NIT

NIT আগরতলার ১৭ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান, আগামী ১৮ ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

NIT আগরতলার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার আগরতলা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করেন NIT আগরতলার ডিরেক্টর প্রফেসর ডক্টর এস কে পাত্রা। তিনি জানান আগামী ১৮ ই জানুয়ারি, এন আই টি আগরতলার ১৭ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আই আই ই এস টি শিবপুর এর প্রাক্তন অধি কর্তা পদ্মশ্রী প্রফেসর অজয় কুমার রয়। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন এন আই টি আগরতলার চেয়ারম্যান শ্রী বিনোদ বাউরী। এছাড়াও অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ডিরেক্টর ডক্টর এসকে পাত্রা এন আই টি আগরতলার বিস্তারিত শিক্ষা সম্বন্ধীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে কোন কোন বিভাগে কে কে পুরস্কৃত হবেন এবং সম্মাননা জানানো হবে তাদের সম্বন্ধেও বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

কেন্দ্রীয়

কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা দিতে পারে।

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য সারা দেশে চালু হচ্ছে অষ্টম বেতন কমিশন। যদিও অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে সরকার এখনো কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে নি। তবে অষ্টম বেতন কমিশন চালু হলে ৬৮ লক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং ৪২ লক্ষ পেনশনধারীর মাস মায়না দ্বিগুণ বাড়বে এবং বেতন বাড়বে ৩ গুণ। তবে এতে বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা কোন উপকৃত হবেন কিনা তা নির্ভর করে বিভিন্ন রাজ্য সরকারগুলির উপর।

যদি কেন্দ্রীয় সরকার কর্মচারীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৮৬ করে দেয়, তবে কর্মচারীদের সর্বনিম্ন পেনশন ৯০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকার বেশি হতে পারে। আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারী অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করবেন।

সরকার ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা দিতে পারে। এই কারণেই কর্মচারী ইউনিয়ন, কেবিনেট সচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি ১০ বছরে একটি নতুন বেতন কমিশন গঠন করে। তবে আইনগতভাবে এরজন্য কোনও নির্দিষ্ট বিধান নেই। ৭ম বেতন কমিশনের গঠন করা হয়েছিল ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এরপর ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর করা হয়েছিল। এর অধীনে সর্বনিম্ন বেতন ৭০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮,০০০ টাকা করা হয়েছিল। এবার অষ্টম বেতন কমিশন চালু হলে বেতন ও পেনশন দ্বিগুণ হবে। আশায় আছেন কর্মচারী কুল! সরকারের এই পদক্ষেপকে কর্মচারীদের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয়

পুলিশ সপ্তাহ শুরু হয়েছে আজ থেকে।

পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় অরুন্ধতীনগরস্থিত মনোরঞ্জন দেববর্মা স্মৃতি স্টেডিয়ামে, অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করতে রাজ্য পুলিশ কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক। মানুষের আস্থা অর্জন করার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশের যে সুনাম রয়েছে সেই সুনাম যাতে অক্ষুন্ন থাকে তার জন্য পুলিশ কর্মীদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলাকে প্রাধান্য দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে বলেন তিনি।

পুলিশ কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালু করার চিন্তাভাবনা করছে স্বাস্থ্য দপ্তর। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে সম্মিলিত বাহিনীর কৃচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং পরে অভিবাদন গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী তথ্য দিয়ে জানান ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে সামগ্রিক অপরাধ ১৯.৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ ৪৫ শতাংশ কমেছে। হামলার ঘটনা ৩৭.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মহিলাদের উপর সংঘটিত অপরাধ ৫৫ শতাংশ কমেছে বলে তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন নেশা বিরোধী অভিযানে সাফল্য আসছে। গত তিন বছরে এক হাজার ছয়শো সাতটি এনডিপিএস মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ৩০৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন গত তিন বছরে ১৬৮৬ কোটি টাকার নেশা সামগ্রী আটক করা হয়েছে। তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০১৪ সালে ১৮ শতাংশের বেশি অনুপ্রবেশকারীদের আটক করা হয়েছে। গ্রেফতার বেড়েছে ৩৬ দশমিক ছয় শতাংশ। তিনি বলেন রাজ্য পুলিশকে আধুনিক করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে পশ্চিম এবং পূর্ব থানাকে আধুনিক করা হবে এবং বহুতল বাড়ি তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।যাতে পুলিশ অফিসাররা সেই বাড়িতে থাকতে পারেন সেই ব্যবস্থাও থাকবে। পুলিশ সদর দপ্তর নির্মাণ করার প্রয়াস জারি রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ২০২৪ সালে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার কাজল ঘোষ।। সেরা তদন্তকারী অফিসারের পুরস্কার পেয়েছেন দামছাড়া থানার সঞ্জয় মজুমদার। টিএসআরের তৃতীয় বাহিনী পেয়েছে সেরার পুরস্কার। মুখ্যমন্ত্রী তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন৷ সম্মিলিত বাহিনীর কুচকাওয়াজে সেরা বাহিনীকেও পুরস্কৃত করা হয়েছে। পরে ৭৩ জন পুলিশ আধিকারিকদের ডিজিপি ডিস্ক প্রদান করেন পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন৷ ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পরীক্ষায় পুলিশ পরিবারের সফল ছেলেমেয়েদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।

ত্রিপুরা

ত্রিপুরা রাজ্যের বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য শুধুমাত্র মানুষের সার্বিক বিকাশ ও কল্যাণ!

ত্রিপুরা রাজ্যের বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও বিকশিত ত্রিপুরা গড়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সর্বাত্মক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের উন্নয়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। আজ বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। তিনি বলেন, রাজ্যের উন্নয়নের বিষয়ে যখনই কোন প্রয়োজন হয়েছে তখনই কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের জনগণের কল্যাণে উদার মানসিকতা নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। গত আগস্ট মাসের রাজ্যের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যের নাগরিকদের সহযোগিতায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। এজন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মচারি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, রাজনৈতিক দলসমূহ এবং দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে রাজ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। মহিলাদের উপর সংঘটিত অপরাধ গত বছরের তুলনায় ৮.৪৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। রাজ্যে এন্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট চালু করা হয়েছে। গত ৩ বছরে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় এনডিপিএস সংক্রান্ত ১,৬৬৫টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২,৬৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বছর মোট ৮৬৭ কোটি ৪৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৬৩ টাকার নেশাসামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার মহিলাদের ক্ষমতায়ণের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। গত বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী কন্যা আত্মনির্ভর যোজনা নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মহিলাদের টিএসআর ব্যাটেলিয়ানে জওয়ান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। সরকারি চাকুরিতে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৯টি মহিলা থানা চালু করা হয়েছে।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে ৯১,৮৭১ জন লাখপতি দিদি রয়েছেন। রাজ্যের স্বসহায়ক দলের দিদিদের সশক্ত করতে সরকার ৭৪৬.৮ কোটি টাকার ফান্ড প্রদান করেছে। ২০১৮ সালের পর ১৪৬৫.৮১ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক লোন দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। ফলে রাজ্যের রোগীদের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার প্রবণতা এবং প্রয়োজনীয়তা অনেক কমেছে। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি পরিষেবার ক্ষেত্রটিও উন্নত হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনজাতি গোষ্ঠীর সামাজিক অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নকে একটি অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে রাজ্য সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি উন্নয়ন যোজনায় ২,০৭৩ জন সুবিধাভোগীকে উপার্জনশীল কাজ হাতে নেওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী রাবার মিশনে ২৩, ১৭৭ হেক্টর রাবার বাগানের জন্য ২৮,১৪৯ জন সুবিধাভোগী উপকৃত হয়েছেন। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বলেন, রাজ্যপালের ভাষণে সরকারি উদ্যোগ, নীতি ও কর্মসূচি প্রতিফলিত হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে যেসকল কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিস্তারিত আলোচনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্যাটেলাইট টাউন ডেভেলপমেন্ট স্কিম’ এবং ‘মুখ্যমন্ত্রী নগর উন্নয়ন প্রকল্প’ চালু করেছে। যার জন্য আগামী ৫ বছরে ১,৫০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হবে। রাজ্যের শিল্প ও পরিষেবার ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করতে নতুন শিল্প নীতি ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগ ও ব্যবসা স্থাপনের জন্য সহায়তা দিতে আই-প্যাট গঠন করা হয়েছে। রাজ্যে উত্তরপূর্ব ভারতের তৃতীয় এবং রাজ্যের জন্য প্রথম চা নিলাম কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্থর কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। টাটা টেকনোলজিস লিমিটেডের সহযোগিতায় ১৯টি আইটিআই-এর উন্নয়ন করা হচ্ছে। ত্রিপুরা রাজ্য পর্যটন শিল্পে প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়নের প্রধান শর্তই হচ্ছে শান্তি। গত ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ভারত সরকার, এনএলএফটি ও এটিটিএফ’র সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে কেন্দ্রীয় জনজাতি সম্প্রদায়ের উন্নয়নে ২৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ অনুমোদন হয়েছে।তাছাড়াও তিনি মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে যেসকল উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা রাজ্যপালের ভাষণের উপর বিরোধী দলের সদস্যদের আনা সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধীতা করে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।বিধানসভায় আজ রাজ্যপালের ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের সমর্থনে পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্যপালের ভাষণে রাজ্যের এগিয়ে চলার সুস্পষ্ট প্রতিফলন রয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালে যে পরিমাণ পর্যটক এসেছিল তার থেকে ৬ লক্ষাধিক পর্যটক গত ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যে এসেছেন।বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও মৎস্যমন্ত্রী শুধাংশু দাস বলেন, প্রাণীপালক এবং বেকারদের পশুপালনে উৎসাহিত করতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজ্যে প্রাণীপালন সম্মান নিধি চালু করা হয়েছে। এতে রাজ্যে ৫ হাজার প্রাণীপালককে বছরে ৬০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্গ দর্শনে রাজ্যে বহুমুখী উন্নয়নের কাজ এগিয়ে চলছে। রাজ্যপালের ভাষণে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

বিধানসভায় আজ রাজ্যপালের ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার, বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব, বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমা। বিরোধীদের আনা সংশোধনী প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়, বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস, বিধায়ক ইসলামউদ্দীন, বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী, বিধায়ক রামু দাস, বিধায়ক অশোক চন্দ্র মিত্র, বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা, বিধায়ক দীপঙ্কর সেন, বিধায়ক সুদীপ সরকার, বিধায়ক নয়ন সরকার, বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ। সভা শেষে রাজ্যপালের ভাষণের উপর পরিষদীয় মন্ত্রী রতনলাল নাথ কর্তৃক আনিত ধন্যবাদসূচক প্রস্তাবটি ধনী ভোটে গৃহীত হয় এবং বিরোধীদের আনা সংশোধনী পস্তার বাতিল করা হয়।