অদানি গ্রুপ আমেরিকার কাঠগড়ায়

আদানি গুষ্টির উপর তদন্ত চালাতে প্রস্তুত আমেরিকা!

বাজার

অদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড এবং এর সাথে যুক্ত সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, এবার তা আন্তর্জাতিক স্তরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অদানি গ্রুপের কিছু আর্থিক কার্যক্রম এবং বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যা কোম্পানির সুনাম ও কার্যকলাপের উপর প্রভাব ফেলেছে।

মূল অভিযোগসমূহ

  1. হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ তাদের এক রিপোর্টে এই গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজারে কারসাজি, আর্থিক লেনদেনে অস্বচ্ছতা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তোলে।
  2. সন্দেহজনক বিনিয়োগ কার্যক্রম: মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই গ্রুপের কিছু বিনিয়োগ কার্যক্রম “কাজের স্বচ্ছতার অভাব” রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
  3. বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট: এই অভিযোগগুলির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় বিনিয়োগকারী এবং ফান্ড ম্যানেজাররা অদানি গ্রুপ থেকে দূরে সরে যাওয়ার চিন্তা করছে।

মার্কিন তদন্তের সম্ভাবনা

মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এই অভিযোগগুলি নিয়ে তদন্তের জন্য প্রস্তুত। হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ভারতীয় বাজার নিয়ন্ত্রক SEBI ইতিমধ্যেই ভারতীয় এই গ্রুপের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে।

অদানি গ্রুপের প্রতিক্রিয়া

অদানি গ্রুপ এই অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, এইসব অভিযোগ ব্যবসায়িক ইর্ষা এবং ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে দমিয়ে রাখার একটি কৌশল।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনার প্রভাব ভারতের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপ এবং এশিয়ার কিছু বিনিয়োগকারী সংস্থাও ভারতীয় এই গ্রুপের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে ভারতের বড় সংস্থাগুলির ভূমিকা ও সুনামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।About Us

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪-এর এক্সিট পোলের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে স্পষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত মিলেছে। এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে শিবসেনা (একনাথ শিণ্ডে গোষ্ঠী), ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), কংগ্রেস, এনসিপি (শরদ পওয়ার এবং অজিত পওয়ার গোষ্ঠী) এবং উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার মধ্যে। এক্সিট পোল অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিণ্ডে জোট এগিয়ে রয়েছে। কংগ্রেস-এনসিপি জোট তাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও পিছিয়ে থাকতে পারে। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রভাব ফেলতে পারে।

এই নির্বাচনের মূল ইস্যু ছিল:-
১. মরাঠা সংরক্ষণ: মরাঠা সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ দাবিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দল তাদের অবস্থান শক্ত করেছে।
২. কৃষি সংকট: কৃষক ঋণ মকুব এবং কৃষি উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বড় ইস্যু ছিল।
৩. অবকাঠামো উন্নয়ন: মহারাষ্ট্রে মেট্রো প্রকল্প ও সড়ক উন্নয়ন প্রচারণার প্রধান অংশ হয়ে উঠেছে।
৪. বেকারত্ব: তরুণ ভোটারদের জন্য কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪-এর এক্সিট পোল অনুযায়ী:-
বিজেপি-শিণ্ডে জোট: এক্সিট পোল অনুযায়ী, বিজেপি এবং একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা জোট ১৪০-১৬০টি আসনে এগিয়ে থাকতে পারে। তারা মূলত উন্নয়ন ও অবকাঠামো ইস্যুতে ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। কংগ্রেস-এনসিপি জোট: কংগ্রেস এবং শরদ পওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ১০০-১২০টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস। তারা মরাঠা সংরক্ষণ এবং কৃষক সমস্যা নিয়ে প্রচার চালিয়েছে।

উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা: উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা ২০-৩০টি আসনে প্রভাব ফেলতে পারে। মরাঠা সংরক্ষণ এবং ঐতিহ্যগত সমর্থন তাদের মূল ভরসা।

অন্যান্য দল এবং নির্দল প্রার্থী: ছোট দল এবং নির্দল প্রার্থীরা ১০-২০টি আসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভোটদানের হার এবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বিভিন্ন দলের জন্য সমীকরণ জটিল করে তুলতে পারে। শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় ভোটদানের হার বেশি ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিজেপি-শিণ্ডে জোট ক্ষমতায় ফিরতে পারে, তবে কংগ্রেস-এনসিপি জোটও উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনার ভূমিকা একাধিক হাঙ্গামি এলাকায় “কিংমেকার” হতে পারে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হবে গণনার দিন ই । মহারাষ্ট্রের জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, এই নির্বাচনের ফলাফল রাজ্যের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে।About Us

নার্সরা অনুমোদনের পরেও পোশাক ভাতা থেকে বঞ্চিত

রাজ্যের অর্থ দপ্তরের অনুমোদনের পরেও নার্সরা পোশাক ভাজা থেকে বঞ্চিত!

দীপাবলির প্রাক মুহূর্তে পুলিশ এবং টিএসআর জোওয়ানদের জন্য রেশন ভাতা বৃদ্ধির যে ঘোষণা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে মহাকরণে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী এখবর জানান। তিনি জানান, টিএসআর জোওয়ানদের রেশন মানি এক হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশকর্মীরাও এখন থেকে দু হাজার টাকা করে রেশন মানি পাবে। পোশাক এলাউন্স ও বাড়ানো হয়েছে। টিএসআর জোওয়ানরা এতদিন পোষাক এলাউন্স বাবদ ১০ হাজার টাকা করে পেতেন। এখন ১২ হাজার টাকা করে পাবেন।

একইভাবে রাজ্য মন্ত্রিসভা পুলিশ কর্মীদের পোশাক অ্যালাউন্স ২০০০ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৯৫০০ টাকা করা হয়েছে । এতদিন পুলিশকর্মীরা সাড়ে সাত হাজার টাকা করে পোষাক এলাউন্স পেতেন। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে টিএসআর এবং পুলিশ কর্মী মিলিয়ে ২১ হাজার ৭৫৪ জন জওয়ান উপকৃত হবেন। পুলিশ ও টিএসআর জোওয়ানদের রেশন মানি বৃদ্ধির ফলে রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে প্রতি মাসে ২ কোটি ১৭ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা ব্যয় হবে। আর বছরে খরচ হবে ২৬ কোটি ১৫ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা। এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে বেশ কিছু শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধীনে ১২৫ জন ফিজিক্যাল এডুকেশন টিচার নিয়োগ করা হবে।

অন্যদিকে যুব কল্যাণ এবং ক্রীড়া দপ্তরের অধীন ৭৫ জন পি আই তথা ফিজিকাল ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ করা হবে। ক্রীড়া দপ্তর এবং বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধীন মোট ২০০ জন ক্রিয়াশিক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। খেলাধুলার মান উন্নয়ন, কোচিং সেন্টার গুলোর মান উন্নয়নে ক্রীড়া শিক্ষকরা আগামী দিনে ভূমিকা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান মৎস্য দপ্তরে গ্রেড ওয়ান অফিসার তথা টি এফ এফ এসএর শূন্য পদ পূরণ করা হবে। অতি দ্রুত টিপিএসসির মাধ্যমে ৫৩ জন টিএফএফএস নিয়োগ করা হবে বলে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানিয়েছেন।

এদিকে; ত্রিপুরা রাজ্যে শুধুমাত্র নার্স এবং আরক্ষা দপ্তরের কর্মীরাই একমাত্র নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরিধান করে সরকারি কর্তব্য পালন করে থাকেন।কেন্দ্রীয় সরকারের যে নির্দেশনামার পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্য সরকার আরক্ষা দপ্তরের কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন; ঠিক সেই অর্ডারেই নার্সদের ভাতা বৃদ্ধির অনুমোদন ও করা ছিল। কিন্তু নার্সদের বঞ্চিত রেখে শুধুমাত্র আরক্ষা দপ্তরের কর্মীদের জন্য ই এই অর্ডার কার্যকর করলেন রাজ্যের ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যের নার্সদের পোশাক এবং পোশাক পরিস্কার রাখার জন্য মাসিক মাত্র ১৫০ টাকা ভাতা দেয়া হতো, উল্টো তাও বন্ধ করে দিয়েছেন ডাবল ইঞ্জিনের সরকারের ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী। নার্সদের হ্যাজার্ড এলাউন্স, যা তারা বহুদিন ধরে দাবি করে আসছিল তা আজও তারা পায়নি। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা রাজ্যে প্রায় সব সরকারি পদেরই পদোন্নতি হয়েছে, একমাত্র নার্সদেরই কোন পদোন্নতি আজও হয়নি । কোন অলৌকিক কারণে আমাদের রাজ্যের ডাক্তার মুখ্যমন্ত্রী, নার্সদের প্রতি এই দ্বিরূপ মনোভাব পোষণ করছেন তা নার্সদের বোধগম্য হচ্ছে না।About Us