ক্রীড়া

ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায়ের সাংবাদিক সম্মেলন!

ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষনে টেলেন্টস সার্চ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। আজ আগরতলার রাজ্য সরকারী অতিথিশালা সোনারতরীতে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী টিংকু রায় এ কথা বলেন। তিনি জানান, ১০ বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। ফুটবল, কবাডি, খো-খো এবং এথলেটিক্স এই চার বিভাগে হবে প্রতিযোগিতা। আগামী ১ লা ফেব্রুয়ারী থেকে ২৮ শে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত রাজ্যের ৫৮ টি ব্লককে চারটি জোনে বিভক্ত করে প্রথমে মহকুমা স্তরে, পরে জেলা স্তর ও রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় বাছাইকরা ক্রীড়া প্রতিভাদের আরও ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, এই টেলেন্ট সার্চ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে আজ এখানে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে ক্রীড়া মন্ত্রী ছাড়াও সব জেলার জেলা সভাধিপতি , আগরতলা পুর পরিষদের ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, ক্রীড়া সচিব ডঃ প্রদীপ চক্রবর্তী জিমনাস্টিক কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী টিংকু রায় জানান, গত ২ বছরে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যপক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রচুর পদক লাভ করেছে। এছাড়া জাতীয় গেমসে অংশগ্রহনকারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মন্ত্রী টিংকু রায়।

নেজাতি

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের, নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন !

নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতন পূর্বের ঐতিহ্য বজায় রেখে এই বছরও নেজাতি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী উদযাপন করবে । আজ আগরতলায় বিদ্যালয় চত্বরে সাংবাদিক সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মজুমদার জানান, আগামী ২৩ শে জানুয়ারি সকাল ৮টায় বিদ্যানিকেতনের মাঠে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা জন্ম জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন৷ শ্রীমতি মজুমদার জানান, এবছর তৃতীয় শ্রেনী থেকে শুরু করো একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ২৬ টি থিম তৈরী করা হয়েছে। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণী ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষা আসন্ন থাকায় তারা কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না। দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা শঙ্খবাহিনীতে যোগ দেবেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জানান, ১৯৫০ সাল থেকে বিদ্যালয়ে প্রতিবছর নেতাজী জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করা হচ্ছে ৷ বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রী ছাড়া বিভিন্ন এনজিও, ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করে ৷ এবছর অনেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ট্যাবলুতে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ৷ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নেতাজি সুভাষ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষিকা মীনারানী কলই , শিক্ষক সুদীপ্ত শেখর মিশ্র সহ অন্যরা।

বিদ্যুৎ

বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ, পিএম সূর্য ঘর যোজনার নাম নথিভুক্ত করনের শিবিরের উদ্বোধন করেছেন

বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ আজ বড়দোয়ালি বিদ্যুৎ বিভাগে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনার নাম নথিভুক্ত করনের বিশেষ শিবিরের উদ্বোধন করেছেন । বিদ্যুৎ মন্ত্রী অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনা আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গঠনের লক্ষ্য পূরণের জন্য অন্যতম একটি প্রকল্প। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিজের বিদ্যুতের চাহিদা নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবে ভর্তুকি দিয়ে সোলার প্ল্যাট দেওয়া হচ্ছে। মোট ১৪ টি সংস্থা এগুলি লাগানোর কাজ করছে। মন্ত্রী জানান, একবার সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে বহুবছর এর থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। বাড়ির টিনের ছাউনি অথবা ছাদেও সোলার প্লেট বসানো যাবে। রাজ্যের ব্লক, পুর নিগমের ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় শিবির করে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলী যোজনার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এদিন বড়দোয়ালিতে বিশেষ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন, বিধায়িকা মিনা সরকার , বিদ্যুৎ সচিব অভিষেক সিং, ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ লিমিটেডের মাননীয় ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ বসু সহ অন্যরা ।

আগরতলা

আগরতলা গভর্নমেন্ট ডেন্টাল কলেজকে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ বানানোর স্বপ্ন দেখছেন ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী!

আগরতলা প্রজ্ঞা ভবনে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অন্তর্গত ন্যাশনাল oral হেলথ প্রোগ্রাম ও ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় দন্ত চিকিৎসক দিবসের স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠান ও ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার ২৩তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা।

ঐ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা বলেছেন আগরতলা গভর্নমেন্ট ডেন্টাল কলেজকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তিনি বলেন একজন চিকিৎসকের ভাবমূর্তি অন্যান্য মানুষদের ভালো কিছু করার লক্ষ্যে উৎসাহিত করবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্য সরকার ডেন্টাল শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যায় বিশ্বব্যাপী উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে, সকলের জন্য মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন ত্রিপুরার জন্য এটা গর্বের ব্যাপার যে ত্রিপুরার ২৮শতাংশ দন্ত চিকিৎসকরা সরকারি পরিষেবায় যুক্ত আছে। অথচ জাতীয় স্তরে তা রয়েছে মাত্র ২শতাংশ। তিনি বলেন বর্তমান সরকার দন্ত চিকিৎসাকে প্রাধান্য দিয়ে আগরতলা সরকারি ডেন্টাল কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন দাঁতের ও মুখের রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংস্থার সাথে অ্যাসোসিয়েশনকেও গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে তিনি পরামর্শ প্রদান করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্যে যেভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে তাতে খুব শীঘ্রই এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে বলেন দন্ত চিকিৎসা মানুষের কাছে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ই করার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ সঞ্জীব দেব্বর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের মিশন অধিকর্তা ডাঃ শমিত রায় চৌধুরী, পরিবার কল্যাণ ও প্রিভিন্টিভ মেডিসিনের অধিকর্তা অঞ্জন দাস, আগরতলা সরকারি ডেন্টাল কলেজের অধক্ষা ডাঃ শালু রাই সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা। স্বাগত ভাষণ রাখেন ইন্ডিয়ান ডেন্টাল এসোসিয়েশন, ত্রিপুরা শাখার সভাপতি ডাঃ এস এম আলী। অনুষ্ঠানে দন্ত চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজের বিশেষ অবদানের জন্য ডাঃ উৎপল চন্দকে সন্মাননা প্রদান করা হয়। তাছাড়া অনুষ্ঠানে স্মরণিকা ও প্রকাশ করা হয়।