শ্যামলী আক্রান্ত বাংলাদেশে

বাংলাদেশে আক্রান্ত ত্রিপুরার বাস শ্যামলী!

ত্রিপুরা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোডে আক্রান্ত হয়েছে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস গাড়ি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গাড়িতে থাকা ভারতীয় যাত্রীরা।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। জানান, বাসটি বিশ্বরোডের এক পাস ধরেই যাচ্ছিলো। হঠাৎ বাসটিকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দুর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক। একই সময়ে রাস্তায় থাকা একটি অটো বাসের সামনে চলে আসে এবং শ্যামলী বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকে। তাদের সামনেই ভারত বিরোধী নানা স্লোগান দেয় এবং কটু মন্তব্য করে যাত্রীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীরা। পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন এবং বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য সেদেশের প্রশাসনকে দ্রুত হস্তক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।About Us

মর্মান্তিক মৃত্যু

খোয়াই নদীর বাঁধের পাড় থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু!

খোয়াই নদী স্থিত চাকমাঘাটের বাঁধের পার বাঁধানো সিঁড়ি থেকে পরে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির! মৃত ব্যক্তির নাম নেপাল দেবনাথ(৪৮)। ঘটনা, শুক্রবার গভীর রাতে তেলিয়ামুড়া থানাধীন চাকমাঘাট এলাকায়।

পরিবারের লোকজনদের বক্তব্য অনুযায়ী খবরে প্রকাশ, মৃত নেপাল দেবনাথ নাকি অধিকাংশ সময় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় থাকতো। শুক্রবার রাতেও নাকি নেপাল দেবনাথ নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চাকমাঘাট এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল। স্থানীয় লোকজনদের প্রাথমিক ধারণা, হয়তো অতিরিক্ত নেশাগ্রস্থ অবস্থায় থাকার ফলে সিঁড়ি থেকে নিচে পড়ে যায় নেপাল দেবনাথ। আর এতেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয় নেপাল দেবনাথের।

এলাকার লোকজন তৎক্ষণাৎ ঘটনার খবর পাঠায় তেলিয়ামুড়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীদের, ঘটনার খবর পেয়ে তেলিয়ামুড়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে নেপাল দেবনাথের দেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নেপাল দেবনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেয়। পরবর্তীতে শনিবার দুপুরে পুলিশের উপস্থিতিতে নেপাল দেবনাথের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করা হয় তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের মর্গে। শুক্রবার রাতের এই ঘটনার জেরে গোটা চাকমাঘাট সহ এর আশপাশ এলাকায় ব্যাপক শোকের আবহ বিরাজ করছে।।About Us

স্ট্রীট ভেন্ডরদের ঋন প্রদান

স্ট্রীট ভেন্ডরদের আত্মনির্ভর করে তুলতে ঋন প্রদান!

আগরতলা শহরের স্ট্রিট ভেন্ডারদের আত্মনির্ভরশীল করতে তাদের ঋন প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে পুর নিগম। ১৪১৭ জন ভেন্ডারকে এখন পর্যন্ত ঋন প্রদান করা হয়েছে। কোভিড- মহামারিতে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে স্ট্রীট ভেন্ডররা আর্থিকভাবে বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী পিএম স্বনিধি যোজনা নামে একটি স্কীম চালু করা হয়।

ভেন্ডরদের আর্থিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে । এই স্কীমে ভেন্ডরদের দশ হাজার টাকা জামানত মুক্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেই টাকা এক বছরের মধ্যে ফেরত দিলে পরবর্তীতে কুড়ি হাজার টাকা ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এভাবে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার সংস্থান রয়েছে এই স্কীমে।গত ১৮ নভেম্বর থেকে ২রা ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘স্ব-নিধি ভি স্বভিমান ভি পখোয়ারা’ এর পক্ষকাল ব্যাপী প্রচারনা অভিযানের অঙ্গ হিসেবে আগরতলা পুর নিগমের পূর্ব জোনাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্ট্রীট ভেন্ডরদের হাতে চেক তুলে দেন মেয়র দীপক মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব জোনের চেয়ারম্যান কর্পোরেটর সুখময় সাহা সহ পূর্ব জোনের অন্যান্য কর্পুরেটরগন।

এই ঋণ প্রদানের পাশাপাশি ভেন্ডরদের জন্য স্বাস্থ্য শিবিরের ও আয়োজন করা হয়। মেয়র দীপক মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাধারা কে মান্যতা দিয়ে আগরতলা পুর নিগম এলাকার স্ট্রীট ভেন্ডরদের আর্থিকভাবে আত্মনির্ভর করার লক্ষ্যে জামানত মুক্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে । রাজ্য সরকারের ঐকান্তিক ইচ্ছা সকলকে আত্মনির্ভর করার। শুধুমাত্র শহরাঞ্চলের স্ট্রীট ভেন্ডরদেরই নয়, পুর এলাকার প্রতিটি ভেন্ডারকেই এই সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পুর নিগম এলাকায় ১৪১৭ জন স্ট্রীট ভেন্ডরকে ১০ হাজার টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। ৪৪৮ জনকে কুড়ি হাজার টাকা করে ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং ১১৩ জনকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি সময় মতো ঋণ পরিশোধ করার উপর গুরুত্ব দেন।About Us

রাজ্যে 4 দিনব্যাপী মিডিয়া ওয়ার্কশপ

রাজ্যে ৪ দিনব্যাপী মিডিয়া স্কিল ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপের উদ্বোধন!

রাজ্যের বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে আন্তরিক। সাংবাদিকদের সমস্যাগুলি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় আগরতলা প্রেস ক্লাবে ৪ দিনব্যাপী মিডিয়া স্কিল ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং আগরতলা প্রেস ক্লাবের লিফটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ কোনও অবস্থাতেই বরদাস্ত করা হয় না। অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে মিডিয়া এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। আগরতলা প্রেস ক্লাবে লিফট বসানোর ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যে সংবাদ জগতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় বহিরাজ্যের মিডিয়া এবং সংবাদপত্রের উপর রাজ্যের পাঠকবর্গ বেশি নির্ভরশীল হলেও এখন স্থানীয় সংবাদপত্রগুলির উপর পাঠক ও শ্রোতাগণের আকর্ষণ অনেকগুণ বেড়েছে। বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রেও গুণগত দিক দিয়ে চ্যানেলগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

ফেক নিউজ কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিউজ যাতে ভিউজ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, সব পেশার ক্ষেত্রেই কর্মশালা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির বিরাট ভূমিকা এসে গেছে। চ্যালেঞ্জিং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওয়ার্কশপে আলোচনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে বলেন, সংবাদমাধ্যম হচ্ছে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সমাজ গঠনে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। রাজ্যের সংবাদমাধ্যমের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ার সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ি এই ধরনের কর্মশালা আয়োজন করার জন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকতার পরিধি এখন অনেক বেড়েছে। প্রকৃত অর্থেই ট্রেডিশনাল মিডিয়া এখন এক চ্যালেঞ্জের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেকদিন পর রাজ্যে আসার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগরতলা বিমানবন্দর থেকে রাজ্য অতিথিশালায় আসার রাস্তার চেহারা দেখে বুঝা গেছে আগরতলা অনেক পাল্টে গেছে। উন্নয়নের যে ব্যাপক ছোঁয়া লেগেছে তা স্পষ্ট। এরজন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আগরতলা শহর যে ভবিষ্যতে মেট্রো শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে তা শহরে আসার পরই বুঝা গেছে।

আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য বলেন, আজ সাংবাদিকদের জন্য খুবই আনন্দের দিন। আগরতলা প্রেস ক্লাবে লিফট বসানোর উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। স্বাগত বক্তব্যে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ড. পি কে চক্রবর্তী বলেন, সমগ্র বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের দক্ষ করে তোলার জন্য এ ধরনের কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর নিয়মিতভাবেই এই ধরনের কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। সমাজের কল্যাণে সাংবাদিকরা অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করছে। সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে রাজ্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

তিনি জানান, আগরতলা প্রেস ক্লাবে লিফট বসাতে প্রায় ৭৮ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, আগরতলা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক রমাকান্ত দে। মুখ্যমন্ত্রী বিশিষ্ট সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ির হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন।About Us

এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির রেড রান


ত্রিপুরা এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির রেড রান প্রতিযোগিতা!

পশ্চিম জেলার AIDS কন্ট্রোল ইউনিটের উদ্যোগে ও ত্রিপুরা রাজ্য এইডস সোসাইটির সহযোগিতায় পশ্চিম জেলা ভিত্তিক রেড রান প্রতিযোগিতা আজ সকালে রাজধানী আগরতলায় অনুষ্ঠিত হয়। আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার উমাকান্ত একাডেমির সামনে থেকে এই রেড রানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র AIDS-র বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য এধরণের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই রোগ প্রতিরোধে সম্মেলিত ভাবে প্রয়াস চালাতে হবে। পরে পুরুষ ও মহিলা বিভাগে ৫ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতার শেষে উভয় বিভাগে প্রথম ১৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

About Us

অস্নাতক ও স্নাতক শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত

মন্ত্রিসভার বৈঠকে অস্নাতক ও স্নাতক শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত!

রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধীনে ১,৫৬৬ টি অস্নাতক ও স্নাতক শিক্ষকের পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ১,০৯৯টি অস্নাতক শিক্ষক পদ এবং ৪৬৭টি স্নাতক শিক্ষক পদ। আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পর্যটনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা জানান।

তিনি জানান, গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষক পদগুলি সৃষ্টি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া টিআরবিটি’র মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। তাছাড়াও গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের ১২৫টি বিদ্যাজ্যোতি বিদ্যালয়ের জন্য ১১২ জন স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফিক্সড-পে ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ করা হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে পর্যটনমন্ত্রী আরও জানান, গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে ১৯৮ জন জুনিয়র ইঞ্জিনীয়ার (ডিগ্রী-১০৫ ও ডিপ্লোমা-৯৩) নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। টিপিএসসি’র মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।About Us