বিজেপি

বিজেপি ত্রিপুরা জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা!

বিজেপি জেলা নেতৃত্বে নতুনের আধিক্য ত্রিপুরা রাজ্যে। রয়েছে মহিলা ও জনজাতি অংশের প্রতিনিধিত্ব। ঘোষণা হল রাজ্য বিজেপির জেলা সভাপতিদের নাম

সদর গ্রামীণ জেলা সভাপতি হয়েছেন – গৌরাঙ্গ ভৌমিক। মজলিশপুরের প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক। সোমবার খয়েরপুর সদর গ্রামীণ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নাম ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: মানিক সাহা। তিনি বলেন শ্রী ভৌমিকের সুদক্ষ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় দলীয় সংগঠন আরোও বেশি শক্তিশালী হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, প্রাক্তন সভাপতি অসিত রায়, প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণধন দাস প্রমুখ। ভারতীয় জনতা পার্টির সদর গ্রামীণ জেলার সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। সদর (শহর) জেলার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অসীম ভট্টাচার্য। সদর কার্যালয়ে তার নাম ঘোষনা করেন প্রদেশ বিজেপির রিটার্নিং অফিসার সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব। গোমতী জেলার সভাপতি হয়েছেন সবিতা নাথ; খোয়াই জেলা সভাপতি বিনয় দেববর্মা; সিপাহীজলা জেলা উত্তরের সভাপতি – বিপ্লব চক্রবর্তী; সিপাহীজলার দক্ষিণ জেলা সভাপতি – উত্তম দাস; ঊনকোটি জেলা সভাপতি – বিমল কর; উত্তর ত্রিপুরা জেলা সভাপতি – কাজল কুমার দাস; দক্ষিণ ত্রিপুরা (পিলাক) জেলা সভাপতি – দীপায়ন চৌধুরী; ধলাই জেলা সভাপতি- পতিরাম ত্রিপুরাকে ফের নির্বাচিত করা হয়েছে।

৮ম

৮ম বেতন কমিশন গঠনের সুখবর ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

৮ম এর আশায় বুক বাঁধছেন ত্রিপুরার কর্মচারী মহল, ৭ম এখন ইতিহাস! ত্রিপুরার কর্মচারী বঞ্চনার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় একমাত্র সুধীর রঞ্জন মজুমদারের সরকারই‌‌ ত্রিপুরায় বেতন কমিশন গঠন করেছিল। “ত্রিপুরার দীর্ঘ বাম শাসন” বেতন কমিশন বলেও যে কোন জিনিস ভারতবর্ষে আছে তা কর্মচারী মহলের মন থেকে ভুলিয়ে দিয়েছে। ২০১৮ সালে এই সুযোগ নিয়ে, খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে, সরকারি কর্মচারীদের দিয়ে মিছিলের লাইন লম্বা করে; ভোট ভিক্ষা করেছিল ক্ষমতাসীন বিজেপি দল। স্বপ্ন দেখিয়েছিল ওরা ক্ষমতায় এলে প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে। উল্লেখ্য ত্রিপুরা রাজ্যের কর্মচারীরা ভারতবর্ষের সবকটি রাজ্য থেকে সবচেয়ে কম বেতনে কাজ করছে। কর্মচারী মহলের বেতন কাঠামোর দিকে তাকালে বুঝাই যায় না ত্রিপুরা রাজ্য ভারতবর্ষেরই একটি রাজ্য।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য আবার সুখবর। কেন্দ্রীয় সরকার, কর্মীদের জন্য নতুন পে কমিশন গঠনের ঘোষণা করেছে। ২০২৫ সালের মধ্যেই এই কমিশন তাদের রিপোর্ট এবং সুপারিশ জমা দেবে। সরকারের সূত্র অনুযায়ী, ৮ম বেতন কমিশন শীঘ্রই কাজ শুরু করবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা ইতোমধ্যেই এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে ঠিক হয়েছে যে, কর্মচারীদের বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করে নতুন সুপারিশ চালু করা হবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিশনের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের কাজ হবে বর্ধিত বেতন কাঠামো তৈরি করা এবং কর্মীদের জন্য সুবিধাবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান ৭ম পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেতন কাঠামো চালু হয়েছে ২০১৬ সালে। এবার ৮ম পে কমিশন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো চালু হলে প্রায় ৫০ লক্ষ কর্মী এবং পেনশনভোগীরা সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে, নতুন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে সরকারের বড় অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে হবে। সরকার আশা করছে, নতুন পে কমিশনের কাজ শেষ হলে তা কেন্দ্রীয় কর্মীদের জন্য আরও উৎসাহ ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে। সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ন্যূনতম বেতন ছিল ১৮ হাজার টাকা। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং অন্যান্য ভাতা বাড়িয়ে সর্বশেষ বেতন কাঠামোতে তা ৩৪ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছিল। কর্মচারীরা এবার দাবি তুলেছেন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন এবং বাড়ি ভাতা সহ অন্যান্য ভাতা আরও বাড়ানো হোক। কেন্দ্রীয় স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের মতে, আগামী পে কমিশনের সুপারিশে কর্মীদের অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, সরকার ইতিমধ্যে ৮ম পে কমিশন গঠনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। তবে, সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। বাজেট অধিবেশনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা হতে পারে।এবারের পে কমিশনের সুপারিশে প্রায় ৪৯ লক্ষ কর্মী এবং পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামো ও ভাতার বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছেন।

কুম্ভ

কুম্ভ মেলা, প্রয়াগরাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়: একাধিক নিহত ও আহত!

কুম্ভ মেলা প্রাঙ্গণে আজ সকালে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা নামিয়ে এনেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ১০ জন নিহত এবং আরও ৩০ জনের বেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই তীর্থযাত্রী এবং সেবক, যারা মেলার অংশ হিসেবে আসা কুম্ভস্নানে ব্যস্ত ছিলেন। আহতদের মধ্যে অনেকে দগ্ধ হয়েছেন এবং তাদের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।

ঘটনাটি ঘটেছে মেলার একটি বিশাল তাঁবুর মধ্যে, যেখানে হাজার হাজার তীর্থযাত্রী আশ্রয় নিয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে সেখানে একটি রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত ওই তাঁবুর ভেতর ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ার মধ্যে অনেক মানুষ হতভম্ব হয়ে পড়ে এবং অনেকেই দৌড়ে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, অনেকের জন্য পালানো সম্ভব হয়নি। এর ফলে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। দমকল বাহিনী ও উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। দমকল বাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাঁবুর ভেতরে একাধিক পরিবার এবং সাধু-সন্তদের উপস্থিতি ছিল, যারা প্রথামাফিক কুম্ভ স্নান উপলক্ষে সেখানে অবস্থান করছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আগুনটি রান্নাঘর থেকে শিখা বের হয়ে উঠে এবং এর পরে তা তাঁবুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগের কোনো ত্রুটি অথবা রান্নার সরঞ্জামের কারণে আগুন লাগতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা আরও তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ জানার চেষ্টা করছেন। মেলা প্রাঙ্গণের আশপাশে চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো দ্রুত আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। দ্রুতই আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়। কুম্ভ মেলার সংগঠকরা জানিয়ে দিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প গঠন করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হেলিকপ্টার দ্বারা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রয়াগরাজের জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, এবং মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তাঁরা তীব্র সমালোচনা করেছেন যে, এত বড় একটি ধর্মীয় সমাবেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সঠিকভাবে তৈরি ছিল না এবং অগ্নি নিরাপত্তার খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া উচিত ছিল। তবে, কুম্ভ মেলার পরিবেশের মধ্যে বিপদ সামাল দিতে প্রশাসনও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর, কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চলেছে। তারা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে জন্য আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ফায়ার-সেফটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে, দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অগ্নিকাণ্ডের পর মেলা কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে ঘোষণা করেছে যে, প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে এককালীন অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই কুম্ভ মেলা এলাকায় উপস্থিত তীর্থযাত্রীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। যেসব তীর্থযাত্রীদের এই দুর্ঘটনার কারণে তাদের যাত্রা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে, তারা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তীর্থযাত্রীরা জানাচ্ছেন যে, প্রার্থনা ও পুণ্যলাভের জন্য তারা এখানে এসেছিলেন, কিন্তু এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণে তাদের মনোবল ভেঙে গেছে। প্রয়াগরাজ পুলিশ বিভাগ এবং প্রশাসন কর্তৃক ভবিষ্যতে আরও সতর্কতা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও, এই ঘটনার পর কুম্ভ মেলা নিয়ে সারা দেশব্যাপী প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষের কাছে মানুষের দাবি, এরকম বৃহত্তর ধর্মীয় সমাবেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হোক, যেন ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। এমন এক মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি, প্রশাসন এবং মেলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

সিপিআইএম

সিপিআইএমের পশ্চিমবঙ্গ লবি সম্পর্ক রক্ষায় মরিয়া!

সিপিআইএমের সাথে কংগ্রেসের মধুচন্দ্রিমা যুগের অবসান হচ্ছে সারা দেশেই। দলের বঙ্গ লবি কংগ্রেসের সাথে সম্পর্ক রেখে চলতে চাইলেও কারাতের কেরালা লবি কিন্তু কংগ্রেসের সাথে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয়। ত্রিপুরা রাজ্যেও বাম, কংগ্রেসের চির ধরেছে অনেক আগেই। একে অপরের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখতে শুরু করে দিয়েছেন দুই দলের নেতারা। সিপিএম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক চলছে৷ বৈঠকে কংগ্রেসের সাথে মধুচন্দ্রিমা থাকবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের প্রথম দিনই দ্বৈরথে কেরল-বাংলা লবি। সারা দেশে কংগ্রেস নিয়ে অবস্থান কী হবে? এই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত সিপিআইএম। সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির তিনদিনের বৈঠকের প্রথম দিনেই কংগ্রেস সম্পর্কে কেরল লবির কড়া মনোভাব থাকলেও কংগ্রেস সম্পর্কে কোনও কথা না বলে কার্যত নরম মনোভাব দেখাল বঙ্গ সিপিআইএম। ত্রিপুরা নীরব দর্শকের ভুমিকায়৷ যদিও এর আগে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গ লবির পাশে দাড়িয়েছিল সিপিএম। বঙ্গ লবির বিভিন্ন বক্তব্যকে সমর্থন করেছিল ত্রিপুরার বামপন্থী নেতারা। এবার কিন্তু চুপচাপ। কংগ্রেস সম্পর্কে কড়া অবস্থান একসময়ে নিয়েছিলেন পার্টির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। তাঁর লাইন ছিল বিজেপি ও কংগ্রেসের থেকে সমদূরত্ব। পরে সীতারাম ইয়েচুরির জমানায় কংগ্রেস সম্পর্কে নরম মনোভাব নেয় পার্টি। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গঠন হয় সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে। বর্তমানে ইয়েচুরি জীবিত নেই। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির কো-অর্ডিনেটর এখন প্রকাশ কারাট। কেরলের নেতৃত্ব এদিন কংগ্রেস সম্পর্কে বিরোধিতার মনোভাব প্রকাশ করেছে। আগামী এপ্রিল মাসে সিপিএমের সর্বভারতীয় সম্মেলন থেকে যদি কারাট লবির হাতে ব্যাটন তুলে দেয় দল তাহলে কংগ্রেসের সাথে চিরতরে সিপিএমের মধুচন্দ্রিমা যুগের অবসান হবে। এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহল। কেরলে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই কংগ্রেসের। সেই প্রেক্ষিতে কংগ্রেসের প্রশ্নে এদিন বাংলা ও কেরল সিপিএমের মধ্যে দ্বিমত দেখা দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। কেরলের নেতাদের কথায়, কংগ্রেস জোট ধর্ম বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভঙ্গ করে। তাছাড়া কংগ্রেস নরম হিন্দুত্বপন্থী বলেও মনে করছে কেরল সিপিএম। সীতারাম ছিলেন কংগ্রেসের প্রতি নরম। আর কারাট বরাবর কট্টরপন্থী। ফলে সীতারামের প্রয়াণের পর কংগ্রেস সম্পর্কে কড়া মনোভাব নিয়ে সিপিএম কারাট লাইনে ফিরবে কিনা, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

যদিও পার্টির একাংশের বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কারাট হয়ত পুরনো অবস্থানে থাকবেন না। কেরলের নেতারা বলছেন, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বাম ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি ও বামপন্থী শক্তিকে একজোট করা হোক। কারাট এবার মধ্যবর্তী কোনও অবস্থান নিয়ে পার্টি কংগ্রেসের রাজনৈতিক খসড়া চূড়ান্ত করবেন বলে খবর। এদিকে, এই প্রথম নির্বাচনী কৌশলের পর্যালোচনা রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনছে সিপিএম।সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে পার্টি কংগ্রেসের প্রাক্কালে রাজনৈতিক রণকৌশল লাইন সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত হবে। পাশাপাশি, গত পার্টি কংগ্রেস থেকে এই পর্যন্ত যে যে নির্বাচনী কৌশল নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে পর্যালোচনা ও সংগঠনিক অবস্থা কী রয়েছে, তারও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে। সিপিএমের পরবর্তী পার্টি কংগ্রেস হবে এপ্রিলে তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে। কলকাতার তিনদিনের বৈঠক থেকেই রাজনৈতিক খসড়া গৃহীত হবে। তারপর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের আগেই সর্বসমক্ষে আনবে সিপিএম। পার্টি কংগ্রেস থেকে পরের তিন বছরের ‘লাইন’ ঠিক করবে সিপিএম।

শাসক

শাসক দলের সবকটি সংগঠনেই প্রবল গোষ্ঠী কোন্দল পরিলক্ষিত!

শাসক দলের সিদ্ধান্ত ছিল গত ১৫ জানুয়ারীর মধ্যেই ঘোষণা হবে বিজেপির ১০ টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতিদের নাম।কিন্তু দলের ভেতরে চরম গোষ্ঠী কোন্দলের ফলে ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে নতুন জেলা সভাপতিদের নামের তালিকা ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ২০ জানুয়ারী বিজেপির ১০ টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির নতুন সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হবে। তার জন্য দলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর দৌড় ঝাপ চলছে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে, নেতারা এখন হিল্লিদিল্লি শুরু করেছে। যতটুকু খবর, আজ শাসক দলের প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্য ও মুখ্যমন্ত্রী ডা: মানিক সাহা কেন্দ্রীয় কমিটির ডাক পেয়ে দিল্লি গেছেন। আগামীকাল দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে।মন্ডল সভাপতি নির্বাচন করতে গিয়ে দল যেমন বিধায়কদের গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি জেলা সভাপতি নির্বাচন নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রদেশ সভাপতির মতামত কে গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু মন্ডল সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো রাজ্যের কম করেও ৩৫ টি মন্ডলে অসন্তোষ রয়েছে। কারন একটাই, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন্ডল সভাপতি পদে তাদেরকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে যারা গণ বর্জিত। সাংগঠনিক কোন ভিত্তি নেই। এসব মন্ডল সভাপতিদের মনোনয়ন নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সাংগঠনিক তদন্ত হলে বড় ধরনের কেলেংকারী প্রকাশ্যে আসবেই। আমবাসার এক নেতাতো নেশার ছলে বলেই ফেলছেন কি ভাবে প্রদেশের হেভিওয়েট নেতা কিভাবে কি করছেন। তবে আজ না হয় কাল প্রকাশ্যে আসবেই। সংগত কারণেই মন্ডল সভাপতি নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষের মধ্যেই জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা নিয়ে বিজেপির ভেতরে টানাপোড়েন চলছে। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর হলো, জেলা সভাপতি মনোনয়নেও হয়েছে চরম গোষ্ঠী রাজনীতি।এক্ষেত্রেও দুর্নীতি গ্রস্তদেরই রমরমা বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে বিজেপির প্রবীন একাংশ নেতার অভিযোগ, এখন আর বিজেপিতে নিষ্ঠাবান নেতা কর্মীদের গুরুত্ব নেই। নব্য বিজেপি, মাফিয়া আর প্রাক্তন কংগ্রেসিদের এখন বিজেপিতে রমরমা। ফলে দলের একাংশ নেতা কর্মী এখন দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। আগামী দিনে যার খেসারত দিতে হবে বিজেপির নেতাদের।

রোহিঙ্গা

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে ত্রিপুরা রাজ্যেও!

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ উদ্বেগ জনক ভাবে বাড়ছে রাজ্যে। রাজ্যের সীমান্ত এলাকার ঢিলেঢালা নিরাপত্তা ব্যাবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতিদিন বাড়ছে অনুপ্রবেশ। বিএসএফের ভুমিকা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৈলাসহরের ইরানি থানার পুলিশ ফের একসাথে দশ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে। সীমান্ত অতিক্রম করার সময় তাদের আটক করা হয়। গোটা ঘটনা ঘিরে কৈলাসহর মহকুমায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। ইরানি থানার সেকেন্ড ওসি ইন্সপেক্টর তরুনী জমাতিয়া জানান, সফরিকান্দি এলাকার জনৈক এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশী করে দশ জন অপরিচিত মানুষকে আটক করা হয় । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ধৃত দশ জন মায়ানমারের বাসিন্দা। ধৃত দশ জনের মধ্যে ছয় জন প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলা। বাকি চার জনের মধ্যে রয়েছে পঞ্চাশ দিনের এক শিশু। ধৃতরা গত ১৩জানুয়ারি ট্রেনে করে হায়দ্রাবাদ রওনা দেয় এবং ১৬জানুয়ারি ধর্মনগর স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ১৬জানুয়ারি সন্ধ্যায় কৈলাসহরের সফরিকান্দি এলাকার এক দালাল তাদের ধর্মনগর স্টেশন থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় । ধৃতরা সীমান্তের সফরিকান্দি এলাকায় দুই দিন ধরে দালালের বাড়িতে অবস্থান করছিলো বলেও পুলিশ জানায়। পুলিশ অবশেষে দুপুরেই ধৃত দশ জনকে কৈলাসহর আদালতে প্রেরণ করেছে। তবে যে বাড়ি থেকে দশ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে সেই বাড়ির মালিক তথা দালালকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ত্রিপুরার

ত্রিপুরার উন্নয়নে একটি প্রধান ফলক M.B.B বিমানবন্দর!

ত্রিপুরার আগরতলাস্থিত M.B.B (মহারাজা বীর বিক্রম) বিমানবন্দরকে APD গ্রেড-III থেকে APD গ্রেড-II-তে উন্নীত  করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, এই উন্নয়নের লক্ষ্য একমাত্র যাত্রী পরিষেবার মানোন্নয়ন এবং বিমানবন্দরগুলির সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI)-এর সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, দেশের ছয়টি বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি আপগ্রেড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে কর্পোরেট এইচআরএম সার্কুলার নং ৭(b)/২০২৪-এর অধীনে। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত বিমানবন্দরগুলি APD গ্রেড-III থেকে APD গ্রেড-II-তে উন্নীত হয়েছে:

১. আগরতলা
২. ভোপাল
৩. মাদুরাই
৪. সুরাত
৫. উদয়পুর
৬. বিজয়ওয়াড়া

মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা এই সাফল্যের জন্য তার ফেসবুক পোস্টে গর্ব প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ত্রিপুরার সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অবিরাম সহযোগিতা এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই সাফল্য ত্রিপুরার বিমান পরিষেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং রাজ্যের সংযোগ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করেন তিনি।

বৈরী

বৈরী সমস্যা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার!

বৈরী আতঙ্ক দেখা দিয়েছে কাঞ্চনপুর মহকুমা সহ উত্তর জেলার প্রত্যন্ত এলাকায়। মিজোরাম পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর যৌথ অভিযানে কিছু বেআইনি অস্ত্র সহ ছয়জন বৈরী গ্রেপ্তার করেছে ত্রিপুরা মিজোরাম বর্ডার থেকে। এই ঘটনায় কাঞ্চনপুর মহকুমা সহ গোটা উত্তর জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন করে বৈরী আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া বৈরীদের বাংলাদেশ থেকে মিজোরামে অস্ত্র সরবরাহের সময় আটক করা হয়।বুধবার সন্ধ্যায় মিজোরামের মামিথ জেলার সাইথাহ এলাকায়, ছয়টি একে-৪৭ রাইফেল, ১০ হাজার একে-৪৭ এর গুলি এবং বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে কাঞ্চনপুর মহকুমায় স্বশস্ত্র বৈরীদের আনাগোনা এবং চাঁদা দাবির খবর প্রকাশ্যে আসলেও, এখনো রাজ্যের পুলিশ বৈরী বিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। জানা গেছে, বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চলের ভিকিনালা গ্রামে বৈরীদের একটি ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু উপজাতি যুবক অস্ত্র সহ রাজ্যে প্রবেশ করছে। এরই মধ্যে কাঞ্চনপুর মহকুমার ছয়ঘরপুর এবং বিজয়কুমার সীমান্ত এলাকায় তাদের আনাগোনার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈরী নেতা সিংহ মনি রিয়াং এবং লালথাঙ্গা বাংলাদেশের মদতে ঠিকাদারদের চাঁদা দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এমনকি, এই হুমকির ফলে কাঞ্চনপুরে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ ও বন্ধ রয়েছে।

জেলা পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী, বৈরী সমস্যার সমাধানে কাজ করছে বলে দাবি করলেও, এখনো বৈরী বিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য আসেনি এরাজ্যে। অপরদিকে, মিজোরামে অস্ত্র উদ্ধার এবং বৈরীদের গ্রেপ্তারের খবর পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈরী সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

ক্রীড়া

ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায়ের সাংবাদিক সম্মেলন!

ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষনে টেলেন্টস সার্চ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। আজ আগরতলার রাজ্য সরকারী অতিথিশালা সোনারতরীতে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী টিংকু রায় এ কথা বলেন। তিনি জানান, ১০ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। ফুটবল, কবাডি, খো-খো এবং এথলেটিক্স এই চার বিভাগে হবে প্রতিযোগিতা। আগামী ১ লা ফেব্রুয়ারী থেকে ২৮ শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত রাজ্যের ৫৮ টি ব্লককে চারটি জোনে বিভক্ত করে প্রথমে মহকুমা স্তরে, পরে জেলা স্তর ও রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় বাছাইকরা ক্রীড়া প্রতিভাদের আরও ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, এই টেলেন্ট সার্চ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে আজ এখানে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ক্রীড়া মন্ত্রী ছাড়াও সব জেলার জেলা সভাধিপতি , আগরতলা পুর পরিষদের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, ক্রীড়া সচিব ডঃ প্রদীপ চক্রবর্তী জিমনাস্টিক কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, গত ২ বছরে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যপক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রচুর পদক লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় গেমসে অংশগ্রহনকারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মন্ত্রী টিংকু রায়।

নেজাতি

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের, নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন !

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতন পূর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে এই বছরও নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন করবে । আজ আগরতলায় বিদ্যালয় চত্বরে সাংবাদিক সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মজুমদার জানান, আগামী ২৩ শে জানুয়ারি সকাল ৮টায় বিদ্যানিকেতনের মাঠে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা জন্ম জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন৷ শ্রীমতি মজুমদার জানান, এবছর তৃতীয় শ্রেনী থেকে শুরু করো একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ২৬ টি থিম তৈরী করা হয়েছে। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণী ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষা আসন্ন থাকায় তারা কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না। দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা শঙ্খবাহিনীতে যোগ দেবেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জানান, ১৯৫০ সাল থেকে বিদ্যালয়ে প্রতিবছর নেতাজী জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে ৷ বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রী ছাড়া বিভিন্ন এনজিও, ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করে ৷ এবছর অনেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ৷ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষিকা মীনারানী কলই , শিক্ষক সুদীপ্ত শেখর মিশ্র সহ অন্যরা।