2025 এ সরকারি ছুটি ২৯ দিন

2025 Holiday List

calendar 2025

নতুন ইংরেজি বছরে চারটি ছুটির দিন উপভোগ করতে পারবে না সরকারি কর্মচারীরা। প্রকাশিত ছুটির তালিকায় নতুন কোন সংযোজন নেই। ২০২৫ ইংরেজি বর্ষে সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। প্রকাশিত তালিকায় মোট ২৯ টি পূর্ণকালীন ছুটি থাকছে কর্মচারীদের জন্য। যদিও চারটি ছুটি, বন্ধের দিনে পড়ায় সেগুলির সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না তারা। যেমন প্রজাতন্ত্র দিবস, মহরম, মহালয়া, মহাত্মা গান্ধীর জন্ম জয়ন্তী। এছাড়াও রেস্ট্রিক্টেড হলিডে বা সীমাবদ্ধ ছুটি হিসাবে থাকছে মোট ১৩ টি। এরমধ্যে নিজেদের ইচ্ছানুসারে চার দিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন কর্মচারীরা। ত্রিপুরা সরকারের যুগ্ম সচিব অসীম সাহা স্বাক্ষরিত এই ছুটির তালিকাটি মঙ্গলবার ত্রিপুরা সচিবালয় থেকে প্রকাশিত হয়।

Government of Tripura, Calender for 2025 A.D.

২০২৫ Holiday ListAbout Us

সর্বশিক্ষা নিয়মিতকরনের আদালত অবমাননা মামলার শুনানি আদালতে!

সর্বশিক্ষা নিয়মিতকরনের আদালত অবমাননা মামলার শুনানি আদালতে!

আদালতের দেওয়া নির্দিষ্ট সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও রাজ্যের সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরন করা হয় নি। তিন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। শিক্ষা দপ্তরের সচিব রাবেল হেমেন্দ্র কুমার, বুনিয়াদি শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা তথা সমগ্র শিক্ষার রাজ্য প্রকল্প অধিকর্তা এন সি শর্মা এবং অর্থদপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার রাজ্য হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি অপরেশ কুমার সিংহ এবং বিচারপতি এস. দত্ত পুরকায়স্থ এর ডিভিশন বেঞ্চে সর্বশিক্ষার আদালত অবমাননা মামলার শুনানি হয়। আগামী তিন ডিসেম্বর আদালত অবমাননা মামলার পরবর্তী শুনানি। আদালত আধিকারিকদের নোটিশ জারি করে এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছে।

চলতি বছরের ১৬ জুলাই উচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরন করতে সি-টেট বা টি-টেট এর কোন প্রয়োজন নেই৷ তিন মাসের মধ‍্যে নিয়মিতকরনের স্কিমকে সংশোধন করে শিক্ষকদের নিয়মিত করতে হবে। উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের স্পষ্ট নির্দেশ, যে সব শিক্ষকের চাকুরীর বিজ্ঞাপন ২০২১ সালের ২৯ জুলাই এর পূর্বে প্রকাশিত হয়েছে সেই সব শিক্ষকদের নিয়মিতকরন করতে রাজ‍্য সরকার সি-টেট বা টি-টেট এর জন‍্য বাধ‍্য করাতে পারবে না। এই নির্দেশ তিন মাসের মধ‍্যে কার্যকর করতে হবে।

সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরন মামলার রায় প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের নিয়মিতকরন করা হয় নি। ফলে বাধ্য হয়ে তিন আধিকারিকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষা দপ্তর সচিব রেবেল হেমেন্দ্র কুমার, বুনিয়াদি শিক্ষা দপ্তরে অধিকর্তা তথা সমগ্র শিক্ষার রাজ‍্য প্রকল্প অধিকর্তা এন সি শর্মা এবং অর্থদপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়ের বিরুদ্ধে।

২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরন সংক্রান্ত মামলায় উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ শিক্ষকদের নিয়মিতকরন সহ পেনশন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিল। শিক্ষকদের অভিযোগ নিয়মিতকরনের নির্দেশ থাকার পরও রাজ‍্য সরকার ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষকদের জন্য নিয়মিতকরনের স্কিম তৈরি করবে বলে জানায়। যে সব সর্বশিক্ষার শিক্ষক সি-টেট বা টি-টেট উওীর্ন হবেন তাদেরকে নিয়মিতকরন করে অন‍্যান‍্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে বলেও জানানো হয়েছিল।

কিন্তু কথা রাখে নি সরকার৷ সর্বশিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকদের আরও অভিযোগ ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যখন সর্বশিক্ষার শিক্ষকরা তৎকালীন বাম সরকারের উপর থেকে নিয়মিতকরনের বিষয়ে আস্থা হারিয়ে আগরতলায় আমরণ অনশন বসেছিলেন তখন প্রাক্তন মুখ‍্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব, সে সময়ের প্রভারী সুনীল দেওধর, বর্তমান মন্ত্রী রতনলাল নাথ, টিংকু রায় সহ সকলই আমরণ অনশন মঞ্চে এসে কথা দিয়েছিল সরকার গড়লে তিন মাসের মধ‍্যে তাদের নিয়মিত করা হবে। এখানেই শেষ নয় তৎকালীন মুখ‍্যমন্ত্রী মানিক সরকারের সমালোচনা করেছিলেন তারা৷ শিক্ষকদের অতিসত্ত্বর নিয়মিতকরন করার জন্য বাম সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন তারা৷ সরকার পরিবর্তনের পর সাড়ে ছয় বছর কেটে গেলেও নিয়মিতকরনের দেখা নেই। এমনকি আদালতের নির্দেশ পর্যন্ত মানতে চাইছে না ডাবল ইন্জিনের সরকার।

চলতি বছরের ১৬ জুলাই উচ্চ আদালত পুনরায় রায় প্রদান করে বলে, সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের নিয়মিতকরন করতে সি-টেট বা টি-টেট এর জন্য বাধ্য করানো যাবে না। এবং তিন মাসের মধ্যে নিয়মিতকরনের স্কিমকে সংশোধন করে শিক্ষকদের নিয়মিত করতে হবে।এই সময় সীমার মধ্যে উচ্চ আদালতের নির্দেশ না মানার জন্য রাজ্য সরকারের তিন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে। উচ্চ আদালতের রায় থেকে স্পষ্ট, রাজ্য সরকার সমস্ত নিয়মনীতি মেনেই সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের চাকুরী দিয়েছেন। তারপরেও তাদের নিয়মিতকরন করা হলো না৷About Us

ল্যান্ড কাস্টমস বন্ধের হুমকি কৈলাসহরে!

কৈলাসহরে সনাতনী হিন্দুদের ল্যান্ড কাস্টমস বন্ধের হুমকি!

বাংলাদেশে ইসকনের প্রবক্তা চিন্ময় দাসকে গ্রেফতার ও সে দেশের সনাতনী হিন্দুদের উপর আক্রমনের প্রতিবাদে কৈলাসহরের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের মনু ল্যান্ড কাস্টমস প্রাংগনে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করে সনাতনী হিন্দুরা। আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন কৈলাসহর পুর পরিসদের ভাইস চেয়ারম্যান নীতিশ দে, বিজেপি কৈলাসহর মন্ডলের সভাপতি সিদ্ধার্থ দও, ঊনকোটি জেলার বরিস্ট আইনজীবী সন্দীপ দেবরায়, হিন্দু জাগরণ মঞ্চের ত্রিপুরা রাজ্যের সভাপতি উত্তম দে, সহ আরও অনেকে। সকাল এগারোটায় সনাতনী হিন্দুরা প্রথমে কৈলাসহরের ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের পাশে অবস্থিত মনু ল্যান্ড কাস্টমস প্রাংগনে একত্রিত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে স্লোগান দিতে শুরু করে।

সনাতনী জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কৈলাসহর আন্তর্জাতিক সীমানায় মনু কাস্টম ল্যান্ডে আমদানী রপ্তানী বানিজ্য বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল ভারতীয় সনাতনী হিন্দুরা।
পরবর্তী সময়ে শহরের রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল করে সনাতনী হিন্দুরা।
কৈলাসহর পুর পরিসদের ভাইস চেয়ারম্যান নীতিশ দে জানান যে, সম্পুর্ন অন্যায় ভাবে চিন্ময় দাস প্রভুকে বাংলাদেশ সরকার গ্রেফতার করে হয়রানি করছে।

এদিকে কৈলাসহরের বর্ডার দিয়ে বুধবার থেকে বাংলাদেশে সমস্ত আমদানি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যতদিন অব্দি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর আক্রমণ চলবে ততোদিন বাংলাদেশে আমদানি রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান নিতিশ দে। আন্দোলনে রেকর্ড সংখ্যক সনাতনী হিন্দুরা উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কৈলাসহরের মহকুমা পুলিশ অফিসার জয়ন্ত কর্মকারের নেতৃত্বে প্রচুর পুলিশ, টি.এস.আর এবং বি.এফ.এফ জওয়ান মোতায়েন করা হয়।About Us