স্টার্টআপ

স্টার্টআপ পলিসিতে যুবক-যুবতীদের উন্নতি হলে দেশ তথা রাজ্যের উন্নতি হবে!

রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের উদ্যোগপতি হিসেবে গড়ে তুলতে আজ থেকে চালু হলো রাজ্য সরকারের স্টার্টআপ পলিসি ২০২৪। যুবদের বিকাশ না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় একথা বলেন। অথচ রাজ্যের পূর্বতন সরকার যুবদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কোন পদক্ষেপ নেয়নি। আর বর্তমান সরকার যুবশক্তির বিকাশে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। শুক্রবার আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে ‘ত্রিপুরা স্টার্টআপ পলিসি ২০২৪’ এর সূচনা করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, ২০১৯ সালে এই পলিসি শুরু হয়েছিল এবং আজ আমরা এটিকে আবার নতুনভাবে শুরু করলাম। শুধু আইটি ক্ষেত্র নয়, আমরা কৃষি, বাঁশ, খাদ্য এবং অন্যান্য খাতকেও এতে যুক্ত করেছি। অথচ আগের সরকারের সময়ে যুবরা কখনো সহযোগিতা পায়নি। যে কারণে তারা দিশাহীন হয়ে পড়ে। আর সব মানুষকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। এই ধরনের পলিসি সত্যিই অপরিহার্য এবং আমি এই ধরনের পলিসি তৈরির সাথে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে যুবরা খুবই উদ্যমী এবং সক্ষম। তবে তাদের উদ্যম ও উৎসাহ সবসময় সঠিক দিশায় যায় না। এই পলিসি তাদের উদ্যমকে সঠিকভাবে চালিত করবে এবং যুবরা সরকারের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন বেকাররা যাতে জব ছার্চার না হয়ে; জব ক্রিয়েটর হতে পারেন, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে রাজ্য সরকার। এই জাতীয় নীতি যুবদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে তাদের শিল্পপতি বা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নগুলি পূরণ করতে সক্ষম হবে। এই ধরনের উদ্যোগ ‘এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা’ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ব্যাংকগুলিও আরও ভাল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার লক্ষ্যে এই যুবদের আর্থিক সহায়তা দেবে। এই পলিসির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের সমস্ত স্তর থেকে যুবদের যুক্ত করে বেকারত্ব মোকাবিলা করা। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, যখন এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল আইআইটি, আইআইএম, নিট সহ দেশের অন্যান্য কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সাথে নিবিড়ভাবে যোগাযোগের মাধ্যমিক এই প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। অল্প বয়স থেকেই তরুণদের আরও উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে এটা একটা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। ১.২৫ লক্ষেরও বেশি ব্যাঙ্ক শাখা যুবদের উৎসাহিত করছে। আর এটা নিশ্চিত করছে যে দলিত, মহিলা এবং জনজাতিরা এই উদ্যোগের ফলে উপকৃত হচ্ছেন। ডাঃ সাহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুবদের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন নতুনত্ব ও নতুন সুযোগ ছাড়া দেশে কোনও প্রবৃদ্ধি হতে পারে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সর্বদা বলেছেন যে আমাদের প্রধান মানব সম্পদ যুবরা। যদি যুবদের বিকাশ করা হয় তবে দেশ বিকশিত হবে। ভবিষ্যতে, আমাদের অসংখ্য স্টার্টআপ পলিসি এই প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায়, মুখ্যসচিব জিতেন্দ্র কুমার সিনহা, তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ অন্যান্য পদাধিকারীগণ। স্টার্টআপগুলো যাতে সহজে সম্পদ, সহায়তা এবং তথ্য পেতে পারে, সেজন্য একটি বিশেষভাবে নিবেদিত ‘স্টার্টআপ ত্রিপুরা ওয়েব পোর্টাল’ ও উদ্বোধন করা হয় এই অনুষ্ঠানে। ত্রিপুরা স্টার্টআপ পলিসি বা নীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এবং এর সুবিধাগুলি মানুষের সামনে তুলে ধরতে, সরকার স্টার্টআপ স্পার্ক ভ্যান চালু করেছে। এই ভ্যান ত্রিপুরার সমস্ত জেলায় সফর করবে এবং উদ্যমী উদ্যোক্তাদের সাথে যোগাযোগ করবে ও নীতির আওতায় থাকা বিভিন্ন উদ্যোগের প্রচার করবে। এই অনুষ্ঠানে একটি প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়, যেখানে বিশিষ্ট জনেরা ত্রিপুরা ভিত্তিক স্টার্টআপগুলোর উদ্ভাবিত পণ্য ও পরিষেবাগুলি পরিদর্শন করেন।

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে ত্রিপুরা স্টার্টআপ পলিসি-২০২৪’র সূচনার মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা সরকার রাজ্যের উদ্যোক্তা পরিমণ্ডলে একটি রূপান্তরমূলক পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে। এই নীতির উদ্দেশ্য হল, তরুণ উদ্ভাবকদের অনুপ্রাণিত করা, স্টার্টআপগুলির বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা এবং কর্মসংস্থানের প্রচুর সুযোগ সৃষ্টি করা, যা রাজ্যের উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করবে।

 

“ত্রিপুরা স্টার্টআপ পলিসি-২০২৪” অনুসারে প্রস্তাবিত আর্থিক প্রণোদনার সংক্ষিপ্তসার

1) ট্রাই-সিড ফান্ডিং:

স্বীকৃতি সনদ পাওয়ার পর, সমস্ত স্বীকৃত স্টার্টআপগুলো এককালীন ২ লক্ষ টাকা গ্র্যান্ট বা অনুদান পাওয়ার যোগ্য হবে।

2) স্টার্টআপ পরিচালনার খরচ ফেরত:

স্বীকৃত স্টার্টআপগুলোকে তাদের প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যয় করা খরচ, যেমন বিদ্যুৎ বিল, ভাড়া, ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের খরচ ইত্যাদি ফেরত দেওয়ার জন্য প্রতি মাসে ২০,০০০/- টাকা করে প্রদান করা হবে। এই অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া স্টার্টআপ স্বীকৃতির শংসাপত্র’ প্রদানের তারিখ থেকে সর্বাধিক এক (১) বছর পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। মহিলাদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলি অতিরিক্ত ১০% ফেরত পাবে, আর দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলি অতিরিক্ত ২০% ফেরত পাবে।

3) প্রোটোটাইপ স্টেজ বা প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক সহায়তা:

যারা স্বীকৃত এবং শংসাপত্র-প্রাপ্ত স্টার্টআপ, তাদের নতুন পণ্যের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ নিয়োগ, কাঁচামাল বা উপাদান এবং অন্যান্য সম্পর্কিত যন্ত্রপাতির খরচের ক্ষেত্রে ২১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা প্রদান করা হবে। তবে রাজ্যস্তরের স্টার্টআপ কাউন্সিলের দেওয়া ‘প্রুফ অব কনসেপ্ট’ (POC) অনুমোদনের পরই তা প্রযোজ্য হবে।

4) বিপণন/প্রচার সহায়তা:

নতুন উদ্ভাবিত পণ্য/পরিষেবা বাজারে পরিচিতি লাভের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা প্রদান করা হবে।

5) ট্যাক্স বা কর ফেরত:

স্টার্টআপ কোম্পানিগুলি যদি ত্রিপুরায় জিএসটি পরিশোধ করে, তবে তা ‘ত্রিপুরা শিল্প বিনিয়োগ প্রচার প্রণোদনা প্রকল্প’ (TIIPIS), ২০২২-এর আওতায় ফেরত দেওয়া হবে।

6) পেটেন্ট ফাইলিংয়ের ক্ষেত্রে ফেরত:

স্টার্টআপ কোম্পানিগুলি পেটেন্ট আবেদন দাখিল করা ও তার ব্যবস্থাপনার জন্য যে অর্থ ব্যয় করবে, সেই ক্ষেত্রে প্রতিটি ভারতীয় পেটেন্টের জন্য ২২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তা ফেরত দেওয়া হবে। আর কোনো একটি বিষয়ে বিদেশি পেটেন্টের ক্ষেত্রে ₹১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হবে।

7) এনজিআইএন (NGIN) উদ্যোগের অধীনে প্রতিষ্ঠানগুলিতে অনুদান:

*নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলিতে ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের জন্য ২১০ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হবে।

*প্রতিটি আয়োজনকারী বা মূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ইনকিউবেশন সেন্টারের পরিচালনা খরচের জন্য প্রতি বছর ২৫ লক্ষ টাকা অর্থ প্রদান করা হবে।

* প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর সর্বাধিক ৫টি প্রকল্পের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান পাবে।

৪) ট্রাই-ইনফ্রা ফান্ড

একটি ট্রাই-ইনফ্রা ফান্ড (স্টার্টআপ ক্যাপিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড) ২২৫ কোটি টাকা প্রাথমিক তহবিল নিয়ে গঠিত হবে, যা রাজ্যের স্টার্টআপ বাস্তুতন্ত্রের জন্য হার্ড এবং সফট ইনফ্রাস্ট্রাকচারের উন্নয়নে সহায়তা করবে– যেমন ইনকিউবেটরগুলির ব্যবহারিক পরিকাঠামো, টেস্টিং ল্যাব, ডিজাইন স্টুডিও, টুল রুম, ভার্চুয়াল ইনকিউবেটর ইত্যাদি।

9) ত্রিপুরা ভেঞ্চার ক্যাপিটাল:

২৫০ কোটি টাকা তহবিলের একটি ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড’ বা “উদ্যোগ পুঁজি তহবিল” সৃষ্টি করা হয়েছে। যেখানে সম্ভাব্য স্টার্টআপের জন্য অর্থ সহায়তার টিকিট সাইজ বা অর্থ সহায়তার পরিমাণ বা সীমা হবে ২২৫ লক্ষ টাকা থেকে ২২ কোটি টাকা পর্যন্ত।

বায়োভিলেজ

বায়োভিলেজ ২.০ প্রকল্পের সূচনা করেন মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।

খোয়াই মহকুমার তুলাশিখর ব্লকের অন্তর্গত পাঁচটি গ্রাম নিয়ে শুরু হলো বায়োভিলেজ ২.০ প্রকল্প। আজ চাম্পা হাওর কমিউনিটি হলে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শাসক চাঁদনী চন্দ্রন, বায়োটেকনোলজি দপ্তরের অধিকর্তা অঞ্জন সেনগুপ্ত, তুলাশিখর ব্লকের চেয়ারম্যান প্রদীপ দেববর্মা এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বায়োটেকনোলজি দপ্তরের উদ্যোগে পূর্ব বেহালাবাড়ি, বিদ্যাবিল, পশ্চিম রাজনগর, পশ্চিম চাম্পাছড়া এবং পূর্বতকসাইয়া গ্রামের ৩১৭ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক বাল্ব, পাখা, স্ট্রিট লাইট, সৌরশক্তি চালিত পাম্প, মাশরুম, মাছের পোনা, মুরগির ছানা, হাসের ছানা, ছাগলছানা, প্রাণী খাদ্য, বায়োগ্যাস, মৌমাছি পালনের উপকরণ এবং সৌরচালিত চুল্লি প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের লক্ষ্য হলো টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনমান উন্নত করা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে বায়োটেকনোলজি দপ্তর ছাড়াও সহযোগিতা করেছে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর, মৎস্য দপ্তর, কৃষি দপ্তর ও তুলাশিখর আরডি ব্লক।

উপস্থিত মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা জানান, এই প্রকল্প শুধু গ্রামীণ উন্নয়নই নয়, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে অন্যান্য এলাকায়ও প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শেহওয়াগ

শেহওয়াগ-আরতির দাম্পত্যে ফাটল, ডিভোর্সের পথে দম্পতি!

ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ বীরেন্দ্র শেহওয়াগ। এখন এই বীরেন্দ্র শেহওয়াগ এবং তাঁর স্ত্রী আরতি শেহওয়াগের সম্পর্ক নিয়ে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর খবর। কুড়ি বছরের দাম্পত্য জীবনে এবার নেমেছে কালো ছায়া। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা চলছে এবং পরিস্থিতি এমনই যে, তাঁরা ডিভোর্সের সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছেন।

১৯৯৮ সালে শেহওয়াগ ও আরতির প্রথম দেখা। তাঁদের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল বন্ধুত্ব দিয়ে, যা ধীরে ধীরে গভীর ভালোবাসায় পরিণত হয়। ২০০৪ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সম্পর্ক তখন অনেকের কাছেই আদর্শ বলে ধরা হতো। সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে পারিবারিক মুহূর্ত, সর্বত্র তাঁরা একে অপরের সঙ্গে সুখী যুগল হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তাঁদের দুই সন্তানও রয়েছে, যারা তাঁদের জীবনের আলো। পরিচিতদের মতে, সম্পর্কের মধ্যে বহুদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। শেহওয়াগের ক্রিকেট কেরিয়ার এবং তারপর তাঁর বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগের কারণে তিনি পরিবারকে সময় দিতে পারছিলেন না। অন্যদিকে, আরতি নিজের জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে মতের অমিল বাড়তে থাকায় সম্পর্কের ফাটল আরও গভীর হয়। শেহওয়াগের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, “বিগত কয়েক বছরে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছিল।যদিও তাঁরা বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি। সন্তানদের কথা ভেবে তাঁরা বিষয়টি চেপে রাখছিলেন, তবে এখন আর তা সম্ভব নয়।” সম্প্রতি শেহওয়াগ এবং আরতি দু’জনেই তাঁদের সামাজিক মাধ্যমে একে অপরের ছবি পোস্ট করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দু’জনকে একসঙ্গে দেখাও যাচ্ছে না। এই সমস্ত বিষয় নজরে আসতেই তাঁদের ভক্তদের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়। আরও একটি সূত্রের দাবি, “বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শেহওয়াগ এবং আরতির মধ্যে কথাবার্তা একেবারে বন্ধ। তাঁরা নিজেদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে গোপন রাখতে চাইলেও, তাঁদের আচরণই সব প্রকাশ করে দিচ্ছে।”

আইনি মহল থেকে জানা গিয়েছে, তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শেহওয়াগ এবং আরতি উভয়েই পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিতে চান। তাঁদের মূল লক্ষ্য হল সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা। তবে ডিভোর্সের বিষয়টি নিয়ে শেহওয়াগ বা আরতি এখনও সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি। ক্রিকেট দুনিয়া এবং তাঁদের ভক্তরা বিষয়টি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন।সম্পর্কের যত্ন নেওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এই দম্পতির দিকে তাকালেই বুঝা যায়। সাফল্য বা ব্যস্ততার কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্ক অবহেলিত হলে তা জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।

এখন প্রশ্ন হল, শেহওয়াগ এবং আরতি কি শেষ মুহূর্তে তাঁদের সম্পর্ক বাঁচানোর চেষ্টা করবেন, নাকি তাঁরা একে অপরের থেকে দূরেই নতুন জীবন শুরু করবেন? এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত সময়ের হাতে।

প্রজাতন্ত্র

প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাষ্ট্রীয় কুচকাওয়াজে, উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে শুধুমাত্র ত্রিপুরার ট্যাবলোই প্রদর্শিত হবে!

নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে প্রদর্শিত প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে, এই বছর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র ত্রিপুরার ট্যাবলোই স্থান পাবে। বৃহস্পতিবার এক শীর্ষ ত্রিপুরা-সরকারি-কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে মোট ২৬টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হবে। ত্রিপুরার ট্যাবলো এইবারের মূল থিম “ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য” এর উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। ত্রিপুরার ট্যাবলোতে ঐতিহ্যবাহী খার্চি পূজা এবং তার সঙ্গে জড়িত ১৪ দেবদেবীর পূজার আচার-অনুষ্ঠান ও তাৎপর্য তুলে ধরা হবে। প্রতি বছর জুলাই মাসে এই রঙিন খার্চি পূজা ত্রিপুরায় ধুমধাম সহকারে পালিত হয়, যেখানে সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। খার্চি পূজা মূলত পাপ মোচনের উদ্দেশ্যে পালিত হয়। এটি মূলত হিন্দু উপজাতীয়দের উৎসব হলেও বর্তমানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ এই উৎসবে অংশ নেন। ১৪ দেবতার পূজার সময় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার, মন্ত্রোচ্চারণ, ঢাক-ঢোলের বাদ্য এবং আলোকসজ্জা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এই পূজায় শিব, দুর্গা, বিষ্ণু, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, ব্রহ্মা, জলদেবতা (আবধি), চন্দ্র, গঙ্গা, অগ্নি, কামদেব ও হিমালয় দেবতার পূজা করা হয়।

ট্যাবলো ডিজাইনের প্রধান দিকগুলি হল ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন। বাঁশের নকশা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মডেলদের উপস্থাপনা। বাঁশ ও বেতের কারুকার্যে ১৪ দেবতাদের উপস্থাপনা।মাটির দেবী (হা-বুমা) পূজা ও সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা। ট্যাবলোতে বাঁশ ও ফুল দিয়ে তৈরি সৌন্দর্যময় নকশা, আধুনিক শিল্পের ছোঁয়া এবং রাজ পুরোহিতের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে পূজার আচার-অনুষ্ঠানও প্রদর্শিত হবে।এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন রাজ্যের মোট ২৬টি ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করবে। ত্রিপুরার পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের ট্যাবলোতেও ভারতের সাংস্কৃতিক ও আধুনিক উন্নয়নের ছবি ফুটে উঠবে।

IGM

IGM হাসপাতালে এমনিতেই রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই, তার উপর আবার জনসভা!

IGM হাসপাতালের নাকের ডগায় উমাকান্ত একাডেমির মাঠ জনসভার জন্য চেয়েছে CPIM। একটি রেফারেল হাসপাতালের রোগীদের কষ্ট হবে জেনেও কিভাবে সিপিএম এই আবদার করলো সেটাই প্রশ্ন। IGM হাসপাতালের সামনের রাস্তা দিয়ে যেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর মিছিলের অনুমতি পর্যন্ত দেওয়া হয় না; সে জায়গায় প্রকাশ্য জনসভার আবদারের পেছনে কি রাজনীতি, সেটাই সাধারণ মানুষের জিজ্ঞাস্য।

আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে CPIM দলের ২৪ তম রাজ্য সম্মেলন। প্রথম দিনেই হবে প্রকাশ্য সমাবেশ। আর প্রকাশ্য সমাবেশের জন্য উমাকান্ত ময়দান চেয়েছে সিপিআইএম দল। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনিক কোন অনুমতি মেলেনি। আর অনুমতি দেবেই বা কেন? তবে সিপিআইএম দল উমাকান্ত ময়দানকে টার্গেটে রেখেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানালেন দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। এখন প্রশ্ন হল উমাকান্ত ময়দান কি মিলবে? কারন হলো, উমাকান্ত ময়দানের সাথেই রয়েছে IGM হাসপাতাল। হাসপাতালের সামনে উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে জনসভা করা কি শোভনীয়। উমাকান্ত মাঠে ইদানিংকালে কোন রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ হয়েছে কিনা তা কারোর জানা নেই। দীর্ঘ ৩৫ বছর সিপিআইএম দল ক্ষমতায় ছিল। তাদেরও বিষয়টি জানা রয়েছে। তারপরেও উমাকান্ত মাঠ চাইছে সিপিআইএম দল। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উমাকান্ত মাঠের দাবি জানিয়েছেন তারা। উমাকান্ত মাঠ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনিক অনুমতি মেলেনি। এর আগে স্বামী বিবেকানন্দ মাঠ চেয়েছিল সিপিআইএম দল। গত ২৬ ডিসেম্বর ক্রীড়া পর্ষদের কাছে আবেদন জানিয়েছিল সিপিএম। ক্রীড়া পর্ষদ প্রথম দিকে মাঠটি দিতে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ক্রীড়া পর্ষদ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় আগামী ২৯ ডিসেম্বর আরবান দপ্তরের উদ্যোগে স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে হবে স্ব- স্বহায়ক দলের মেলা। স্ব-স্বহায়ক দলের মেলা হওয়ার কারণে মাঠ দেওয়া যাবে না বলে ক্রীড়া পর্ষদ থেকে সিপিআইএম দলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর সিপিআইএম দল সিদ্ধান্ত নেয় আগরতলার রবীন্দ্র ভবনের সামনের রাস্তায় প্রকাশ্য সমাবেশ করা হবে। এখন দেখার বিষয় প্রকাশ্য সমাবেশর কোন স্থানে হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন দলের সর্বভারতীয় নেতারা। রাজ্য সম্মেলনে দলের সর্বভারতীয় নেতা প্রকাশ কারাত থেকে শুরু করে বৃন্দা কারাত, পলিটব্যুরোর সদস্য অশোক ধাওউলে উপস্থিত থাকবেন। সিপিআইএম দলের নেতারা মনে করছেন প্রকাশ্য সমাবেশে এবার রেকর্ড সংখ্যক জমায়েত হবে।

বলিউড

বলিউড তারকা সইফ আলি খানের দুঃসময়, একান্ত হবার পর সম্পত্তি নিয়ে দুশ্চিন্তা!

বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান ও তাঁর পরিবার বর্তমানে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকার পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। ভোপালের প্রাক্তন নবাব হামিদুল্লাহ খানের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত এই সম্পত্তি ‘শত্রু সম্পত্তি আইন, ১৯৬৮’ এর আওতায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।

ইতিহাস অনুযায়ী, নবাব হামিদুল্লাহ খানের তিন কন্যার মধ্যে জ্যেষ্ঠ কন্যা আবিদা সুলতান দেশভাগের পর পাকিস্তানে চলে যান। ফলে, তাঁর উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে, মেজো কন্যা সাজিদা সুলতান ভারতে থেকে যান এবং তাঁকে নবাবের উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সাজিদার পুত্র মনসুর আলি খান পতৌদি এবং পরবর্তীতে তাঁর সন্তান সইফ আলি খান এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। ২০১৫ সালে, শর্মিলা ঠাকুর ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ‘শত্রু সম্পত্তি’ ঘোষণার বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আপিল করেন এবং স্থগিতাদেশ পান। তবে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়, যার ফলে সম্পত্তি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে পারে। বর্তমানে, বলিউড তারকা সইফ আলি খান ও তাঁর পরিবার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা পেয়েছেন। তারা যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করেন, তবে সম্পত্তিগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

এই আইনি প্রক্রিয়া সম্পত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে, এবং পতৌদি পরিবারের ঐতিহ্যবাহী সম্পত্তি রক্ষার জন্য তারা কি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন?

ভারতীয়

 ভারতীয় জনতা পার্টির সংগঠন অনেক শক্তিশালী, ত্রিপুরা রাজ্যে: মুখ্যমন্ত্রী

ভারতীয় জনতা পার্টিতে কাজের মাধ্যমেই বিশ্বাস অর্জন করে নিতে হবে। তাই এখানে গ্রুপের কোন প্রয়োজন হয় না। কাজের মধ্য দিয়ে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলতে হবে। ত্রিপুরা রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির সংগঠন অনেক শক্তিশালী। বৃহস্পতিবার টাউন বড়দোয়ালি মন্ডলের বুথ সভাপতিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। সভায় বিভিন্ন ইস্যুতে সিপিএম ও কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

সভায় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে সারা রাজ্য জুড়ে ভারতীয় জনতা পার্টির নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। যা জেলা সভাপতি পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যারা নির্বাচিত হয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছেন আমি তাদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও হার্দিক অভিনন্দন জানাই। আগামীদিনে বড়দোয়ালি মন্ডল যাতে একটা মডেল মন্ডল হিসেবে পরিচিতি পায় সেই দিশায় কাজ করবেন তারা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কাজের মাধ্যমে বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। যে কাজ করবেন তিনি বিশ্বাস অর্জন করবেন। ভারতীয় জনতা পার্টিতে কাজের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। কাজ ছাড়া নিত্যদিন আসলে গেলেও কাজের কাজ কিছুই হবে না। এমন একটা পার্টির প্ল্যাটফর্মে আমরা রয়েছি। আগামীদিনে এই প্ল্যাটফর্ম সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। এতে গ্রুপ করার কোন প্রয়োজন হয় না। কাজের নিরিখেই পদের নির্বাচন হয়। তাই কাজের কোন বিকল্প নেই। কাজের মাধ্যমেই একেকজনের পরিচিতি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার বুথ শক্তিশালী বুথ আমরা সবসময় বলি। আমি যখন ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করি তখন যে কাজই দেওয়া হোক সেটা মনেপ্রাণে করার চেষ্টা করি।আর সিপিএম পার্টি মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তাদের জন্যই কাজ করার তাগিদ এসেছে যে, যেভাবেই হোক সিপিএম পার্টিকে এখান থেকে সরাতে হবে। এজন্যই ২০১৮ নির্বাচনে এত ভোটে, এত আসন সংখ্যা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি আমরা। ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণের পর মানুষের একটা বিশ্বাস এসেছে। মানুষের বিশ্বাস হয়েছে যে একমাত্র তিনিই পারবেন ত্রিপুরাকে কমিউনিস্ট মুক্ত করতে। এরআগে কংগ্রেসের প্রতি মানুষের বিশ্বাস ছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি এখানে তাদের কুস্তি, আর দিল্লিতে দোস্তি। মানুষ বারবার বিশ্বাস করেছে তাদের। আর বারবার ধোঁকা খেয়েছে। তাই বুথের দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও যখন যে দায়িত্ব দেওয়া হবে তখন মনোযোগ সহকারে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। “আমার ক্ষেত্রে কখন আমি মুখ্যমন্ত্রী হবো কিংবা রাজ্য সভাপতি হবো – সেটা মাথাতেই ছিল না।” কিন্তু মানুষের জন্য নীরবে কাজ করে গিয়েছি। ট্রেনে চড়ে একা একা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতে গিয়েছি। যখনই যে কাজ দেওয়া হয়েছে মনেপ্রাণে করার চেষ্টা করেছি। সভায় মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আমাকে মেম্বারশিপ ড্রাইভের ইনচার্জের দায়িত্ব যখন দেওয়া হয় তখন সাকুল্যে ১ লক্ষ ২৪ হাজার মেম্বার ছিলেন। আমাকে টার্গেট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে আমি ৩ লাখ বলি। আর সেই ৩ লাখ থেকে একেবারে প্রায় ৭ লাখ পর্যন্ত মেম্বার বানাতে সমর্থ হই আমরা। দিল্লিতেও এনিয়ে আমাদের কাজকর্ম প্রশংসিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। আমাদের ত্রিপুরায় ভারতীয় জনতা পার্টির সংগঠন অনেক শক্তিশালী। আমাদের কার্যকর্তাগণও সাংগঠনিক কাজকর্মে খুবই আন্তরিক।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, সদর আরবান জেলার জেলা সভাপতি অসীম ভট্টাচার্য, ৮ বড়দোয়ালি মন্ডলের সভাপতি শ্যামল কুমার দেব, বড়দোয়ালি মন্ডলের প্রভারী সুব্রত চক্রবর্তী, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি সঞ্জয় সাহা সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত বুথ সভাপতি, বুথ কমিটির সদস্য সহ অন্যান্য কার্যকর্তাগণ।

নেতাজি

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্ম দিবস পালিত হল ত্রিপুরা রাজ্যেও!

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্ম দিবস পালিত হচ্ছে আজ। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশের সাথে ত্রিপুরা রাজ্যেও পালিত হচ্ছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু জন্ম দিবস। রাজ্যের মূল অনুষ্ঠানটি হয় নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতন মাঠে। ১৯৫১ সাল থেকে নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের উদ্যোগে নেতাজির জন্ম দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন হয়ে আসছে। এবছর এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। তিনি জাতীয় পতাকার উত্তোলন করেন এবং পরে নেতাজির প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। আজাদহীন ফৌজের পতাকা উত্তোলন করেন বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সহ-সভাপতি ডাক্তার দিলীপ দাস। জয়হিন্দ স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। কাক ভোর থেকেই নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের ছাত্র-ছাত্রীরা সাজসজ্জা শুরু করে। সকাল থেকেই রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে ছিল উৎসাহী মানুষ। মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ইতিহাসের চিরস্মরণীয় কিংবদন্তি নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন।অপসহীন যোদ্ধা নেতাজি সুভাষকে আরো বেশি করে জানতে যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন নেতাজির দেশপ্রেম উপলব্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি যুব সমাজের কাছে প্রেরণা।কংগ্রেসের নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন নেতাজিকে এতদিন সম্মান দেয়নি দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতাজিকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিবছরের মত এ বছরও নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা নানা বিষয় নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। প্রায় ২৪ টি নানা বিষয়ে তুলে ধরে ছাত্রছাত্রীরা; ছিল আটটি চলমান টেবলু। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বঙ্গসংস্কৃতির অন্তরালে বহুরূপী আজও কথা বলে। নবম শ্রেণীর ছাত্ররা এই ভাবনার প্রতিফলন ঘটিয়েছে শোভাযাত্রায়। এছাড়াও ছিল সবাই মিলে গর্ব মোরা নিপুন ত্রিপুরা। শীতের আকর্ষণ সুস্বাদু খেজুরের রস, বসন্তের ছোঁয়া লেগেছে মনের আঙ্গিনায় সহ নানা বিষয়। বর্তমান যুগে হারিয়ে যাচ্ছে কীর্তন, কীর্তনের মনে প্রশান্তি আসে। আর এই বার্তা নিয়ে শোভাযাত্রায় নেতাজি স্কুলের ছাত্ররা অংশ নেয়। সবমিলিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ঘিরে মাঘের শীতকে উপেক্ষা করে রাস্তার দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিল অসংখ্য মানুষ।। শোভাযাত্রা আগরতলা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আবার বিদ্যালয় ফিরে আসে।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা রাজ্যে AIDS এর মরণফাঁধ থেকে রক্ষা পাচ্ছ না, ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষকরাও!

ত্রিপুরা রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনগুলো ক্রমশ HIV ও AIDS এর জন্য স্পর্শ কাতর হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা গণহারে মারন ব্যাধি AIDS এ আক্রান্ত হচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, AIDS এ আক্রান্ত এসব ছাত্র-ছাত্রীদের প্রায় সবার বয়স ২০ বছরেরও কম। এমন নয় যে, এরা সবাই গরীব ঘরের ছেলে-মেয়ে। আর্থিক ভাবে সচ্ছল এবং শহরের বনেদি পরিবারের ছেলে-মেয়েরাই বেশিরভাগ আজ আক্রান্ত হচ্ছে এই মারন ব্যাধিতে। ইতিমধ্যেই রাজ্য এইডস্ কন্ট্রোল বোর্ড রাজ্যের ২২৪ টি স্কুল এবং ২৪ টি কলেজকে AIDS প্রবন বলে চিহ্নিত করেছে। শুধু ছাত্র-ছাত্রীরাই নয়, AIDS রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ত্রিপুরা রাজ্যের স্কুলের শিক্ষকরাও।

অতিসত্বর স্কুল-কলেজগুলোতে সচেতনতা মুলক কর্মসূচি, AIDS সনাক্তকরন কর্মসূচি শুরু করা দরকার। এক সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কলেজগুলোতে যেভাবে AIDS বাড়ছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং কলেজগুলোতে নিয়মিত সনাক্তকরন শিবির করার উপর জোর দিয়েছিলেন। ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝাতে হবে; তাদের সুস্থভাবে বাঁচার জন্য পরামর্শ দিতে হবে; AIDS এর ভয়াবহ দিক তুলে ধরতে হবে; কোথায় কি? বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে কে? কোন ফলপ্রসু কর্মসূচিই নেই! জানা গেছে ইতিমধ্যেই বেশ কজন স্কুল শিক্ষক AIDS রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং তারা এইডস্ কন্ট্রোল বোর্ডের নিয়মিত চিকিৎসার আওতায় রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টি খুবই উদ্বেগের। কেননা, এভাবে স্কুল কলেজে AIDS সংক্রমিত হতে থাকলে নিকট ভবিষ্যতে সমাজকে তার কঠিন মূল্য দিতে হবে; তার বড় কারন হলো প্রতিনিয়ত AIDS রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ জন AIDS রোগী সনাক্ত হচ্ছে রাজ্যে। বছরে প্রায় ২০০০ জন AIDS রোগী এই মুহুর্তে সনাক্ত হচ্ছে ত্রিপুরা রাজ্যে। লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো, এই সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে; ফলে আজ নামী খেলোয়াড় থেকে শুরু করে ধনাঢ্য পরিবারের সদস্যরাও এই রোগের কবল  থেকে রেহাই পাচ্ছো না। এই মারন ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও; এই মুহুর্তে রাজ্যে ১৬৮ জন শিশুর মধ্যে HIV পজেটিভ পাওয়া গেছে। সচেতনাই একমাত্র এই মরণফাদ থেকে মুক্তির উপায়; আর এই সচেতনতার অভাবই ডেকে আনছে এক মহাবিনাশ।

ত্রিপুরা রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, AIDS এ সংক্রমিত হওয়ার মূল মাধ্যম শিড়া পথে ড্রাগস্ গ্রহন। ত্রিপুরা রাজ্য AIDS কন্ট্রোল বোর্ডের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, রাজ্যে প্রতি ১০০ জন HIV পজেটিভ রুগীর মধ্যে ৮০ জনই আক্রান্ত হয়েছে শিড়া পথে ড্রাগস্ সেবনের মাধ্যমে। তবে যেভাবে রাজ্যে AIDS সংক্রমিত হচ্ছে তা ঠেকানোর জন্য রাজ্য AIDS কন্ট্রোল বোর্ডের লোক বল নেই বললেই চলে; মাত্র ২৭ জন কর্মী দিয়ে চলছে রাজ্য AIDS কন্ট্রোল বোর্ড। যদিও গোটা রাজ্যে এই মুহুর্তে ১৩২ টি HIV টেস্টিং সেন্টার রয়েছে; তবে যেভাবে রোগ সংক্রমিত হচ্ছে, তাতে সামাজিক উদ্যোগ ছাড়া এই রোগের সংক্রমন ঠেকানো সম্ভব নয় বলে মতামত অভিজ্ঞ মহলের।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ডেস্টিনেশন,  ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারী!

ত্রিপুরা রাজ্যে এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত হয়েছে, যার ফলে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ ও তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার চাইছে বহিরাজের বাণিজ্যিক সংস্থাগুলি রাজ্যে এসে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাক।

ত্রিপুরা সরকার চাইছে এবার ব্যবসার ‘ডেস্টিনেশন’ হোক এই রাজ্য। ব্যবসার ক্ষেত্রে সবাই যাতে ত্রিপুরায় আসেন এবং সেখানে বিনিয়োগ করেন। এর আগে অর্থাৎ ২০২৩ সালের বারানসিতে শোকেজিং ত্রিপুরা শীর্ষক বিজনেস কনক্লেভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই রাজ্যে। রাজ্যের কুইন প্রজাতির আনারসকে তুলে ধরে রাজ্যের ব্যবসা আরও বাড়াতে চাইছে সরকার। সেই লক্ষ্য নিয়ে বারানসীতে নিজেদের কুই্যন প্রজাতির আনারসকে তুলে ধরেন সরকার। এই আনারসের সঙ্গে বিভিন্ন কৃষিজাত জিনিস, ত্রিপুরার বিভিন্ন হস্তশিল্প, রাবার এবং বাঁশের তৈরি নানা সৌখিন দ্রব্য তুলে ধরা হল বারানসীতে। এই সঙ্গে তুলে ধরা হয় ত্রিপুরার পর্যটনকেও। ত্রিপুরা প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর একটি রাজ‍্য। এখানে উৎপাদিত বাঁশ থেকে খুবই উন্নত মানের বাঁশের সামগ্রী তৈরি করা যায়। এর পাশাপাশি ত্রিপুরায় উৎপাদিত রবারের গুণমানও খুবই ভাল। যে কোন রাজ্যের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা একটা খুবই গুরত্বপূর্ণ‍্য ভূমিকা রাখে; সেক্ষেত্রে ত্রিপুরায় সড়ক যোগাযোগ, রেল যোগাযোগ এবং আকাশ পথে যোগাযোগ ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে। তাই সবদিক দিয়েই ত্রিপুরার আগামী ভবিষ্যত খুবই উজ্জ্বল।

২০২৩ সালের ৩ মে শিল্প সামিটে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার উপস্থিতিতে ৮ জন শিল্প উদ্যোগপতির সঙ্গে ৩১২.৩৮ কোটি টাকার মৌ স্বাক্ষর করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বিভিন্ন সময়ে বহিরাজ্যে বিজনেস কনক্লেভে অংশ নিয়ে উদ্যোগপতিদের রাজ্যে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এর ফাকে দেশের শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির সাথে দেখা করেছেন এবং রাজ্যে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার রাজ্যে হচ্ছে ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ। আগামী সাত এবং আট ফেব্রুয়ারি শহরের একটি বেসরকারি হোটেলে এই বিজনেস কনক্লেভ হবে। আর এই বিজনেস কনক্লেভ থেকে ৬০০টির বেশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌ স্বাক্ষরিত হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সান্তনা চাকমা। রাজ্যে পর্যটন ক্ষেত্রকে শিল্পের রূপ দেওয়া হয়েছে।রাজ্য ও বহিরাজ্যের পর্যটকরা রাজ্যে আসছেন। রাজস্ব সংগ্রহ বেড়েছে। পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্র গুলিরও পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। এই পর্যটনকে ভিত্তি করে রাজ্য ও বহিরাজ্যের সংস্থাকে ডেকে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা যে পর্যটকবান্ধব, সেখানে সহজে যাওয়া যায় এবং নিরাপদে সব জায়গায় ঘোরা যায় সেটাও সবার সামনে তুলে ধরা হবে। ত্রিপুরাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান বিনিয়োগের স্থান হিসেবে তুলে ধরার জন্যই এই কনক্লেভের আয়োজন করা হয়েছে। কনক্লেভে রাজ্যের পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, আইটি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ নিয়েও আলোচনা হবে। রাজ্যে কি কি সুবিধা রয়েছে সেগুলো তুলে ধরা হবে; ‘লক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো’। রাজ্যের বিভিন্ন হস্তশিল্প, রাবার এবং বাঁশের তৈরি নানা সৌখিন দ্রব্য তুলে ধরা হবে কনক্লেভে। রাজ্যে গত সাতটি অর্থবছরে ১৪১ টি ইউনিট ৯৯৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৭টি ইউনিট ৮৮.৩২৫ কোটি, ২০১৯ -২০অর্থবছরে আঠাশটি ইউনিট ১৪২ দশমিক ৭৪৫ কোটি। ২০২১-২২ অর্থ বছরে ২২ টি ইউনিট ৩৩.৬২১ কোটি, ২০২১ – ২২ অর্থ বছরে ২৫টি ইউনিট ৮০.২২ কোটি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৩ টি ইউনিট ১৬২.৯৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। অপরদিকে ২০২৩ -২৪ অর্থ বছরে ২৩ টি ইউনিট ৫৭.৪৮ কোটি। ২০২৪- ২৫ অর্থবছরের ২৬ টি ইউনিট ৪২৮.৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলে তথ্য দিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী। কনক্লেভে রাজ্যের স্থানীয় নানা শিল্প, উৎপাদন, হস্তশিল্পকে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। এই সমস্ত শিল্পকে আরও বেশি করে তুলে ধরতে এ ধরনের কনক্লেভের আয়োজন।