঠকে বসেন পুলিশের মহানির্দেশক। রাজ্যের সীমান্ত এলাকাগুলোর নিরাপত্তা এবং নজরদারি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তার কারণ হলো সীমান্ত এলাকাগুলো অতি স্পর্শকাতর জোন হিসেবে পরিচিত।রাজ্যে বৈরীরা মাথাচাড়া দিচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। পাশাপাশি পাকিস্তানের আইএসআই বাহিনী এবং বাংলাদেশের মদত রয়েছে। এই অবস্থায় সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিএসএফের নজরদারির পাশাপাশি পুলিশ ও টিএসআর বাহিনীকে সক্রিয় করতে চাইছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর নড়েচড়ে বসেছে। হাসিনার বিদায়ের পর সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশজুড়ে মৌলবাদের দাপট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। আইএসআই-এর মদতে সেখানে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বহু জঙ্গি সংগঠন। তারই অন্যতম আনসারুল্লা বাংলা টিম। এই টিমের জঙ্গিরা রাজ্যকে করিডোর করে দেশের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে স্বরাষ্ট্র দপ্তর। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মাটিতে জেহাদের বিষ ছড়াতে উঠেপড়ে লেগেছে আল কায়দার ছায়া সংগঠন। যদিও তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই জেহাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে ‘অপারেশন প্রঘাত’ শুরু করেছে পুলিশ। এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত আসামে ১১ জন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে আগে থেকেই সতর্ক রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায়, গত মাসে বাংলা, কেরল ও অসমে অভিযান চালিয়ে আনসারুল্লা বাংলা টিমের ৮ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশের এসটিএফ। বড়দিনের আগে পাকড়াও করা হয় এই জঙ্গি সংগঠনের ২ সদস্যকে, যাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক ও বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী। অসমের ধুবড়ির বান্ধবপাড়া থেকে শাহিনুর ইসলাম নামে আরও এক জঙ্গি।প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মুম্বই হামলার ধাঁচে দেশের নানা প্রান্তে নাশকতার ছক ছিল এই জঙ্গিদের। এমনকী বাংলায় গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করেছিল আনসারুল্লা বাংলা টিম। চলছিল তার প্রশিক্ষণ। যদিও ভয়াবহ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই আনসারুল্লা শিকড় উপড়ে ফেলতে কোমর বেঁধে নামলেন তদন্তকারীরা।

বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেট এখন উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো! একাধিক জায়গায় সক্রিয় হয়েছে ৪০টিরও বেশি স্লিপার সেল। পুরোদমে কাজ করছে তাদের নেটওয়ার্ক। আসরে ধুলিয়ান ও জলঙ্গী মডিউলও। সীমান্ত পেরিয়ে নাশকতার বিজ বপন করছে বাংলাদেশের জঙ্গিনেতারা। ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরির কাজ চলছে এই সমস্ত স্লিপার সেলে। কাঁচামাল আসছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। এমনকী নিত্য নতুন বিস্ফোরক তৈরির জন্য রীতিমতো গবেষণাও চলছে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সব রাজ্যগুলোকে সতর্ক করেছে৷ এ অবস্থায় রাজ্য কতটা প্রস্তুত, জেলাগুলোর নিরাপত্তা কতটা আটেসাটো তা নিয়ে মুলত বৈঠক। রুটিন বৈঠক হলেও পুলিশের সাফল্য নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর। আগামী দিনের পরিকল্পনা স্থির করা হয়েছে।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হবে

ত্রিপুরা বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার থেকে। এবারের অধিবেশনে বিভিন্ন ইস্যুতে শাসক শিবিরকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল সিপিএম ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মাঠে নেমেছে। সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মিছিল ও সভা করে শাসকদলের বিরুদ্ধে কামান দাগছে৷ তীব্র বেকার সমস্যা, চাকুরী সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছে। সবটাই হচ্ছে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে টার্গেটে রেখে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য।

এটাও ঠিক বাম যুব সংগঠনের মিছিল গুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় যুবারা ভীড়তে শুরু করেছেন। ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে যুবরা। এটাই বিরোধী দল সিপিএমের কাছে ইতিবাচক দিক। পাশাপাশি আইনের শাসন নিয়ে এবার বিধানসভায় বিরোধী দল সরব হবে বলে খবর। গত সেপ্টেম্বর মাসে শরৎকালীন অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী বিধানসভার অধিবেশনের মেয়াদ দিন দিন কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। রাজ্যের মানুষের জন্য বিধানসভায় কথা বলার সুযোগ কমে যাচ্ছে। এবারও বিধানসভার অধিবেশন বসছে তিন দিন। অসুস্থতার কারণে বিএসি মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। ছিলেন উপনেতা শ্যামল চক্রবর্তী। ফলে অধিবেশনে কথা বলার সময় বাড়ানোর দাবিও হতে পারে। উল্লেখ করা যেতে পারে সেপ্টেম্বর মাসের শরৎকালীন অধিবেশনে কংগ্রেসের বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনও একই সুরে অধিবেশনের সময়কাল বাড়ানোর দাবি করেছিলেন। যদিও বিএসসি মিটিং শেষে পরিষদীয় মন্ত্রী রতন লাল নাথ তো জানিয়েছিলেন সর্বসম্মতিক্রমেই বিধানসভার অধিবেশন তিনদিন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে । বছরের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় প্রথা অনুসারে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লুর ভাষণের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর রাজ্যপালের ভাষণের উপর আলোচনা করবেন ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্যরা। রাজ্যপাল তার ভাষণে তার সরকারের সফল্যগুলো তুলে ধরবেন। আগামী মার্চ মাসেই আবার বাজেট অধিবেশন। তবে এবারের অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতনভাতা সংক্রান্ত বিল আসতে পারে।

এবারের ত্রিপুরা বিধানসভার অধিবেশনে বিধায়কদের পেনশন নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এমনিতেই এখন ত্রিপুরা বিধানসভার আইন অনুসারে সাড়ে চার বছর বিধানসভার সদস্য না থাকলে পেনশন পাওয়া যায় না। এই আইনের সংশোধন করা হতে পারে বলে খবর। পাশাপাশি বিধায়কদের বেতন ভাতা ও সম্মানিক বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ২০১৯ সালের আগষ্ট মাসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ উপ-মুখ্যমন্ত্রী, অন্য মন্ত্রী, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, বিরোধী দলনেতা, মুখ্যসচেতক এবং বিধায়কদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণভাবে বাড়ানো হয়েছিল। পাশাপাশি প্রাক্তন বিধায়কদের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিল আসছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি জানান দুটি বিল পেশ করার কথা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরো একটি বিল আসতে পারে। ১০ জানুয়ারি থেকে অধিবেশন শুরু হবে চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১১ এবং ১২ই জানুয়ারি বন্ধ। ১৩ জানুয়ারি আবার অধিবেশন শুরু হবে। ১৪ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে অধিবেশন। আবার অধিবেশন বসবে ১৫ জানুয়ারি। সেদিনই অধিবেশন শেষ হবে।

পুর

পুর নিগমের শারদ সম্মাননায় ৫টি ক্লাবকে পুরস্কৃত করা হবে

পুর নিগম শারদ সম্মাননা ২০২৪ এর পুরস্কার প্রদান করবে আগামী ১৬ই জানুয়ারী। সন্ধ্যা ৬ টায় আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের ১নং হলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ খবর জানার মেয়র দীপক মজুমদার,মেয়র ছাড়াও আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি মনিকা দাস দত্ত, এমআইসি মেম্বার রত্না দত্ত, এমআইসি নাম্বার বাপি দাস, এমআইসি মেম্বার প্রদীপ চন্দ্র সহ অন্যান্যরা। প্রসঙ্গত ৩০ সে ডিসেম্বর এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল কিন্তু ভারতবর্ষের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রয়াত হওয়ায় এই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। ৫টি ক্লাবকে সেরার সেরা পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরি গুলি হল; সেরা প্রতিমা, সেরা মন্ডপ ,সেরা আলোকসজ্জা, সেরা থিম, মহিলাদের দ্বারা আয়োজিত সেরা দুর্গাপুজা। সেরা প্রতিমা হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছে ফ্লাওয়ার্স ক্লাব, সেরা মন্ডপ নেতাজি প্লে সেন্টার, সেরা আলোকসজ্জা এগিয়ে চলো সংঘ, সেরা থিম যুবসমাজ এবং মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত পূজা হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছেন রামনগরের মুক্তি সংঘ ক্লাব। এছাড়াও অন্যান্য ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ২১ টি ক্লাবকে এদিন পুরস্কৃত করা হবে। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা, পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। প্রসঙ্গত সেরা সেরা প্লাস্টিক ক্লাবকে ৫০ হাজার টাকা এবং সুদৃশ্য ট্রফি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি অন্যান্য জোনালের বিজয়ী ক্লাব গুলিকে ২৫ হাজার টাকা এবং সুদৃশ্য ট্রফি প্রদান করা হবে।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে গ্রন্থাগার নিয়ে পুনরায় ভাবনা

ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে শিক্ষা ক্ষেত্রে গ্রন্থাগার নিয়ে পুনরায় ভাবনা শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনের ভুমিকা শীর্ষক এক আলোচনাচক্রে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগন অংশ নেন। আলোচনার সুত্রপাত করে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গঙ্গাপ্রসাদ প্রসেইন বলেন, প্রাচীন ভারতে নালন্দা, তক্ষশিলা, বিক্রমশিলার মতো বিশ্ববিদ্যালয় গুরুকূল শিক্ষার মাধ্যমে গোটা বিশ্বে শিক্ষা সম্প্রসারনে ভারতকে এক বিশ্বগুরুর মর্যাদায়,নিয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে মুসলিম শাসন, ইংরেজ শাসনে এই ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়।ভারতকে পুনরায় বিশ্বগুরুর মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে, শিক্ষা অন্যতম প্রধান উপায়। নয়া শিক্ষা নীতি ২০২০ বিকশিত ভারত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আলোচনাচক্রে দক্ষিন বিহারের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামেশ্বর নাথ সিং বলেন, বিকশিত ভারত গঠনে শিক্ষা ও দক্ষতা বিকাশের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিকশিত ভারত গঠনে চার ক্ষেত্র যুব সম্প্রদায়, মহিলা, কৃষক ও গরীব অংশের জনগনের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।সম্পদ ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, দেশের মজবুত গনতন্ত্র ও বিরাট সংখ্যক যুবসম্প্রদায় ভারতের মুল চালিকা শক্তি হিসাবে উল্লেখ করেন তিনি। সিকিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জ্যোতি প্রকাশ তামাং বলেন, ২৯৪৭ সালের মধ্যে দেশকে বিকশিত করতে শুধু সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিটি দেশবাসীর সুস্থ দেহ ও সুস্থ মানসিকতা অর্জন করতে হবে। আলোচনায় টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রতন কুমার সাহা উন্নত টেকনলজির উপর গুরুত্ব দেন।

রাজ্যপাল

রাজ্যপাল দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম ঘুরে দেখেন,ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু বৃহস্পতিবার বাধারঘাট মাতৃপল্লী স্থিত রিগ ডিভিশন এবং পানীয় জল ও স্বাস্থ্যবিধান বিভাগের সহকারী বাস্তুুকার কার্যালয়ের অফিসটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে রাজ্যপালের সঙ্গে ছিলেন পূর্ত দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং। পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডক্টর বিশাল কুমার রাজ্যপালের যুগ্ম সচিব রতন ভৌমিক দপ্তর এর মুখ্য বাস্তুকার রাজিব মজুমদার সহ আরো অনেকে। রাজ্যপাল দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম ঘুরে দেখেন,ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার হর ঘর জল প্রকল্প। রাজ্যও এই প্রকল্পে সুবিধা পাচ্ছেন মানুষ। রাজ্যে স্থায়ী ওয়াটার সাপ্লাই সিস্টেম কিভাবে চলছে তা দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা জানতে পেরেছি। ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য দপ্তরের আধিকারিকরা সার্বিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা আগামী দিনে সমস্ত রাজ্যে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের কর্ম দক্ষতাকে আরো বেশি করে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

ভারত

ভারত এর বিদেশ নীতি আরও একধাপ এগিয়ে গেল!

ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি এবং আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের কার্যনির্বাহী বিদেশমন্ত্রী মাওলাভি আমির খান মুত্তাকির মধ্যে সম্প্রতি দুবাইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকটি তালিবান সরকারের সঙ্গে ভারতের প্রথম উচ্চপর্যায়ের সরাসরি সংযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বৈঠকের প্রেক্ষাপট:

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ভারত সরকার তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে নয়াদিল্লি কাবুলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে। সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে তালিবান সরকারের সীমান্ত সংঘাত এবং আফগানিস্তানে পাকিস্তানি বায়ুসেনার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি:

চাবাহার বন্দর: ইরানের চাবাহার বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যা পাকিস্তানকে বাইপাস করে ভারতের সঙ্গে আফগানিস্তানের বাণিজ্যিক সংযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ: ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি তালিবান সরকার সংবেদনশীলতা প্রকাশ করেছে এবং আফগানিস্তানের মাটি থেকে ভারতবিরোধী কার্যকলাপ না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মানবিক সহায়তা: ভারত আফগানিস্তানে ৫০,০০০ মেট্রিক টন গম, ৩০০ টন ওষুধ, ২৭ টন ভূমিকম্প ত্রাণ, ৪০,০০০ লিটার কীটনাশক, ১০০ মিলিয়ন পোলিও ডোজ, ১.৫ মিলিয়ন কোভিড টিকার ডোজ এবং ১.২ টন স্যানিটারি কিট সরবরাহ করেছে।

ক্রিকেট সহযোগিতা: দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া, বিশেষ করে ক্রিকেট ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখনও তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ভারতের সঙ্গে এই বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বৈঠক দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ভারত এবং আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যদিও ভারত সরকার এখনও তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সংলাপ ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

 

ট্রেন

ট্রেনের ধাক্কায় উদয়পুর রাজারবাগ এলাকার এক ব্যক্তির মৃত্যু

ট্রেন দুর্ঘটনা থামার নাম ই নিচ্ছে না। আজকাল ট্রেন দুর্ঘটনার সংখ্যা অত্যন্ত বেড়ে গেছে। বিভিন্ন কারণে এই দুর্ঘটনাগুলি ঘটছে, যেমন পুরনো ট্রেন ব্যবস্থা, ট্র্যাকের অবস্থা খারাপ হওয়া, কিংবা মানবসৃষ্ট ভুল। এসব দুর্ঘটনা অনেক পরিবারকে শোকসন্তপ্ত করছে। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে।

উদয়পুর মহকুমার রাজারবাগ এলাকার বাসিন্দা দীপল দেবনাথ শান্তির বাজার মহকুমার বীরচন্দ্রনগর এলাকার মহানন্দ বৈষ্ণব পাড়ায় উনায় মেয়ের বাড়ীতে বেরাতে আসেন।মহানন্দ বৈষ্ণব পাড়ার রেলব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় উনার মেয়ের বাড়ী। বুধবার সকালবেলা রেললাইনের পাশে আহত অবস্থায় উনাকে দেখাযায়। সকালবেলায় আগরতলা থেকে সাব্রুমগামী রেলের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। দীপল দেবনাথকে এইভাবে রেল লাইনের পাশে পরে থাকতে দেখে শান্তির বাজার দমকল বাহিনীর নিকট খবর দেওয়া হয়। ঘটনার খবরপেয়ে দ্রুততার সহিত ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয় শান্তির বাজার দমকলবাহিনীর কর্মীরা। দমকল বাহিনীর কর্মীরা দীপল দেবনাথকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। জেলা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক দীপল দেবনাথকে দেখে মৃত বলে ঘোষনা করে। মৃতদেহ বর্তমান সময়ে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখাহয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের লোকজনদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে সকাল বেলায় প্রাতভ্রমনে বের হয়ে ঘন কুয়াশার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারন জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।